Posts Tagged ‘হাদীছ শরীফ’

পবিত্র মসজিদ নির্মাণ সম্পর্কে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত নির্দেশ মুবারক 


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِبْنُوا الْمَسَاجِدَ. অর্থ: “হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ

আমীরুল মু’মিনীন, কাতিবে ওহী, জামিউল কুরআন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল ফযীলত


সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত সুমামা ইবনে হাযন কুশাইরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, (যখন বিদ্রোহীরা সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার গৃহ অবরোধ করে রেখেছিল, এ সময়) আমি উনার গৃহের কাছে উপস্থিত ছিলাম। যখন সাইয়্যিদুনা

হাদীছ শরীফে অবিশ্বাসীরা কুরআন শরীফেও বিশ্বাসী নয়


যিনি নবীগণের নবী, রসূলগণের রসূল, যাঁকে সৃষ্টি না করলে আল্লাহ্‌ পাক কিছুই সৃষ্টি করতেন না। যাঁর রহমতের উছীলায় আল্লাহ্‌ পাক ব্যতীত সমস্ত কায়িনাত যিন্দা রয়েছে, সেই আল্লাহ্‌ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর শানের খিলাফ কেউ কোন কথা বললে

‘সারা বছর ইবাদত-বন্দেগী না করে শবে বরাত পালন করে লাভ নেই’ এ কথা বলা চরম জিহালতী ও কুফরী


যেখানেই ধর্মব্যবসায়ী মাওলানাদের ওয়াজ ও কথিত প্রগতিবাদীদের মিটিং-সমাবেশ হয়, সেখানেই চলে ইহুদী-খ্রিস্টানদের প্রশংসা ও মুসলমানগণকে ঈমান ও আমল তথা মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইহসান থেকে দূরে রাখার বিভ্রান্তিমূলক যত সব

‘শবে বরাত কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর কোথাও নেই’ এরূপ বক্তব্য চরম জিহালতি ও মূর্খতাসূচক-১


কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর ভাষা যেহেতু আরবী তাই ফারসী ‘শব’ শব্দটি কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ না থাকাটাই স্বাভাবিক। প্রকাশ থাকে যে, পৃথিবীতে যত ভাষা রয়েছে তন্মধ্যে একমাত্র আরবী ভাষাই স্বয়ংসম্পূর্ণ। এছাড়া অন্যান্য প্রতিটি ভাষাই একটি আরেকটির উপর নির্ভরশীল। তবে

পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হলো সমস্ত ইবাদতের জামে বা মূল


কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াসের আলোকে নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাতসহ সমস্ত ইবাদতের ফাযায়িল-ফযীলত ও বুযূর্গী সম্পর্কে অসংখ্য, অগণিত দলীল ও বর্ণনা রয়েছে, যা আমরা শত সহ¯্র কিতাবে দেখতে পাই। তবে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর সম্পর্কে

সিহাহ্ সাত্তাহ এর সংকলকগণ কে কোন মাযহাবের ছিলেন?


সিহাহ্ সাত্তাহ এর সংকলকগণ প্রত্যেকেই কোন না কোন মাযহাবের অনুসরন করেছেন। যেমন: ১) বুখারী শরীফঃ ইমাম বুখারী রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি (শাফিয়ী মাযহাবের অনুসারী) (২) মুসলিম শরীফঃ ইমাম মুসলিম রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি (শাফিয়ী মাযহাবের অনুসারী) (৩) নাসায়ী শরীফঃ ইমাম নাসায়ী রহ্‌মতুল্লাহি আলাইহি (শাফিয়ী মাযহাবের

যারা শুধুমাত্র কুরআন শরীফ মানে কিন্তু হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস মানে না তারা কি?


শরীয়তের ফতওয়া হলো, যারা শুধুমাত্র কুরআন শরীফ মানে (আহলে কুরআন) বলে দাবি করে, তারা কাট্টা কাফিরের অন্তর্ভুক্ত। কাজেই তাদের কথা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়।স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমি তোমাদের কাউকে যেন এরূপ না পাই সে তার