Posts Tagged ‘শবে বরাত’

পবিত্র শবে বরাত উনার রাতে দুই রাকায়াত নামায বণী ইসরাঈলের জনৈক বুযূর্গ ব্যক্তি উনার ‘চারশ’ বছরের ইবাদতের চেয়েও অধিক ফযীলতপূর্ণ


নূরে মুজাসসাম, আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “একদা হযরত ঈসা ইবনে মারইয়াম আলাইহিমাস সালাম তিনি একটি পাহাড়ের উঁচু চূড়ার উপর দিয়ে পথ চলতে ছিলেন। হঠাৎ করে ওই পাহাড়ের উপরেই একটি সাদা পাথর দেখতে

পবিত্র শবে বরাত: আক্বীদা, আমল ও সংশ্লিষ্ট আলোচনা


শবে বরাত কি? শবে বরাত হচ্ছে ইসলামের বিশেষ রাত্রিসমূহের মধ্যে একটি রাত্র। যা শা’বানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাত্রিতে হয়ে থাকে। শবে বরাত-এর অর্থ হচ্ছে ‘মুক্তির রাত’ বা ‘নাজাতের রাত।’ শবে বরাত সম্পর্কে কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ বর্ণনা ‘শব’ ফার্সী শব্দ।

শবে বরাতের অকাট্য দলীলঃ কয়েকটি সহীহ্ হাদীছ শরীফ


নিচের উল্লেখিত কয়েকটি হাদীছ শরীফ ছেক্বাহ রা’বী কর্তৃক বর্নিত এবং সহীহ্ হাদীছ শরীফের কিতাবে সংকলিত। কোন মুসলমানের পক্ষে এ হাদীছ শরীফগুলো অস্বীকার করা সম্ভব নয়। যারা জঈফ বলে অপপ্রচার চালায়, তাদের কাছে কোন প্রমানই নেই। আর কেয়ামত পর্যন্ত প্রমান ও করতে

সূরা দুখানের ৩-৪নং আয়াত শরীফ-এ বর্ণিত ‘লাইলাতুম্ মুবারাকাহ্’ দ্বারা ‘লাইলাতুল ক্বদরকে’ বুঝানো হয়েছে? না ‘শবে বরাতকে’ বুঝানো হয়েছে?


সূরা দুখানের ৩নং আয়াত শরীফ-এ উল্লিখিত ‘লাইলাতুম্ মুবারাকাহ’ দ্বারা ‘লাইলাতুল ক্বদরকে’ বুঝানো হয়নি বরং ‘লাইলাতুল বরাত’ বা ‘শবে বরাতকেই’ বুঝানো হয়েছে। কেননা, ‘লাইলাতুল ক্বদর’-এর মর্তবা ও ফযীলত সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘সূরা ক্বদর’ নামে আলাদা একটি সূরাই নাযিল করেছেন। যার

” মুবারক রজনীর সওগত “


পবিত্র লাইলাতুম মুবারক সকিনা-বারাকাত নিয়ে চাঁদ !! উদিত ওই পাক দরবারে কি সে ডাক আসে বারে বারে !! ভাগ্যরজনী হাতছানি দিয়া কহে নিয়ামতপুর্ণ  বাতাস পাক দরবারে বহে !! আহ ! কি যে মনমুগ্দ্ধকর নিয়ম নীতি সালাত-মিলাদ , জিকির-তেলাওয়াত পার হয় রাত্রি

‘সারা বছর ইবাদত-বন্দেগী না করে শবে বরাত পালন করে লাভ নেই’ এ কথা বলা চরম জিহালতী ও কুফরী


যেখানেই ধর্মব্যবসায়ী মাওলানাদের ওয়াজ ও কথিত প্রগতিবাদীদের মিটিং-সমাবেশ হয়, সেখানেই চলে ইহুদী-খ্রিস্টানদের প্রশংসা ও মুসলমানগণকে ঈমান ও আমল তথা মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইহসান থেকে দূরে রাখার বিভ্রান্তিমূলক যত সব

পবিত্র শবে বরাত সম্পর্কে জাহিল উলামায়ে ‘সূ’দের প্রপাগান্ডার নমুনা


অনেকে বলে থাকে যে, “কুরআন শরীফ-হাদীছ শরীফ-এ শবে বরাত বলে কিছু নেই।” আসলে না থাকাটাই স্বাভাবিক। কারণ পবিত্র কুরআন শরীফ হলো আরবী ভাষায় আর শবে বরাত হলো ফারসী ভাষায় মশহুর। তাই শবে বরাত শব্দ কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ তালাশ করতে

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম তিনি বিলাদত শরীফ লাভ করেন শা’বান মাসের ১৫ তারিখ বরাতের দিন বাদ আছর


সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম তিনি বিলাদত শরীফ লাভ করেন শা’বান মাসের ১৫ তারিখ বরাতের দিন বাদ আছর ইয়াওমুল আরবিয়ায়ি অর্থাৎ বুধবার দিন।মূলত উনাদের সংস্পর্শে এ বরকতপূর্ণ মাসটি আরো বরকত ও রহমতপূর্ণ হয়েছে। সুবহানাল্লাহ! উনাদের এ বিলাদত শরীফ-এর দিন ও

‘শবে বরাত কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর কোথাও নেই’ এরূপ বক্তব্য চরম জিহালতি ও মূর্খতাসূচক


কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর ভাষা যেহেতু আরবী তাই ফারসী ‘শব’ শব্দটি কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ না থাকাটাই স্বাভাবিক। প্রকাশ থাকে যে, পৃথিবীতে যত ভাষা রয়েছে তন্মধ্যে একমাত্র আরবী ভাষাই স্বয়ংসম্পূর্ণ। এছাড়া অন্যান্য প্রতিটি ভাষাই একটি আরেকটির উপর নির্ভরশীল। তবে

‘শবে বরাত কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর কোথাও নেই’ এরূপ বক্তব্য চরম জিহালতি ও মূর্খতাসূচক-১


কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর ভাষা যেহেতু আরবী তাই ফারসী ‘শব’ শব্দটি কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ না থাকাটাই স্বাভাবিক। প্রকাশ থাকে যে, পৃথিবীতে যত ভাষা রয়েছে তন্মধ্যে একমাত্র আরবী ভাষাই স্বয়ংসম্পূর্ণ। এছাড়া অন্যান্য প্রতিটি ভাষাই একটি আরেকটির উপর নির্ভরশীল। তবে

শবে বরাত ও এর দলীল ভিত্তিক প্রমাণ


১৪ই শা’বান দিবাগত রাতটি হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত বা বরাতের রাত্র। কিন্তু অনেকে বলে থাকে কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ এর  কোথাও শবে বরাত বলে কোনো শব্দ নেই। শবে বরাত বিরোধীদের এরূপ জিহালতপূর্ণ বক্তব্যের জবাবে বলতে হয় যে, শবে বরাত শব্দ

শবে বরাত প্রসংগে ভ্রান্ত আক্বীদা


শবে বরাত নিয়ে বাতিল ৭২ ফিরকার লোকজনের কতগুলো ভ্রান্ত আক্বীদা রয়েছে। সেগুলো হলোঃ ১.শবে বরাত কুরআন শরীফ ও সিহাহ সিত্তাহ হাদীছ শরীফ এ উল্লেখ নেই ২. উপমহাদেশের বাইরে কেউ পালন করে না । যেমনঃ সৌদি আরব ৩. শবে বরাত পালন করা বিদায়াত