Posts Tagged ‘শবে বরাত’

যারা পবিত্র লাইলাতুম মুবারাকাহ তথা শবে বরাত সম্পর্কে চু-চেরা করবে, তারা কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী হয়ে যাবে


‘বরাত’ উনার বরকতময় রাতটির বর্ণনা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার কালাম পাক উনার মধ্যে ঘোষণা করেছেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমি বরকতময় রজনীতে (লাইলাতুল বরাতে) পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নিশ্চয়ই

আজ দিবাগত রাতটিই চাঁদের সঠিক তারিখ অনুযায়ী পবিত্র লাইলাতুম মুবারাকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ মশহুর পবিত্র বরাত শরীফ উনার বরকতময় রাত। সুবহানাল্লাহ!


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যখন তোমরা লাইলাতুম মুবারকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ মশহুর পবিত্র বরাত শরীফ উনার পবিত্র রাত্র মুবারক পাবে তখন সারারাত সজাগ থেকে ইবাদত করো এবং পরের দিন

সালাফীদের মূল মুরুব্বী ইবনে তাইমিয়া, আলবানী, উসাইমিন- এরা পবিত্র লাইলাতুম মুবারকাহ অর্থাৎ পবিত্র শবে বরাতের ফযীলত ও আমল স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে


বর্তমান সালাফী-ওহাবীরা লাইলাতুম মুবারকাহ, লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ পবিত্র শবে বরাত শরীফ আসলে বিরোধিতায় মেতে উঠে। অথচ তাদের পূর্বসূরি মুরুব্বীরা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র তাফসীর শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, হযরত সলফে ছালিহীন উনাদের আমলে ব্যাপকতার কারণে অস্বীকার করার কোনো সাহসই

লাইলাতিন নিছফি মিন শা’বান তথা পবিত্র শবে বরাত উনার দলীল ভিত্তিক পর্যালোচনা


১৪ই শা’বান দিবাগত রাতটি হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত বা বরাতের রাত্র। কিন্তু অনেকে বলে থাকে কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ এর কোথাও শবে বরাত বলে কোনো শব্দ নেই। শবে বরাত বিরোধীদের এরূপ জিহালতপূর্ণ বক্তব্যের জবাবে বলতে হয় যে, শবে বরাত শব্দ

শবে বরাত শরীফ উনার আ’মল


শবে বরাত হচ্ছে মুক্তি বা ভাগ্য অথবা নাজাতের রাত। অর্থাৎ বরাতের রাত্রিতে ইবাদত-বন্দেগী করে ও পরবর্তী দিনে রোযা রেখে আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনাদের সন্তুষ্টি অর্জন করাই মূল উদ্দেশ্য। শবে বরাতে কোন্ কোন্ ইবাদত-বন্দেগী করতে

পহেলা বৈশাখে নয় বরং পবিত্র শবে বরাত শরীফ উপলক্ষ্যে বোনাস দেয়া আবশ্যক


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সীমাহীন বেমেছাল সুমহান শান মুবারক সমূহ উনাদের মধ্যে একটি অন্যতম বিশেষ সম্মানিত শান মুবারক বা মর্যাদা মুবারক-মর্তবা ও আমল মুবারক হচ্ছেন সম্মানিত শবে বরাত শরীফ। যা বিশ্বাস ও আমল করা প্রত্যেক

আজ দিবাগত রাতটিই পবিত্র লাইলাতুম মুবারাকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ মশহুর পবিত্র বরাত শরীফ উনার বরকতময় রাত।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যখন তোমরা লাইলাতুম মুবারকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ মশহুর পবিত্র বরাত শরীফ উনার রাত্র পাবে তখন সারারাত সজাগ থেকে ইবাদত করো এবং পরের দিন রোযা রাখো।”

শবে বরাত


শবে বরাত কি ? শব অর্থ রাত্রি বা রজনী,বরাত অর্থ ভাগ্য = ভাগ্য রজনী । শবে বরাত শব্দটি ফারসী । হাদীস শরীফ উনার ভাষায় লাইলাতুন নিছফি মিন শাবান । সম্মানীত কুরআন শরীফ উনার ভাষায় লাইলাতুম মুবারাকা = বরকত পূর্ণ রজনী ।

শবে বরাত আপনি কেন ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফে পালন করবেন?


সম্মানিত শা’বান শরীফ মাস উনার ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি হচ্ছেন সম্মানিত শবে বরাত উনার রাত। সম্মানিত শবে বরাত উনার ফযীলত সম্পর্কে সম্মানিত কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নিশ্চয় আমি বরকতময় রজনীতে (শবে বরাতে) পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল করেছি অর্থাৎ

মধ্য শাবান বা শবে বরাতে দিনে রোজা রাখার বিশুদ্ধ হাদীছ শরীফ


عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، – رضى الله عنهما – أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَهُ أَوْ لآخَرَ ‏”‏ أَصُمْتَ مِنْ سَرَرِ شَعْبَانَ ‏”‏ ‏.‏ قَالَ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏”‏ فَإِذَا أَفْطَرْتَ فَصُمْ يَوْمَيْنِ অর্থ :হযরত ইমরান ইবনু হুসায়ন রদ্বিয়াল্লাহু

শবে বরাত সম্পর্কে কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ বর্ণনা


শবে বরাত কি? শবে বরাত হচ্ছে ইসলামের বিশেষ রাত্রিসমূহের মধ্যে একটি রাত্র। যা শা’বানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাত্রিতে হয়ে থাকে। শবে বরাত-এর অর্থ হচ্ছে ‘মুক্তির রাত’ বা ‘নাজাতের রাত।’ শবে বরাত সম্পর্কে কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ বর্ণনা ‘শব’ ফার্সী শব্দ।

১৪ই শা’বান দিবাগত রাতটি হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত বা লাইলাতুল বরাতের রাত্রি।


১৪ই শা’বান দিবাগত রাতটি হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত বা লাইলাতুল বরাতের রাত্রি। মূলতঃ পবিত্র শবে বরাত এবং উনার ফযীলত সম্পর্কে মহাপবিত্র কুরাআন শরীফে ও পবিত্র হাদীছ শরীফে অসংখ্য আয়াত শরীফ ও হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত রয়েছে। মহাপবিত্র কুরাআন শরীফ উনার মধ্যে