Posts Tagged ‘হিন্দু’

মুসলমানদের ক্ষতিসাধন করাই বিধর্মীদের মূল ধর্ম


ফিলিস্তিনে মুসলমানদের নৃশংস্য ভাবে হত্যা করছে কারা? উত্তরঃ ইহুদীরা ভারতের আসাম-গুজরাটের দাঙ্গায় মুসলমানদের নির্মমভাবে শহীদ করছে কারা? উত্তরঃ হিন্দুরা চীনের উইঘুরে মুসলমানদের নির্যাতন করছে কারা? উত্তরঃ কমিউনিষ্টরা মায়েনমারে হাজার হাজার মুসলমানদেরকে হত্যা করছে কারা? উত্তরঃ বৌদ্ধরা আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া ইত্যাদি দেশে

হিন্দুরা ‘শক্তের ভক্ত নরমের যম’: প্রলয় কুমাররা ক্ষমতায় থাকলে সিজদা দেবে, কিন্তু পতন হলে মানুষ বলেও জ্ঞান করবে না


বাংলায় স্বাধীন সুলতানী আমলে (১৩৩৮-১৫৩৮ ঈসায়ী) গিয়াসউদ্দীন আযমশাহ রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার রাজত্বকালে ‘গণেশ’ নামে এক বিশ্বাসঘাতকের উত্থান ঘটেছিল। এই ‘গণেশ’ নামক হিন্দুটি প্রথমে মুসলিম শাসকদের অনুগত সেজে রাজকর্মচারী হয়েছিল, এরপর একে একে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে হযরত গিয়াসউদ্দীন আযমশাহ রহমাতুল্লাহি আলাইহি ও উনার

কলকাতাভিত্তিক ইসলামবিদ্বেষী প্রকাশনাশিল্প, পত্রপত্রিকা ও মিডিয়াকে ফরমালিন দিয়ে তাজা রেখেছে কিন্তু এদেশের মুসলমানরাই!


“একবার নীরদ চৌধুরী তথাকথিত বাংলাদেশ লেখার কারণে ‘দেশ’ পত্রিকা এখানে বন্ধ হয়ে যায়। এতে সাপ্তাহিক ‘দেশ’ পাক্ষিকে পরিণত হয়। এখন যদি ‘দেশ’ আমরা বাংলাদেশে ঢুকতে না দেই তবে তা মাসিক হবে।” সাহিত্যিক আহমদ ছফা তার একটি সাক্ষাৎকারে কলকাতা থেকে প্রকাশিত ‘দেশ’

প্রসঙ্গ: পহেলা বৈশাখ; মুসলমানরা হিন্দু-বৌদ্ধদের অনুষ্ঠান পালন করে কিন্তু তারা কি মুসলমানদের অনুষ্ঠানে আসে?


ফসলী সন তথা বাংলা সনের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ মূলত বিজাতীয়-বিধর্মীদের উৎসব। পহেলা বৈশাখের আগের দিন চৈত্র সংক্রান্তি পূজা আর পহেলা বৈশাখ হলো ঘটপূজা, গনেশ পূজার দিন। বৌদ্ধরা এইদিন উল্কি পূজা করে। মজূসীরা (অগ্নি উপাসকরা) এই দিন নওরোজ উৎসব পালন করে।

বাংলাদেশে পয়লা বৈশাখ পালনের নেপথ্যে যারা


১৯৫১ সালে ওয়ারীর ৭ নং হেয়ার স্ট্রিটে তথাকথিত লেখক,শিল্পী, সাংবাদিক,অধ্যাপক, মিলে “লেখক শিল্পী মজলিস” নামে একটি সংগঠন করে রেলওয়ের মাহবুব আলী ইনস্টিটিউটে এদেশে প্রথম পহেলা বৈশাখ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করে।তবে তার আগে এরাই কার্জন হলে নববর্ষ উপলক্ষে গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সেখানে

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ঘোষণা মতে- পহেলা বৈশাখ পালনকারী মুসলমানদের হাশর-নশর হিন্দু, বৌদ্ধ, মজুসীদের সাথে হবে


ফসলী সন তথা বাংলা সনের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ মূলত বিজাতীয়-বিধর্মীদের উৎসব। পহেলা বৈশাখের আগের দিন চৈত্র সংক্রান্তি পূজা আর পহেলা বৈশাখ হলো- ঘটপূজা, গনেশ পূজার দিন। বৌদ্ধরা এই দিনে উল্কি পূজা করে। মজূসীরা (অগ্নি উপাসকরা) এই দিন নওরোজ উৎসব পালন

সরকারের হিন্দুপ্রীতি: কার উপকার কার বিপদ?


সরকারের হিন্দুপ্রীতি বা হিন্দু তোষণের ফলে কে উপকৃত হচ্ছে, আর কে বিপদগ্রস্ত হচ্ছে তা কিঞ্চিৎ হলেও বিশ্লেষণ করা জরুরী। চরম সাম্প্রদায়িক ভারতের প্রতি আমাদের সরকারের নতজানুতার কারণে জাতি বঞ্চিত হচ্ছে নিজ উৎপাদিত খাদ্যশস্য থেকে শুরু করে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, সংস্কৃতি,

কুখ্যাত ইসলামবিদ্বেষী পীযুষের স্ত্রীর কুকুরের গায়ে বাংলাদেশী পতাকা কেন? হিন্দুরা এখনও মন থেকে এদেশী হয়নি। তারা তাদেরকে ভারতীয় মনে করে


একটি পতাকা মানে একটি দেশ। লাল সবুজ মানেই বাংলাদেশ। এই একটি পতাকার জন্য টানা ৯ মাস যুদ্ধ করতে হয়েছিল, রক্ত দিতে হয়েছিল, অগণিত মা-বোনদের ইজ্জত বিসর্জন দিতে হয়েছিল। তারপর অর্জিত হয়েছে স্বাধীনতা। এই পতাকার মর্যাদা ধরে রাখার জন্য ১৯৭২ সালে সংবিধানের

হিন্দু তোষণকারী শাসকগোষ্ঠী ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করবে কি?


যে জাতি তার ইতিহাস জানে না, সে জাতি উন্নত হতে পারে না। হিন্দুদের প্রশ্রয় দেয়ায় বাংলার ইতিহাসে মুসলমানদের এর আগেও ভরাডুবি হয়েছিলো, এখনো হচ্ছে। এদেশের মুসলমান শাসকশ্রেণী সেই ইতিহাস ভুলে গেছে। অতীতে এদেশের মুসলমানদের খেয়ে পরে মোটা চর্বিযুক্ত দেহের অধিকারী হয়েছিল

স্বাধীন রাষ্ট্র থাকার পরও বাঙালি মুসলমান আজও কেন বারোবণিতা ভিত্তিক কলকাতার হিন্দু সংস্কৃতির মুখাপেক্ষী হয়ে রয়েছে?


হিন্দু সম্প্রদায় নিয়ে একটি মোহ কাজ করে প্রচলিত শিক্ষায় শিক্ষিত মুসলমানদের মধ্যে, হিন্দু সাহিত্যিকদের লেখালেখি পাঠ করার কারণে তারা হিন্দু সংস্কৃতির প্রতি আসক্তি বোধ করে। কলকাতার সংস্কৃতি ধারণের আগে স্বাভাবিকভাবেই তাদের উচিত ছিল সেসব সংস্কৃতির উৎসমূল সম্পর্কে তাহক্বীক করা। কিন্তু হুজুগে

সংখ্যালঘু নিপীড়ন নাকি নাটক?


সংখ্যালঘু নিপীড়নে বাংলাদেশ নাকি অন্যতম। এদেশে নাকি সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত নিপীড়িত। কিন্তু বাস্তবতা অন্য রকম। আসলে সংখ্যালঘু নিপীড়ন বলতে কিন্তু নাটককে বুঝায়। রামুর ঘটনা এ ক্ষেত্রে সর্বনিকৃষ্ট উদাহরণ। রামুতে বৌদ্ধ ধর্মীয় দালান-কোঠাগুলো প্রায় ভগ্নদশা। তাই নতুন করে নির্মাণ করা প্রয়োজন। এই পাহাড়ি

৯৭% মুসলমানগণ আজ ৩% হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানদের হাতে জিম্মি!!! ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করতে চাইলে মুসলমানগণ উনাদের এগিয়ে আসা উচিত।


মুসলমানগণ উনাদের শত্রু কাফির-মুশরিকরা। মুসলমানগণ উনারা একটু বিপদে পড়লে তারা খুশি হয়। আর ভালো অবস্থায় থাকলে কাফিরদের কষ্ট হয়। নিজেরাই তাদের মন্দির, প্যাগোডা, গির্জায়, উপাসনালয়ে আগুন দিয়ে ক্ষয়ক্ষতি করে ভিডিও করে, মিডিয়ায় ছড়িয়ে আর প্রচার করে মুসলমানগণ উনারা এ কাজ করেছে।