Posts Tagged ‘শবে বরাত’

আজ দিবাগত রাতটিই পবিত্র লাইলাতুম মুবারাকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ মশহুর পবিত্র বরাত শরীফ উনার বরকতময় রাত।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যখন তোমরা লাইলাতুম মুবারকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ মশহুর পবিত্র বরাত শরীফ উনার রাত্র পাবে তখন সারারাত সজাগ থেকে ইবাদত করো এবং পরের দিন রোযা রাখো।”

শবে বরাত


শবে বরাত কি ? শব অর্থ রাত্রি বা রজনী,বরাত অর্থ ভাগ্য = ভাগ্য রজনী । শবে বরাত শব্দটি ফারসী । হাদীস শরীফ উনার ভাষায় লাইলাতুন নিছফি মিন শাবান । সম্মানীত কুরআন শরীফ উনার ভাষায় লাইলাতুম মুবারাকা = বরকত পূর্ণ রজনী ।

শবে বরাত আপনি কেন ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফে পালন করবেন?


সম্মানিত শা’বান শরীফ মাস উনার ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি হচ্ছেন সম্মানিত শবে বরাত উনার রাত। সম্মানিত শবে বরাত উনার ফযীলত সম্পর্কে সম্মানিত কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নিশ্চয় আমি বরকতময় রজনীতে (শবে বরাতে) পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল করেছি অর্থাৎ

মধ্য শাবান বা শবে বরাতে দিনে রোজা রাখার বিশুদ্ধ হাদীছ শরীফ


عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، – رضى الله عنهما – أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَهُ أَوْ لآخَرَ ‏”‏ أَصُمْتَ مِنْ سَرَرِ شَعْبَانَ ‏”‏ ‏.‏ قَالَ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏”‏ فَإِذَا أَفْطَرْتَ فَصُمْ يَوْمَيْنِ অর্থ :হযরত ইমরান ইবনু হুসায়ন রদ্বিয়াল্লাহু

শবে বরাত সম্পর্কে কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ বর্ণনা


শবে বরাত কি? শবে বরাত হচ্ছে ইসলামের বিশেষ রাত্রিসমূহের মধ্যে একটি রাত্র। যা শা’বানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাত্রিতে হয়ে থাকে। শবে বরাত-এর অর্থ হচ্ছে ‘মুক্তির রাত’ বা ‘নাজাতের রাত।’ শবে বরাত সম্পর্কে কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ বর্ণনা ‘শব’ ফার্সী শব্দ।

১৪ই শা’বান দিবাগত রাতটি হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত বা লাইলাতুল বরাতের রাত্রি।


১৪ই শা’বান দিবাগত রাতটি হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত বা লাইলাতুল বরাতের রাত্রি। মূলতঃ পবিত্র শবে বরাত এবং উনার ফযীলত সম্পর্কে মহাপবিত্র কুরাআন শরীফে ও পবিত্র হাদীছ শরীফে অসংখ্য আয়াত শরীফ ও হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত রয়েছে। মহাপবিত্র কুরাআন শরীফ উনার মধ্যে

পবিত্র শবে বরাত-এর পক্ষে কিছু ছহীহ হাদীস শরীফ – ৩


হযরত আলী ইবনে আবী তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “যখন শা‘বানের মধ্যরাত্রি আসবে তখন তোমরা সে রাতের কিয়াম তথা রাতভর নামায পড়বে, আর সে দিনের রোযা রাখবে; কেননা সে দিন সুর্যাস্তের সাথে সাথে

পবিত্র শবে বরাত-এর পক্ষে কিছু ছহীহ হাদীস শরীফ – ২


হযরত আবু মূসা আল আশ’আরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ ‘আল্লাহ তা‘আলা শাবানের মধ্যরাত্রিতে আগমণ করে, মুশরিক ও ঝগড়ায় লিপ্ত ব্যক্তিদের ব্যতীত, তাঁর সমস্ত সৃষ্টিজগতকে ক্ষমা করে দেন। দলিলঃ হাদীসটি ইমাম ইবনে মাজাহ তার

পবিত্র শবে বরাত-এর পক্ষে কিছু ছহীহ হাদীস শরীফ – ১


  ১. আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন: এক রাতে আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে খুঁজে না পেয়ে তাঁকে খুঁজতে বের হলাম, আমি তাকে বাকী গোরস্তানে পেলাম। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বললেন: ‘তুমি কি মনে কর, আল্লাহ ও

শবে বরাতের অন্যান্য নাম


পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, তাফসীর শরীফ ও ফিক্বহর কিতাবে বর্ণিত ‘পবিত্র শবে বরাত শরীফ’ এর অন্যান্য নাম মুবারকসমূহ :   পবিত্র হাদীছ শরীফ এর বিশ্ববিখ্যাত কিতাব মুবারক-এ এবং সর্বজনমান্য তাফসীর শরীফ ও ফিক্বহর কিতাবসমূহে উল্লেখকৃত পবিত্র শবে বরাত শরীফ

শবে বরাত সম্পর্কিত কিছু মূল্যবান হাদিস শরীফ।


  ১। মুআয ইবনে জাবাল রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম, হাবীবাল্লাহ, হুজুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, –মহান আল্লাহ তাআলা অর্ধ-শাবানের রাতে (শাবানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাতে) সৃষ্টির দিকে (রহমতের) দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতীত

শবে বরাত’ অস্বীকার করার অর্থ হলো কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফকেই অস্বীকার করা


শবে বরাত’ অস্বীকার করার অর্থ হলো কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফকেই অস্বীকার করা ১৪ই শা’বান দিবাগত রাতটি হচ্ছে শবে বরাত বা বরাত-এর রাত। এ সম্পর্কে সূরা দুখান-এর শুরুতে ইরশাদ হয়েছে; মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন “নিশ্চয়ই আমি বরকতময় রজনীতে (শবে