Posts Tagged ‘শরীফ’

পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররম শরীফ উনার বিশেষ আমলসমূহ এবং ফযীলত মুবারক


পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার উল্লেখযোগ্য ও শ্রেষ্ঠতম দিন হচ্ছে ১০ই মুহররমুল হারাম শরীফ পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন। এই মুবারক দিনটি বিশ্বব্যাপী এক আলোচিত দিন। কেননা সৃষ্টির সূচনা হয় এ দিনে এবং সৃষ্টির সমাপ্তিও ঘটবে এই দিনে। বিশেষ বিশেষ

আজ সুমহান ঐতিহাসিক মহা পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ উনার সম্মানিত দিন। সুবহানাল্লাহ!


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান ঐতিহাসিক মহা পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ উনার সম্মানিত

মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি সম্মানিত দুরূদ শরীফ পাঠ করা ব্যতীত নামায কবূল হয় না


সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ مَسْعُوْدِ ۨ الْاَنْصَارِىِّ رَضِىَ الله تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى الله عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ صَلّٰى صَلٰوةً لَّـمْ يُصَلِّ فِيْهَا عَلَىَّ وَلَا عَلـٰى اَهْلِ بَيْـتِـىْ لَـمْ تُقْبَلْ مِنْهُ. অর্থ:

ইলম ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা জাতি উন্নতি করতে পারে না। আর ইলমের ভাণ্ডার হলেন ‘পবিত্র কুরআন শরীফ’


ইলম হলো আমলের ইমাম। তাহলে ইলমের গুরুত্বটা কতটুকু? ইলম ছাড়া কি কোনো আমল হতে পারে? এজন্য নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইলম অর্জনের উপর এতো তাগিদ দিয়েছেন। ইলমকে করেছেন মর্যাদায় অধিষ্ঠিত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাকম

হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত ও সম্মানিত কারামত শরীফ উনার মাহাত্ম্য এবং সাইয়্যিদাতুন নিসা, উম্মু উম্মিল উমাম, মাহজুবা, ত্বাহিরা, ত্বইয়িবা, তাওশিয়া, তাজিমা, তাকরিমা, শাফিয়াহ, মুশাফ্ফায়াহ, হাবীবাতুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, সাইয়্যিদাতুনা হযরত নানী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার গুটিকয়েক মুবারক কারামত বর্ণনা


“নিশ্চয়ই যে সকল মহান ব্যক্তিত্ব-ব্যক্তিত্বা উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার বন্ধু, উনাদের কোনো ভয়ভীতি নেই এবং উনারা চিন্তিতও হবেন না।” (পবিত্র সূরা ইউনুস শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৬২) ‘আউলিয়া’ শব্দটি ‘ওলী’ শব্দের বহুবচন। আরবী ভাষায় ‘ওলী’ শব্দের অর্থ: নিকটবর্তী এবং দোস্ত, বন্ধু-

আজ মহিমান্বিত ৫ই মুহররমুল হারাম শরীফ- সাইয়্যিদাতুন নিসা, উম্মু উম্মিল উমাম, মাহজুবা, ত্বাহিরা, ত্বইয়িবা, তাওশিয়া, তাজিমা, তাকরিমা, শাফিয়াহ, মুশাফ্ফায়াহ, হাবীবাতুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব সাইয়্যিদাতুনা হযরত নানী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। মুসলিম উম্মাহর উচিত- যথাযথভাবে এ দিনের হক্ব আদায়ে নিবেদিত হওয়া।


সমস্ত প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

ঈমান, আক্বীদা হিফাজতের ওয়েবসাইট সমূহ


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি এবং সাথে সম্পর্কযুক্ত সব কিছু হচ্ছেন ঈমান।  উনাদের পবিত্র শান মুবারকে আক্বীদা শুদ্ধ রাখতে পারলেই আমরা পরিপূর্ণ ঈমানদার। কারণ মহান আল্লাহ পাক না করুন কারো যদি আক্বীদা শুদ্ধ না থাকে তাহলে

সম্মানিত পবিত্র দ্বীন ইসলামে সমস্ত খেলাধুলা হারাম


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব ‘মুসতাদরেকে হাকিম’ উনার মধ্যে হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সর্বপ্রকার খেলাধুলা হারাম। তিনটি

বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবর্তন: দেশের স্বাধীনতা ও জাতির নিজস্ব স্বকীয়তার দাবি


জাতীয় পতাকা যেমন বিশ্বের দররবার একটি দেশকে উপস্থাপন করে তেমনি জাতীয় সংগীতও একটি জাতির চিন্তা, চেতনা ও সভ্যতার পরিচয় প্রদান করে। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত নিয়ে এর আগে অনেক দেশপ্রেমিক আপত্তি করলেও তা ধোপে টিকেনি। ভারতীয় শকুনদের নজরে পড়ে সে আন্দোলন অঙ্কুরেই

সুমহান মীলাদ শরীফ পরকালে নাজাত লাভের অন্যতম মাধ্যম


আমরা সকলেই জানি, মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি আমাদের মৃত্যুর পর হাশরের ময়দানে আমাদেরকে পুনরুত্থান করবেন। সকলের আমলের হিসাব গ্রহণ করবেন। যে নেক কাজ করবে সে তার প্রতিদান পাবে। আর যে বদকাজ করবে সে ব্যক্তিও তার পরিণাম ফল পাবে। এক

১১ মাহে রবীউছ ছানী ১৪৩৫ হিজরী ঐতিহাসিক সুমহান বরকতপূর্ণ পবিত্র ফাতিহায়ে ইয়াযদাহম শরীফ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘সাবধান! নিশ্চয় যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী, উনাদের কোনো ভয় নেই এবং চিন্তা-পেরেশানীও নেই।’ আগামী ১১ মাহে রবীউছ ছানী ১৪৩৫ হিজরী, ১৪ তাসি’ ১৩৮১ শামসী, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ঈসায়ী, ইয়াওমুল আরবিয়া বা বুধবার ঐতিহাসিক সুমহান

সাইয়্যিদুল আই’য়াদ, পবিত্র ঈদে মীলাদুন্‌ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা সবার জন্যেই ফরয-ওয়াজিব


সমস্ত ইমাম-মুজতাহিদ ও আউলিয়ায়ে ক্বিরাম-এর ইজমা হয়েছে যে, ‘রওজা শরীফের যে মাটি মুবারক আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পা মুবারক স্পর্শ করে আছে তার মর্যাদা লক্ষ-কোটি আরশে আযীমের চেয়েও বেশি।’ এবং উনার সংশ্লিষ্ট যা কিছু এসেছে সব