Posts Tagged ‘সুন্নত’

আজ দিবাগত রাতটিই পবিত্র লাইলাতুম মুবারাকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ মশহুর পবিত্র বরাত শরীফ উনার বরকতময় রাত।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যখন তোমরা লাইলাতুম মুবারকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ মশহুর পবিত্র বরাত শরীফ উনার রাত্র পাবে তখন সারারাত সজাগ থেকে ইবাদত করো এবং পরের দিন রোযা রাখো।”

“সুন্নতকে ইহানত করা কুফরী।”


সুন্নতকে অস্বীকার করা এবং সেটাকে বিদয়াত বলে অভিহিত করা শক্ত কুফরী আর যে কুফরী করে সে কাফির হয়ে যায়। যেমন, হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক

সুন্নতকে অস্বীকার করা যাবে না


সুন্নতের অনুসরণ ছাড়া কোন বান্দার জন্য আল্লাহ পাক ও উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি পাওয়া সম্ভব নয়। যেমন, কুরআন শরীফের “সূরা আলে ইমরান”-এর ৩১নং আয়াত শরীফে ইরশাদ হয়েছে, قل ان كنتم تحبون الله فاتبعونى يحببكم الله ويغفر لكم

পবিত্র সুন্নত মুবারক পালন করা ফরয


لقد كان لكم فى رسول الله اسوة حسنة অর্থ: “নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক।” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আহযাব শরীফ- ২১) পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ

খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহ বন্ধে প্রশাসনের অতি-তৎপরতা মুসলিম সমাজে গণ বিস্ফোরণ সৃষ্টি করতে পারে


গত কয়েকদিন আগে পত্র-পত্রিকা বিশেষ করে ইহুদী-নাছারাদের দোসর অনলাইন পত্রিকাগুলো একটি খবর খুব হাইলাইট করে প্রচার করেছে। যেন বিশাল এক রাজ্য জয় করার মতো খবর। খবরটির মূল বিষয় ছিলো- মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার আটিগ্রামে বাল্যবিয়ে করানোর দায়ে মোশারফ হোসেন (৪৯) নামে এক

হারাম কাজ বর্জন করতঃ পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার প্রচলন


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র সূরা হাশর শরীফ উনার ৭নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার প্রিয়তম হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তোমাদের মাঝে যা নিয়ে

পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার দিনের পবিত্র সুন্নতসমূহ


পবিত্র ঈদ উনার দিনের পবিত্র সুন্নত হলো- ১. খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠা ২. গোসল করা ৩. মিস্্ওয়াক করা ৪. সামর্থ্য অনুযায়ী নতুন পোশাক পরিধান করা ৫. আতর ব্যবহার করা ৬. মহল্লার মসজিদে গিয়ে জামায়াতে ফযরের নামায পড়া ৭. ঈদগাহে হেঁটে

পবিত্র ঈদুল আযহা উনার নামায ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথেই আদায় করা খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত


আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ঈদ উনার নামায সূর্য উদয় হওয়ার পর অর্থাৎ ইশরাক ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পরপরেই পড়তেন, দেরি করতেন না। তবে পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার নামায তুলনামূলক একটু দেরি করে পড়ে

পশু কুরবানী করার সুন্নতী পদ্ধতি ও নিয়ত


  পবিত্র কুরবানী উনার পশুর মাথা দক্ষিণ দিকে এবং পা পশ্চিম দিকে রেখে অর্থাৎ ক্বিবলামুখী করে শোয়ায়ে পূর্ব দিক থেকে চেপে ধরতে হবে, তারপর কুরবানী করতে হবে। আর পবিত্র কুরবানী করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে, সিনার উনার অর্থাৎ গলার নীচে

পবিত্র কুরবানী উনার পশু নিজ হাতে যবেহ করা খাছ সুন্নত মুবারক


পবিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- عن حضرت انس بن مالك رضى الله عنه قال : ضحى رسول الله صلى الله عليه وسلم بكيشين املحين اقرنين ذبحهما بيده سمى وكبر قال ربيته واضعا قدمه على صفاحهما ويقول بسم الله والله

তাকবীরে তাশরীক তিনবারই পাঠ করতে হবে যারা বলে- “একবার পাঠ করতে হবে; তিনবার পাঠ করা যাবে না”- তাদের একথা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ ও দলীলবিহীন।


পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরয নামাযের পর কমপক্ষে ১ বার তাকবীর পাঠ করা ওয়াজিব। আর তিনবার পাঠ করা সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। কেউ কেউ বলে ‘তাকবীর’ একবার পাঠ করতে হবে; তিনবার

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা (পবিত্র হজ্জ ও পবিত্র কুরবানী উনাদের) নির্দিষ্ট কয়েক দিন মহান আল্লাহ পাক উনাকে স্মরণ করো।’ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ৯ তারিখ পবিত্র ফজর থেকে ১৩ তারিখ পবিত্র আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামায উনাদের পর তাকবীর বলবে- ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’ যা এ বছরের জন্য আগামী ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) পবিত্র ফজর থেকে জুমুয়াবার পবিত্র আছর পর্যন্ত। ছহীহ ও গ্রহণযোগ্য ফতওয়া হলো- পুরুষ হোক, মহিলা হোক, মুক্বীম হোক, মুসাফির হোক, একা হোক বা জামায়াতে হোক, শহরে হোক, গ্রামে হোক, প্রত্যেকের জন্য প্রতি ফরয নামায উনার পর একবার তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা ওয়াজিব আর তিনবার পাঠ করা সুন্নত। যারা এর ব্যতিক্রম বলে তাদের কথা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ ও দলীলবিহীন।


যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, তাকবীরে তাশরীক উনার উৎপত্তি