আগামী ২১শে শাওওয়াল (৭ জুলাই) খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহ দিবস।


হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম এর আকদ ও নিকাহ শরীফ সম্পন্ন হয় স্বয়ং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশে।
 
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নবুওয়ত-রিসালত প্রকাশের দশম বছর শাওওয়াল মাসের ২১ তারিখ উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালামকে ৬ বৎসর বয়স এ সাথে আক্বদ সম্পন্ন করেন এবং প্রথম হিজরীর শাওওয়াল মাসের ২১ তারিখ ৯ বৎসর বয়স এ উনাকে হুজরা শরীফ-এ তুলে নেন। উনার নিকাহ শরিফে ৫০০ দিরহাম দেনমোহর ধার্য করা হয়। সুবহানাল্লাহ!
 
মহান আল্লাহ পাক তিনি উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম এর মাধ্যমেই বাল্যবিবাহকে সুন্নত হিসেবে সাব্যস্ত করেন। কারণ উনার আক্বদ সম্পন্ন হয়েছে ৬ বৎসর বয়স এ।
 
আবার হুজরা শরীফ-এ অবস্থান শুরু করেন ৯ বৎসর বয়সে। মূলত, ২১শে শাওওয়াল হচ্ছে সুমহান খাছ সুন্নতী ‘বাল্যবিবাহ দিবস’। সুবহানাল্লাহ!
 
তাই শরীয়ত এর ফতওয়া মুতাবিক বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলা, বাল্যবিবাহকে কটাক্ষ করা এবং বাল্যবিবাহ রোধে আইন করা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত এবং জাহান্নামী হওয়ারও কারণ। নাউযুবিল্লাহ!
 
মূলত হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর শান-মানের বিরোধিতা করেই ব্রিটিশরা ১৯২৯ ঈসায়ী সালে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রবর্তন করেছিল। নাউযুবিল্লাহ!
 
তাতে ইসলামবিদ্বেষী যালিম ব্রিটিশ বেনিয়াদের প্রণীত আইনে শাস্তির মেয়াদ ১ মাসের কারাদ- এবং ১ হাজার টাকা জরিমানার বিধান ছিলো। আর বর্তমান বাংলাদেশ সরকার আরো জঘন্যভাবে দ্বীন ইসলাম এর বিরোধী কথিত ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন’ তৈরি করেছে। নাউযুবিল্লাহ!
 
যা মূলত মহান আল্লাহ পাক এবং হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরই বিরোধিতা করা ও উনাদেরই বিরুদ্ধে বলা; যা করা কুফরী। নাউযুবিল্লাহ!
 
সারাবিশ্বে কাফির-মুশরিকদের ছেলে-মেয়েরা বাল্য অবস্থায় সন্তান জন্ম দিচ্ছে। সেখানে তাদের জন্য কোন আইন নেই।তখন তাদের মেয়েরা অপুষ্টিতে ভোগেনা, সন্তান ধারণ করায় মৃত্যুর ঝুকি থাকে না, রোগ ব্যাধি হয় না ইত্যাদি।
অথচ যখন কোন মুসলমান ছেলে-মেয়ে কুরআন শরীফ ও সুন্নহ শরীফ এর আলোকে বাল্যবিবাহ করছে তখনই সবসমস্যা হচ্ছে। নাঊযুবিল্লাহ
 
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, কোনো মুমিন নর-নারীর জন্য জায়িয হবে না মহান আল্লাহ পাক এবং হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে ফায়সালা করেছেন, সেই ফায়সালার মধ্যে স্বীয় মত পেশ করা। (যে ব্যক্তি স্বীয় মত পেশ করলো, সে নাফরমানী করল)। আর যে মহান আল্লাহ পাক ও হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নাফরমানী করে, সে প্রকাশ্য গুমরাহীতে গুমরাহ হয়ে যাবে। (সুরা আহযাব, আয়াত শরীফ : ৩৬)
 
অতএব, বাংলাদেশ সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- অতিসত্বর বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রত্যাহার করা এবং বাল্যবিবাহকে খাছ সুন্নত হিসেবে মেনে নেয়া।
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে