নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশকারী, কটাক্ষকারী, অবমাননাকারীদেরকে শরঈ শাস্তি মৃত্যুদন্ড প্রদান


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে, উনার সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের সম্পর্কে, উনার সম্মানিতা আওয়াজে মুত্বহহারাত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে এবং উনার সম্মানিত আওলাদ 

চেহারা-ছুরতেও মুসলমানিত্বের চিহ্ন থাকতে হবে তথা শরীয়ত মুতাবিক হতে হবে


মুসলমান পালন করবে ইসলাম। মুসলমান নিজে বা কারো প্রভাবে ইসলামের বিপরীত কাজ-কর্ম করতে পারবে না। মুসলমান হিসেবে নিজেকে দাবি করলে সে ব্যক্তি কখনোই বিধর্মীদের কোনো নিয়ম-নীতি চর্চা করার অধিকার রাখে না। মুসলমান পরস্পরে কাটা-কাটি মারামারি দন্ধ কলহে জড়িত হবে না। মুসলমানের 

হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত পরিচিতি মুবারক!


হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত পরিচিতি মুবারক! اُمَّهَاتٌ (উম্মাহাত) শব্দ মুবারকখানা اُمٌّ (উম্মুন) শব্দ মুবারক উনার বহুবচন। অর্থ মাতাগণ। আর اَلْمُؤْمِنِيْنَ (আল মু’মিনীন) শব্দ মুবারকখানা اَلْمُؤْمِنُ (আল মু’মিন) শব্দ মুবারক উনার বহুবচন। অর্থ মু’মিনগণ। আর اَلْمُؤْمِنِيْنَ (আল মু’মিনীন) শব্দ 

ঘটনা থেকে শিক্ষা: ‘উত্তম ধারণা হচ্ছে উত্তম ইবাদত’


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘কোনো মুসলমান ভাইকে তুচ্ছ জ্ঞান করা মহাপাপ।’ (কিমিয়ায়ে সা’য়াদাত) তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, ‘উত্তম ধারনা হচ্ছে উত্তম ইবাদত।’ সুবহানাল্লাহ! একজন দরবেশ লোক বহু ইবাদত করেছে বলে নিজেকে 

মুসলমানদের ঈমান ও আমল রক্ষার্থে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার স্বপক্ষে শতভাগ শিক্ষা ব্যবস্থা ও সিলেবাস প্রণয়ন করা সরকারের জন্য


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, প্রত্যেক পুরুষ-মহিলার জন্য ইলম হাছিল করা ফরয।’ সুবহানাল্লাহ! মুসলমানদের ঈমান ও আমল রক্ষার্থে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার স্বপক্ষে শতভাগ শিক্ষা ব্যবস্থা ও সিলেবাস প্রণয়ন করা সরকারের জন্য ফরয-ওয়াজিবের 

কাশ্মীর মুসলমানদেরই দেশ।


ভারত, পাকিস্তান, এমনকি বাংলাদেশেরও অনেকে এখন ভারতের সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদের বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠেছেন। ভারতের সংবিধান যারা কোনো দিন হাতে নিয়ে দেখেনি, তারা পর্যন্ত এখন এই আর্টিক্যাল ৩৭০ সম্পর্কে কিছু না কিছু জানে। এই অনুচ্ছেদটি সম্পর্কে মানুষ আসলে ঠিক তখনই আগ্রহী 

মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে- কাফির-মুশরিকদের সর্বপ্রকার ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সজাগ ও সতর্ক থাকা এবং সম্মানিত শরয়ী পর্দা যথাযথভাবে পালন করা।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘দাইয়্যূছ কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’ নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে ‘যে ব্যক্তি পর্দা করেনা ও অধীনস্থদের পর্দায় রাখেনা, সে ব্যক্তিই দাইয়্যূছ।’ নাউযুবিল্লাহ! 

পুরুষ-মহিলা প্রত্যেককেই একজন কামিল শায়খ বা মুর্শিদ ক্বিবলা গ্রহণ করতে হবে; যা ফরযের অন্তর্ভুক্ত।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি গোমরাহীর মধ্যে দৃঢ় থাকে, সে তার জন্য কোনো ওলীয়ে মুর্শিদ (কামিল শায়েখ) পাবে না।” অর্থাৎ যারা কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হয় না, তারা পথভ্রষ্ট। নাউযুবিল্লাহ! তাই সম্মানিত ইসলামী 

প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলকেই সম্মানিত দ্বীন ইসলামে বর্ণিত খাছ সুন্নতী পোশাকই পরিধান করতে হবে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমি তোমাদের জন্য লিবাস বা পোশাক নাযিল করেছি।” সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা ইহুদী-নাছারা তথা কাফির-মুশরিকদের লিবাস বা পোশাক থেকে বেঁচে থাকো।’ একজন 

মহান বেমেছাল বরকতময় ২৯শে জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আফদ্বালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! নিশ্চয়ই আপনারা অন্য কোনো মহিলাদের মতো নন।” সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বেমেছাল বরকতময় ২৯শে জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আফদ্বালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা 

আজ বরকতময় সুমহান ২৮শে জুমাদাল উলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, খলীফাতু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- ‘আমি মহান আল্লাহ পাক উনাকে ব্যতীত যদি অন্য কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম তাহলে হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকেই বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম।’ সুবহানাল্লাহ! আজ বরকতময় সুমহান ২৮শে জুমাদাল 

নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের পরিপূর্ণ মিছদাক হচ্ছেন উনার মহাসম্মানিত


নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমরা মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম। আমাদের সাথে কাউকে তুলনা করা যাবে না। সুবহানাল্লাহ! খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার পরেই মুবারক মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের 

সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার নির্দেশ মুবারক হলো- কিছু লোক ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাউফে পূর্ণ দক্ষতা অর্জন করে ফক্বীহ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মুসলমানদের প্রত্যেক ক্বওম বা সম্প্রদায় থেকে কেন একটি দল বের হয় না এজন্য যে, তারা সম্মানিত দ্বীনী ইলমে ফক্বীহ হবে এবং স্বীয় ক্বওমের নিকট প্রত্যাবর্তন করে তাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল,