Posts Tagged ‘ষড়যন্ত্র’

পবিত্র কুরবানী নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদেরকে রুখে দেয়া হোক


যারা পবিত্র কুরবানী নিয়ে ষড়যন্ত্র করে থাকে তাদের থেকে সাবধান। কেননা তারা মুসলমানদের চরম শত্রু। যারা পবিত্র কুরবানী নিয়ে ষড়যন্ত্র করে থাকে তারাই মূলত দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধী। ৯৮ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত দেশে কি করে মুসলমানদের বিরুদ্ধে, পবিত্র কুরবানীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নিউ ইয়র্কে ইমামসহ দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা এবং একটি কাল্পনিক কাহানি


আজ বাংলাদেশে একজন গির্জার ফাদার সহ দুই জন আমেরিকান কে গুলি করে মেরে ফেলা হয়েছে। ঘটনার সাথে সাথে সকল রাজনীতিক সরকারী দল, বিরোধী দল, তৃতীয় দল, বাম দল, ডান দল, আম দল, ভাদা দল, পাদা দল, আদা দল, শুশীল সমাজ সকলেই

গত কয়েকদিন আগে বাংলাদেশের বাগেরহাটে আইএস পরিচয় দিয়ে কলেজ শিক্ষক ও এনজিও কর্মকর্তাদের দেশত্যাগ ও শিরশ্ছেদের হুমকি দেওয়ায় গ্রেফতার হয়েছে অসিত বরণ দাস (৫৫) নামক এক হিন্দু ব্যক্তি।


(http://goo.gl/TY9qui) আচ্ছা, ‍মুসলিম নাম ব্যবহার করে হিন্দুরা যে জঙ্গী হামলা করার হুমকি দেয়, এটা কি নতুন কিছু ? কখনই না। আসুন ভারতে এ ধরনের কয়েকটি ঘটনা দেখি- ২০১৪ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে ৪টি ঘটনা- ১) পশ্চিমবঙ্গের খাগড়াগড়কান্ড নিয়ে মিডিয়ায় মুসলিম

সিলেটের তারাপুরে ৩ হাজার পরিবারকে বাস্তুচ্যূত করা হবে কারণ তারা রাগীব আলীর থেকে জমি ক্রয় করেছিলো।


খুব ভালো কথা। কিন্তু রাগীব আলী পঙ্কজ কুমার গুপ্তের কাছ থেকে যে জমি নিয়েছিলো সেই পঙ্কজ কুমার এত বড় জমি পেলো কোথায় ??? ইতিহাস বলে- পঙ্কজ কুমারের পূর্বপুরুষ ১৮৯২ সালে এই জমি ক্রয় করেছিলো এক ব্রিটিশ ব্যবসায়ীর পুত্র’র কাছ থেকে। ঐ

রাগীব আলী দোষী, কিন্তু বৈকুণ্ঠ চন্দ্র গুপ্ত আর সি কে হাডসন কি ভালো??


পত্রপত্রিকাগুলো যে কত বড় দালাল তা পড়লে খুব ভালোভাবে বোঝা যায়। রাগীব আলীর ঘটনা নিয়ে পত্রিকাগুলো লিখেছে তারাপুর চা বাগানের মালিক ছিলো সি কে হাডসন নামক এক ব্রিটিশ ব্যবসায়ী। অথচ ইতিহাস ঘেটে দেখি, সি কে হাডসন ছিলো সিলেটের (তৎকালীন আসামের অন্তর্ভূক্ত)

কাফিরদের সূক্ষ্ণ ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সচেতন হউন


আসুন একটা সমীকরণ মিলাই ১) হঠাৎ করে বাংলাদেশে বিদেশী হত্যা শুরু হলো। এরপর চেষ্টা হলো বাংলাদেশ আইএস আছে এরূপ স্বীকারক্তি আদায় করা। যদিও চক্রান্তকারীরা বিফল। ২) পঞ্চগড়ে হঠাৎ করে এক পুরোহিতকে গলাকেটে হত্যা করা হলো। এরপর সেই হত্যাকাণ্ডের অজুহাত ধরে কোর্টে

কাফিরদের ষড়যন্ত্র


নাস্তিক ও বিধর্মীদের কত বড় স্পর্ধা! ৯৮ ভাগ মুসলমান দেশ থেকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে প্রত্যাখ্যান করার দাবি?


আর্শ্চযের বিষয় হচ্ছে! নাস্তিক ও বিধর্মীদের সম্মানিত রাষ্ট্রধর্ম দ্বীন ইসলাম উনাকে সরিয়ে ফেলার দাবি করল এবং এ বিষয়ে মামলা করল। এই মামলাকে গ্রহণও করেছে এবং এ বিষয়ে শুনানি ও হবে। নাউযুবিল্লাহ! কিন্তু এখন পর্যন্ত মুসলমানদের চোখ-কান খুলেনি। মুসলমান দেশ থেকে রাষ্ট্রধর্ম

হিন্দুরা কোন অধিকারে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সংবিধান থেকে বাতিলের দাবী করে?


প্রসঙ্গ: ভারতীয় টিভি চ্যানেল বন্ধ করা হউক। অন্যথায় অদূর ভবিষ্যতে আমাদের পরিবার ব্যবস্থা ভেঙ্গে পশুবৃত্তিতে পরিণত হবে


আজ ভারতের টিভি চ্যানেলগুলো ভারতে দেখতে প্রতিটি চ্যানেলে শত শত টাকা দিতে হয়। অথচ তারা মুসলমান উনাদের ঈমান নষ্ট করতে, চরিত্র নষ্ট করতে, মুসলিম দেশগুলোতে মাত্র ১০০-১৫০ টাকার বিনিময়ে ৯০-১০০টি চ্যানেল অলটাইম দেখার সুযোগ দিচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! বর্তমানে এদেশের ১০ কোটিরও বেশি

যে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’র ধোঁয়া উড়িয়ে সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম উঠিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে, সেই মুক্তিযুদ্ধের বিজয় এসেছিলো শেখ মুজিবের ‘ইনশাআল্লাহ’ বলার কারণেই। তাহলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ আসলো কোথা থেকে?


৭১’এর মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ‘ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ’ ছিলো? নাকি ঈমান দীপ্ত চেতনা ছিলো? ইতিহাস স্বাক্ষ্য দেয়, নাস্তিক্যবাদীদের মুর্খ মস্তিষ্কে তখনো ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের ধারণাটিই জন্ম নেয়নি। আর স্বাধীন বাংলার রূপকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিজীবন, পরিবার জীবন, সমাজ জীবন এমনকি রাষ্ট্রজীবনেও চেতনার কেন্দ্রবিন্দু ছিলো দ্বীন

যারা নিজেদের দেশের নিরাপত্তা দিতে পারেনা, আমাদের দেশের নিরাপত্তা নিয়ে তাদের এত লম্ফঝম্ফ করার উদেশ্য কি?


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “আহলে কিতাব-অর্থাৎ ইহুদী-নাছারারা চায় মুসলমান উনাদেরকে ঈমান আনার পর আবার কাফের বানিয়ে দিতে। তাদের হিংসা বশত! (পবিত্র সূরা বাকারা শরীফ)। খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক