Posts Tagged ‘রাত’

পবিত্র শবে বরাত উনার রাতে দুই রাকায়াত নামায বণী ইসরাঈলের জনৈক বুযূর্গ ব্যক্তি উনার ‘চারশ’ বছরের ইবাদতের চেয়েও অধিক ফযীলতপূর্ণ


নূরে মুজাসসাম, আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “একদা হযরত ঈসা ইবনে মারইয়াম আলাইহিমাস সালাম তিনি একটি পাহাড়ের উঁচু চূড়ার উপর দিয়ে পথ চলতে ছিলেন। হঠাৎ করে ওই পাহাড়ের উপরেই একটি সাদা পাথর দেখতে

প্রসঙ্গঃ শবে বরাত: আক্বীদা, আমল ও সংশ্লিষ্ট আলোচনা


শবে বরাত কি? শবে বরাত হচ্ছে ইসলামের বিশেষ রাত্রিসমূহের মধ্যে একটি রাত্র। যা শা’বানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাত্রিতে হয়ে থাকে। শবে বরাত-এর অর্থ হচ্ছে ‘মুক্তির রাত’ বা ‘নাজাতের রাত।’   শবে বরাত সম্পর্কে কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ বর্ণনা ‘শব’ ফার্সী

মিরাজ শরীফের সংক্ষিপ্ত বর্ননা।


মি’রাজ শরীফ হলো নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সীমাহীন মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য প্রকাশের এক বিশেষ আনুষ্ঠানিকতা। আর তা হলো কুল-মাখলূক্বাত, বিশেষ করে ফেরেশতা, জিন ও ইনসান তারা সম্যকরূপে অবগত নয় যে, মহান আল্লাহ পাক উনার যিনি

মি’রাজ শরীফের মর্যাদা মর্তবা এবং আমাদের করনীয়


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘আমি (মহান আল্লাহ পাক) নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান, মর্যাদা-মর্তবাকে বেমেছালভাবে বুলন্দ করেছি। ’পবিত্র ‘মি’রাজ শরীফ’ সেই বেমেছাল শান-মান ও মর্যাদা-মর্তবার মধ্যে অন্যতম।তাই বাংলাদেশসহ প্রত্যেক মুসলিম-অমুসলিম দেশের সরকারের জন্য

পবিত্র রজব মাসের ২৭ তারিখ সোমবার শরীফ রাতটি যেই কারণে সম্মানিত


পবিত্র রজব মাসের ২৭ তারিখ সোমবার শরীফ রাতে নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সশরীরে মি’রাজ শরীফ-এ যান। তিনি সৃষ্টির শুরু থেকে অদ্যাবধি

“اللهم بارك لنا فى رجب و شعبان و بلغنا رمضان”


রজব মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আজই দোয়া কবুলের পাচ রাত্রির  এক রাত্রি। তাই জীবনের সমস্ত ভুল-ক্রটি ক্ষমা চেয়ে আসুন সকলে দরবারে  এলাহীতে সকল আরজু পেশ করি। রজব, শাবান  এবং রমাদ্বান শরীফের বরকত লাভের জন্য দোয়া করি। “اللهم بارك لنا فى رجب

দোয়া কবুলের খাছ পাঁচটি রাতের প্রথম হচ্ছে রজবের পহেলা রাত


হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “নিশ্চয় দোয়া খাছভাবে পাঁচ রাতে কবুল হয়ে থাকে। ১. রজব মাসের পহেলা রাত ২. শবে বরাত বা বরাতের রাত ৩. শবে ক্বদর বা ক্বদরের রাত ৪. ঈদুল

আজ দিবাগত রাতই শবে ক্বদরের রাত, দোয়া কবুলের, নাজাতের রাত


بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ  وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ  لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍ  تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِم مِّن كُلِّ أَمْرٍ  سَلَامٌ هِيَ حَتَّى مَطْلَعِ الْفَجْرِ মহান আল্লাহ পাক উনি ইরশাদ করেন, “নিশ্চয়ই

মানুষ বহুত গাফেল, তাই আমার এই পোস্ট!-ঘুম কাতুরেরা সাবধান!


আমার এই পোস্টটা হচ্ছে মানুষের ঘুম হারাম করার জন্য। মানুষ যেই গাফেল আর জাহেল হয়েছে। ওইদিন একজন একটা পোস্ট দিলেন যে, এখন জাহান্নামের কথা শুনলেও মানুষের অন্তরে কোনো ফিলিং হয়না। আই মিন সে কোনো ভয়ই পায় না। এমনই যদি হয় অবস্থা