Posts Tagged ‘হিন্দু’

অমুসলিম মাত্রই ইসলামবিদ্বেষী ও মুসলমানদের শত্রু


মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী অতঃপর মুশরিকদেরকে।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২) মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন, “আহলে কিতাব তথা ইহুদী-নাছারাদের

প্রশাসন, পুলিশ ও গোয়েন্দাবাহিনীতে হিন্দুদের মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি দেশের স্বাধীনতার জন্য হুমকিস্বরূপ


বর্তমান সরকারের আমলে সরকারি চাকরিতে ব্যাপকহারে হিন্দুকরণ করা হয়েছে। বিশেষ করে প্রশাসন, পুলিশ, গোয়েন্দাবাহিনীর মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে গণহারে নিয়োগ দেয়া হয়েছে হিন্দুদের যা দেশের স্বাধীনতার জন্য হুমকিস্বরূপ। উল্লেখ্য, পার্শ্ববর্তী ভারতে জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ মুসলমান হলেও দেশটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে মুসলমানদের খুব একটা

প্রশাসন, পুলিশ ও গোয়েন্দাবাহিনীতে হিন্দুদের মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি দেশের স্বাধীনতার জন্য হুমকিস্বরূপ


বর্তমান সরকারের আমলে সরকারি চাকরিতে ব্যাপকহারে হিন্দুকরণ করা হয়েছে। বিশেষ করে প্রশাসন, পুলিশ, গোয়েন্দাবাহিনীর মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে গণহারে নিয়োগ দেয়া হয়েছে হিন্দুদের যা দেশের স্বাধীনতার জন্য হুমকিস্বরূপ। উল্লেখ্য, পার্শ্ববর্তী ভারতে জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ মুসলমান হলেও দেশটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে মুসলমানদের খুব একটা

ছুঁচ হয়ে ঢুকে শেষে ফাল যারা হয়, হিন্দু তারা চিরকাল বন্ধু হয়ে রয়!


ব্রিটিশ আমলে বাংলার যে বনেদী মুসলমান সমাজ বিদ্যমান ছিল, তা হিন্দু নায়েব ও কর্মচারীদের যোগসাজশে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছিল। জমিদার বংশের সন্তান হবার সুবাদে সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেন খুব কাছ থেকে এই দৃশ্য অবলোকন করেছে। ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত তার লেখা ‘বর্তমান মুসলমান সমাজের

জাতীয় প্রেসক্লাব বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন


জামাত জোটের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে দেশকে রক্ষার লক্ষ্যে হরতাল বিরোধী আইন প্রণয়ন করা,  সব যুদ্ধাপরাধীদের দ্রুত বিচার করে অবিলম্বে ফাঁসি কার্যকর করা, শুধু নিবন্ধন বাতিল নয় অবিলম্বে জামাত শিবিরসহ সকল ধর্মব্যবসায়ী দল নিষিদ্ধ ঘোষণা করা, মুসলমানের ধর্মীয় অধিকার ক্ষুন্নকারী বোরকা ও

ভারতবর্ষের আত্মঘাতী মুসলমান ও তাদের দুধকলা দিয়ে হিন্দু কালসাপ পোষার আত্মঘাতী ধারাবাহিকতা


“বাঙালি (হিন্দু) পুরুষ ইংরেজ রাজত্বের আগে একমাত্র মুসলমান নবাবের কর্মচারী হইলে মুসলমানী পোশাক পরিত, উহা অন্দরে লইয়া যাওয়া হইত না। বাহিরে বৈঠকখানার পাশে একটা ঘর থাকিত, সেখানে চোগা-চাপকান-ইজার ছাড়িয়া পুরুষেরা ধুতি পরিয়া ভিতরের বাড়িতে প্রবেশ করিত। তাহার প্রবেশদ্বারে গঙ্গাজল ও তুলসীপাতা

থালায় খাদ্য খেয়ে সেই থালায় ইস্তেঞ্জা করা হিন্দুদের জাতিগত স্বভাব; সরকারের দুধ-কলা খেয়ে সেই সরকারকেই দোষারোপ করছে হিন্দুরা


সাম্প্রতিককালে হিন্দুদের ঘরবাড়িতে কথিত হামলার নামে যে নাটকীয়তা প্রকাশ পাচ্ছে তার জন্য সাম্প্রদায়িক হিন্দুরা সরকারকেও দায়ী করতে ছাড়ছে না। ভাবতেও অবাক লাগে, যে সরকারের ছায়ায় থেকে তারা বাংলাদেশের মতো ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশে থেকে এতোটা বুক ফুলিয়ে চলছে, দাপটের সাথে একের

বর্তমানে হিন্দুদের ব্যাপারে ‘টু’ শব্দটা করলে খোদ পুলিশেরও তেরোটা বাজিয়ে ছাড়ে এদেশের পুলিশ বিভাগ!


বাংলাদেশে পুলিশ বিভাগের ইতিহাসে বেশকিছু ঘটনা ঘটেছে, যেখানে পুলিশ হত্যা কিংবা সম্ভ্রমহানিতে জড়িত থাকার পরও তার বিচার হয়নি। কারণ পুলিশের অপরাধের তদন্ত যে করে সেও তো আরেকজন পুলিশ! ‘কাকে কাকের গোশত খায় না’ এই প্রবাদের সার্থক উদাহরণ এটি। তবে এ ধরনের

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দোহাই দিয়ে ইহুদীরা এবং মুক্তিযুদ্ধের দোহাই দিয়ে হিন্দুরা তাদের দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধী কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দিতে চায়


আমাদের দেশে কতিপয় হিন্দু আর হিন্দুদের দোসর কথিত বুদ্ধিজীবীদের কাজ হলো, স্বাধীনতার চেতনার দোহাই দিয়ে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর আঘাত হানা। বর্তমানে এদেশে সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম উঠিয়ে দেয়া থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি ইসলামবিরোধী বিরোধী কর্মকা-ের পক্ষে সাফাই গাইতে ব্যবহার

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কথিত সরস্বতী পূজা উদযাপন করতে হিন্দুদের আস্ফালন: মাত্র ২ শতাংশ হিন্দুর জন্য ৯৭ ভাগ মুসলমান উনাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে আমাদেরকে এভাবে দোয়া করতে বলেছেন, “হে আমাদের রব! আমাদের জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন।” নিশ্চয়ই সমস্ত জ্ঞানের মালিক হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং এটাই সমস্ত মুসলমান উনাদের আক্বীদা। কিন্তু সম্প্রতি একটি সাম্প্রদায়িক

‘হাম-রুবেলা’ নামক টিকাদান কর্মসূচি: ইহুদী টাকায় ভারতীয় মুশরিকদের বানানো বিষ প্রবেশ করানো হচ্ছে বাংলাদেশের শিশুদের শরীরে


বাংলাদেশে ‘হাম-রুবেলা’ নামক টিকাদান কর্মসূচি চলছে। এ কর্মসূচির আওতায় ২৫ জানুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টিকা দেয়া হবে ৫ কোটি ২০ লক্ষ শিশুকে। ইউনিসেফ বাংলাদেশের কমিউনিকেশন অফিসার ইফতেকার আহমেদ চৌধুরী জানান, “এ টিকা কর্মসূচির জন্য টাকা দিয়েছে ‘এধার অষষরধহপব’ নামক একটি

পাঠকগণ দেখুন তো বাংলাদেশে কি এভাবেই ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’ হয়ে থাকে! (১)


বর্তমানে বাংলাদেশের একদল চিহ্নিত বুদ্ধিজীবী ও দালাল মিডিয়ার ট্রাম্পকার্ড হলো ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন। যদিও আওয়ামী মদদে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে হিন্দুদের প্রাধান্য, তারপরও বাংলাদেশে নাকি হচ্ছে ব্যাপক সংখ্যালঘু নির্যাতন! পাঠকগণ আসুন দেখি, এসব হিন্দুর পেয়ারের ভারতে যেভাবে মুসলমান নির্যাতন (সংখ্যালঘু নয়?) হয়ে থাকে