নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশকারী, কটাক্ষকারী, অবমাননাকারীদেরকে শরঈ শাস্তি মৃত্যুদন্ড প্রদান


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে, উনার সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের সম্পর্কে, উনার সম্মানিতা আওয়াজে মুত্বহহারাত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে এবং উনার সম্মানিত আওলাদ 

আজ ঐতিহাসিক ১৪ ই জিলহজ্জ শরীফ, চাঁদ দিখন্ডিত দিবস! সুবহানাল্লাহ! সুবহানা রাসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। 💕


” আজ ঐতিহাসিক ১৪ ই জিলহজ্জ শরীফ, চাঁদ দিখন্ডিত দিবস ” হেদায়াত এমন একটি পবিত্র নিয়ামত যা, না চাইলে কাউকে দেয়া হয় না! হেদায়াত এমন একটি পবিত্র নিয়ামত যা, না চাইলে কাউকে দেয়া হয় না। যারা সৎ পথের সন্ধানের চেষ্টা করবে, 

আজ সুমহান ও বরকতময় মহাপবিত্র ৬ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুত তাসি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সেই উম্মতের জন্য আমার শাফায়াত মুবারক ওয়াজিব, যে উম্মত আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করেন।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান ও বরকতময় মহাপবিত্র ৬ই যিলহজ্জ 

সুমহান মহাপবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার মহাসম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভূক্ত। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দী উনাদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! সুমহান মহাপবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ২, ৬, 

আজ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার প্রথম দশ রাত্রির কসম।’ আজ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে। যদি চাঁদ দেখা যায়, তবে আজ বাদ মাগরিব থেকেই পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস শুরু হয়ে 

পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার প্রথম ১০ দিনের ইবাদত অশেষ ফযীলত লাভের মহান উপলক্ষ্য


আরবী পবিত্র যিলক্বদ শরীফ মাস উনার পরই শুরু হবে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস। আর এ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসটি অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ একটি মাস। এ মাসের প্রথম দশদিন হলো বান্দা-বান্দির জন্য অশেষ নিয়ামত তথা অজস্র রহমত, বরকত, সাকিনা লাভের মহান এক উপলক্ষ্য। 

সংখ্যালঘু হিন্দুদের কথিত ‘দেশত্যাগ’ নিয়ে বিভ্রান্তি


বাংলাদেশ থেকে হিন্দুরা নাকি দেশত্যাগ করে ভারতে চলে যাচ্ছে? আসলে মূল ব্যপারটির গভীরে কি রহস্য লুকায়িত, সেটা নিয়ে ভেবেছেন কি কখনো? তাহলে আসল ব্যাপারটি কি হতে পারে দেখা যাক- ১) পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ১৯৬১ সালে ইন্ডিয়ায় হিন্দু জনসংখ্যা ছিল মোট জনসংখ্যার 

নতুন নতুন ছাত্রাবাস, আশ্রম, হোস্টেল তৈরি করে সংখ্যালঘুদের সংগঠিত করার উদ্দেশ্য কি?


ভারতের উদ্যোগে বাংলাদেশে বেশ কিছু হিন্দুত্ববাদী প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। সেই প্রকল্পগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ১) ঢাকার রমনা কালি মন্দিরের ভেতরে ৫ তলা গেস্ট হাউস। ২) সাভারের ইস্কন মন্দিরের ভেতরে বহুতল আশ্রম ভবন নির্মাণ। ৩) ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনের ভেতরে হোস্টেল নির্মাণ। ৪) 

মহিমান্বিত দশ দিন ও দশ রাত্রি


পবিত্র যিলহজ্জ্ব শরীফ মাস আগমনে করণীয়: পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حَضْرَتْ أُمِّ سَلَمَةَ عَلَيْهَا السَّلَامْ قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ مَنْ رَاٰي هِلَالَ ذِي الْحِجَّةِ وَ اَرَادَ اَنْ يُضَحِّيَ فَلَا يَاْخُذْ مِنْ شَعْرِه وَلَا مِنْ اَظْفَارِه. অর্থ: 

সবাই টিভি দেখা বন্ধ করে দিলেইতো এই হারামীপনা বন্ধ হয়ে যায়


মুসলমানগণ আজ নিজেদের অনেক দুর্বল ও অসহায় মনে করে। হীনম্মন্যতায় ভোগে। কিন্তু আসলে ব্যাপারটি কখনোই এরকম হওয়ার কথা ছিলো না। মুসলমান আজ কোন অন্যায়, অত্যাচারের বিরুদ্ধে বলতে কার্পণ্য করে, হারাম-নাজায়িজ কাজের প্রতিবাদ করতে চায় না। কিন্তু মুসলমানরা যদি প্রতিবাদ স্বরূপ নিজেরাই 

বাজার-ঘাট সবকিছু চলছে, একমাত্র দ্বীন ইসলাম পালনেই নানা শর্ত আর বাধা কেন? গত বছরও কুরবানী নিয়ে নানা রকম ষড়যন্ত্র


গত বছর পবিত্র কুরবানী নিয়ে ইসলামবিরোধী গোষ্ঠী যে সকল চক্রান্ত করেছিলো, তার একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণী এখানে আলোচনা করা হলো। কুরবানীর হাট বন্ধ করা: পবিত্র কুরবানীর হাট নিয়ে নয়Ñছয় কথা বলার শেষে গত বছর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে- রাজধানীর ভেতর বসছে না পশুর 

‘ইজারা’ ও ‘হাসিল’ নামক চাঁদাবাজি থেকে কুরবানীর হাটকে রক্ষা করতে হবে; পূজা-পার্বণে সরকার কোটি কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে পারে,


একটা কুরবানীর পশুর হাট ব্যবস্থাপনায় কত টাকা লাগে? বড়জোর লাখখানেক টাকা। সামান্য এই টাকা কি সরকার ভর্তুকি দিতে পারে না? অথচ এই কুরবানীর হাটকে সরকার এখন ব্যবসা আর চাঁদাবাজির কেন্দ্র বানিয়ে ফেলেছে। প্রথমত এই কুরবানীর পশুর হাটকে ইজারা দিয়ে সরকার কোটি 

মহান আল্লাহ পাক উনার উপর পূর্ণ আস্থা এবং বিশ্বাস রাখা ফরয; তাই সরকারকে সংবিধানে বিষয়টি অবশ্যই পুনঃস্থাপন করতে হবে


বর্তমান নির্বাচনের পূর্বে বাংলাদেশের শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমানদের নিকট ওয়াদা করেছিল- তারা ক্ষমতায় আসলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে এবং পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী কোনো আইন পাস হবে না। এই বিষয়টির সহজ সরল ব্যাখ্যা হচ্ছে- পবিত্র কুরআন শরীফ,