Posts Tagged ‘রোযা’

শবে বরাত শরীফ উনার আ’মল


শবে বরাত হচ্ছে মুক্তি বা ভাগ্য অথবা নাজাতের রাত। অর্থাৎ বরাতের রাত্রিতে ইবাদত-বন্দেগী করে ও পরবর্তী দিনে রোযা রেখে আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনাদের সন্তুষ্টি অর্জন করাই মূল উদ্দেশ্য। শবে বরাতে কোন্ কোন্ ইবাদত-বন্দেগী করতে

পবিত্র রজব মাস উনার ২৭ তারিখ পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার আমল ও রোযার বিষয়ে লা’মাযহাবীদের কুফরী বক্তব্যের জবাব


সালাফী ওহাবীরা পবিত্র ২৭ রজব তথা পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার রাতে ইবাদত ও দিনে রোযা রাখার বিরোধিতা করে। তারা বলে- সুন্নী উনাদের কাছে নাকি ‘গুন্ইয়াতুত তালিবীন’ ও ‘মাছাবাতা বিস সুন্নাহ’ ছাড়া আর কোনো কিতাবের দলীল নেই। নাউযুবিল্লাহ! আজকে আমরা দেখবো ‘গুন্ইয়াতুত

পবিত্র মি’রাজ শরীফ উপলক্ষে ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ রোযা রাখা নিয়ে দেওবন্দী-খারিজী মৌলুভীদের এতো গাত্রদাহ কেন?


পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস আসলেই কতিপয় চিহ্নিত খারিজী দেওবন্দী মৌলুভী লিখে থাকে- পবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ উনার রোযাকে বিশেষ বৈশিষ্ট্যের সাথে মূল্যায়ন করা যাবে না। কারণস্বরূপ তারা বলে এই দিনে নাকি মহান আল্লাহ পাক তিনি বা মহান আল্লাহ পাক

ইনজেকশন নিলে রোজা নিশ্চিতভাবেই ভঙ্গ হবে


মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন- فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ ۖوَمَن كَانَ مَرِيضًا أَوْ عَلَىٰ سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ أَيَّامٍ أُخَرَ ۗ يُرِيدُ اللَّـهُ بِكُمُ الْيُسْرَ وَلَا يُرِيدُ بِكُمُ الْعُسْرَ অর্থ : “তোমাদের মধ্যে যে লোক এ রমাদ্বান মাসটি পাবে, সে এ

পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার মধ্যে রোযা রাখার ফযীলত


হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি হারাম মাসে (যিলক্বদ, যিলহজ্জ, মুর্হরম ও রজব) তিন (৩) দিন রোযা রাখবে, তার জন্য নয় (৯)

সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও সম্মানিত ঈমান


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মূলভিত্তি সম্মানিত ঈমান। সম্মানিত ঈমান ব্যতীত আমল কোনো কাজেই আসবে না। সম্মানিত ঈমান উনার কোনো একটি বিষয় অস্বীকার করলে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম হতে খারিজ হয়ে যাবে। সম্মানিত ঈমান ব্যতীত যত নেক কাজই করা হোক না কেন কোনোই

যেসব কারণে পবিত্র রোযা ভঙ্গ হয় এবং ক্বাযা ও কাফফারা ওয়াজিব হয় পবিত্র রোযা অবস্থায় ইনজেকশন, স্যালাইন, ইনহেলার, ইনসুলিন ইত্যাদি নেয়া পবিত্র রোযা ভঙ্গের কারণ। -আল্লামা মুফতী মুহম্মদ ফযলুল হক্ব।


রাত আছে মনে করে ছুবহে ছাদিকের পর পানাহার করলে বা আহলিয়ার সাথে নির্জনবাস করলে পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবে। পবিত্র রোযা অবস্থায় ওযূ বা গোসল করার সময় নাকে পানি দিয়ে উপরের দিকে টানা এবং কুলি করার সময় গড়গড়া করা নিষিদ্ধ। পবিত্র রোযা

আজ সুমহান ঐতিহাসিক পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ। যেদিনটি সকলের জন্যই রহমত, বরকত ও সাকীনা হাছিল করার দিন।


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’ আজ সুমহান ঐতিহাসিক পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ। যেদিনটি সকলের জন্যই রহমত,

প্রসঙ্গ: পবিত্র আশূরা শরীফ উনার রোযা- সর্বাবস্থায় বিধর্মীদের অনুসরণ থেকে বেঁচে থাকা মুসলমানদের জন্য ফরয-ওয়াজিব


পবিত্র আশূরা শরীফ উনার অন্যতম আমল হলো ৯ ও ১০ই মুহররম অথবা ১০ ও ১১ই মুর্হরম তারিখে রোযা রাখা। এ রোযা রাখা খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র আশূরা উনার রোযা রেখেছেন

সারাবিশ্বে যারা একই দিনে পবিত্র রোযা-ঈদসহ অন্যান্য ইবাদত পালন করার কথা বলে- তাদের কথা সম্পূর্ণ ভুল; ভূগোলের সামান্যতম জ্ঞানও তাদের নেই।


সারাবিশ্বে যারা একদিনে রোযা রাখা এবং একদিনে ঈদ করার কথা বলে থাকে, সামান্যতম ভৌগোলিক জ্ঞানও তাদের নেই। কেননা, পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তের সময়ের পার্থক্য হচ্ছে ১২ ঘণ্টা। পৃথিবীর এক প্রান্তে যখন দিন, তখন অন্য প্রান্তে রাত। কাজেই সেখানে তখন

হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে নিয়ে খারিজী, ওহাবী, দেওবন্দী, তাবলীগী, মওদুদী, জামাতী গং-এর মুনাফিকী


উটপাখিকে বোঝা নিতে বললে সে বলে, আমি তো ভাই পাখি। বোঝা বইবো কী করে? আবার উড়তে বলা হলে জবাব দেয়, আমি তো উট, উড়তে জানি না। একই অবস্থা খারিজী, ওহাবী, দেওবন্দী, তাবলীগী, মওদুদী, জামাতী গংসহ তাবৎ বাতিল ৭২ ফিরক্বার। তারা পবিত্র

যেভাবে এক বছরে মুসলমানগণ উনাদের জন্য ঈদ উনার সংখ্যা সর্বমোট ১৭৭ বা ১৭৮ দিন


ভূমিকাঃ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, (হে আমার হাবীব!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফযল ও রহমত অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা। অর্থাৎ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর অর্থাৎ কুল-কায়িনাতের