Posts Tagged ‘হারাম’

পবিত্র রজবুল হারাম মাসের আইয়্যামুল্লাহ শরীফ সমূহ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দীর জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! সুমহান মহাপবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার ১, ২,

বিজাতীয় পন্থায় দ্বীন ইসলাম কায়িম করার অলীক স্বপ্ন 


ক্ষমতালোভী ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ‘সূ’রা গণতন্ত্র করে। তাদের যুক্তি হচ্ছে- গণতন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় গিয়ে তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিধিবিধান জারি করবে। তারা হারাম নারী নেতৃত্ব মেনে থাকে। এক্ষেত্রে তারা ধোঁকাপূর্ণভাবে বলে থাকে- পবিত্র দ্বীন ইসলাম কায়িমের জন্য সাময়িক সময়ের জন্য এটা

সুদের ভয়াবহতা সম্পর্কে জানুন, সতর্ক থাকুন 


সুদ একটি হারাম এবং চরম ঘৃণিত কাজ। যা পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারা প্রমাণিত। খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَذَرُوا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا إِنْ كُنْتُمْ

হালাল-হারাম বিষয়ে সীমালঙ্গন করা যাবে না


আমরা মুসলমান। আমাদের দ্বীন হচ্ছেন পবিত্র দ্বীন ইসলাম। পবিত্র দ্বীন ইসলাম এমন একটি দ্বীন বা বিধান উনার মধ্যে রয়েছে জিন ইনসানের সকল বিষয়ের সঠিক সমাধান। জিন-ইনসান কি করবে, কি করবে না, কি খাবে কি খাবে না, কোন্ পোশাক পরবে, কোন্ পোশাক

হারাম খাদ্যের তাছির বা প্রভাব


“যাদের জীবিকা হারাম পন্থায় উপার্জিত নয় তারপরেও নাজায়িয ও হারাম কাজে লিপ্ত হওয়ার কারণ হচ্ছে, স্বীয় কর্তব্য কাজে ফাঁকি দেয়া। অর্থাৎ যারা যে পেশায় নিয়োজিত তারা তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব বা কাজ যথাযথভাবে সম্পাদন না করেও পুরোপুরি পারিশ্রমিক বা বেতন ভোগ

হারাম আর হালাল হবে না , হালাল আর হারাম হবে না


হারাম বিষয় টাকে হারাম জানাই শরীয়তের বিধান । হারামকে হালাল করা বা বলা যাবে না । হালালকে হারাম বলা বা করা যাবে না । কেউ হারাম কাজ করলে গুনাহ হবে সেটাই শরীয়তের ফায়সালা । এটা মানাই ঈমানি দায়িত্ব। এটা মানাই মহান

হারাম আর হালাল হবে না


হারাম বিষয় টাকে হারাম জানাই শরীয়তের বিধান । হারামকে হালাল করা বা বলা যাবে না । হালালকে হারাম বলা বা করা যাবে না । কেউ হারাম কাজ করলে গুনাহ হবে সেটাই শরীয়তের ফায়সালা । এটা মানাই ঈমানি দায়িত্ব। এটা মানাই মহান

গান-বাজনা করা ও শ্রবণ করা কবীরা গুনাহ


সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- গান-বাজনা করা ও শ্রবণ করা কবীরা গুনাহ। গান-বাজনার আসরে বসা ফাসিক্বী এবং গান-বাজনার স্বাদ গ্রহণ করা কুফরী। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার একাধিক পবিত্র আয়াত শরীফ উনাদের দ্বারা এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারা গান-বাজনা করা ও শ্রবণ

হারাম কাজ বর্জন করতঃ পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার প্রচলন


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র সূরা হাশর শরীফ উনার ৭নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার প্রিয়তম হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তোমাদের মাঝে যা নিয়ে

পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে সর্বপ্রকার গান-বাজনা করা ও শোনা হারাম ও কবীরাহ গুনাহ


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “গান-বাজনা অন্তরে নিফাকী পয়দা করে।” পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে একাধিক পবিত্র আয়াত শরীফ রয়েছে এবং অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণিত রয়েছে- যদ্দারা প্রমাণিত হয় যে, সর্বপ্রকার গান-বাজনাই হারাম। কেউ কেউ বলে ইসলামী

হারাম ছবির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো ফরয-ওয়াজিব


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “কোনো মু’মিন পুরুষ-মহিলার জন্য জায়িয হবে না- মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যে ফায়ছালা করেছেন, সেই ফায়ছালার মধ্যে স্বীয়

প্রত্যেক মুসলমান উনার জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে সর্বপ্রকার গান-বাজনা শোনা, গাওয়া থেকে বিরত থাকা


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “গান-বাজনা অন্তরে নিফাকী পয়দা করে”। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে একাধিক পবিত্র আয়াত শরীফ রয়েছে এবং অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণিত রয়েছে- যার দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, সর্বপ্রকার গান-বাজনাই হারাম। কেউ কেউ বলে