আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফ। যা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশ্ব বাল্যবিবাহ দিবস হিসেবে মশহূর। সুবহানাল্লাহ!


আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফ। যা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশ্ব বাল্যবিবাহ দিবস হিসেবে মশহূর। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দিবসে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসা, উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার ৬ বৎসর বয়স মুবারকে আক্বদ মুবারক ও ৯ বৎসর বয়স মুবারকে পবিত্র নিসবাতুল আযীম মুবারক সম্পন্ন হয়। যা যাওয়াজুল আতফাল বা বাল্যবিবাহ হিসেবে মশহূর। আর এ কারণেই যাওয়াজুল আতফাল বা বাল্যবিবাহ খাছ সুন্নত মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
আজ সেই সুমহান বেমেছাল বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার ফযীলত অন্যান্য মহিলাদের উপর এতো বেশি, যেমন খাদ্যের মধ্যে সারীদের ফযীলত বা শ্রেষ্ঠত্ব।” সুবহানাল্লাহ! অতএব, সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দিবস উপলক্ষে খুশি মুবারক প্রকাশ করার পাশাপাশি উনাদেরকে মুহব্বত মুবারক করা, অনুসরণ-অনুসরণ করা ও বাল্যবিবাহকে সুন্নত হিসেবে মেনে নেয়া ও মুহব্বত মুবারক করা। তাই, বাংলাদেশ সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে, অতিসত্বর বাল্যবিবাহ বিরোধী কুফরী আইন প্রত্যাহার করে নেয়া, বাল্যবিবাহের ফযীলতসহ উনাদের পবিত্র জীবনী মুবারক শিশু শ্রেণী থেকে শুরু সর্বোচ্চ শ্রেণী পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা।
– ক্বওল শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফ। যা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশ্ব বাল্যবিবাহ দিবস হিসেবে মশহূর। সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন- আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার আক্বদ মুবারক ও পবিত্র নিসবাতুল আযীম মুবারক সম্পন্ন হয় স্বয়ং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ মুবারকে। সুবহানাল্লাহ! বিশুদ্ধ মতে- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদাতুনা উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে ৬ বৎসর বয়স মুবারকে আক্বদ মুবারক এবং ৯ বৎসর বয়স মুবারকে পবিত্র নিসবাতুল আযীম মুবারক করেন অর্থাৎ হুজরা শরীফে তুলে নেন। যা ছহীহ বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ ও নাসাঈ শরীফসহ আরো বহু নির্ভরযোগ্য হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে উল্লেখ আছে। সুবহানাল্লাহ! যা যাওয়াজুল আতফাল বা বাল্যবিবাহ হিসেবে মশহূর। আর এ কারণেই যাওয়াজুল আতফাল বা বাল্যবিবাহ খাছ সুন্নত মুবারক। সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, উনার পবিত্র আক্বদ মুবারক ও পবিত্র নিসবাতুল আযীম মুবারকে ৫০০ দিরহাম দেনমোহর ধার্য করা হয়। উনার সেই পবিত্র আক্বদ মুবারক ও পবিত্র নিসবাতুল আযীম মুবারক সম্পন্ন হয়েছিল পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনাদের বরকতময় ২১ তারিখ। তাই এই মুবারক দিনটি কুল-কায়িনাতের জন্য বিশেষ রহমত, বরকত, সাকীনা ও নাজাতের কারণ। পাশাপাশি ঈদ বা খুশি প্রকাশের দিন। এ মুবারক দিন উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে মাহফিলের আয়োজন করে উনাদের বরকতময় সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করে ইবরত নছীহত হাছিল করা সকলের জন্যই ফরয।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে- হযরত আবু মুসা আশয়ারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার ফযীলত অন্যান্য মহিলাদের উপর এত বেশি, যেমন খাদ্যের মধ্যে সারীদের ফযীলত বা শ্রেষ্ঠত্ব।” সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি একদিকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাহাবী উনাদের অন্তর্ভুক্ত। আরেকদিকে তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সর্বোপরি তিনি হচ্ছেন উম্মুল মু’মিনীন উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! এ প্রসঙ্গে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মু’মিনদের নিকট উনাদের জানের চেয়ে প্রিয় অর্থাৎ উনাদের সম্মানিত পিতা। আর উনার পবিত্রা আযওয়াজুম মুত্বাহহারাত আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হলেন উনাদের (মু’মিনগণ উনাদের) সম্মানিতা মাতা।” সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “হে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিসা আলাইহিন্নাস সালাম অর্থাৎ উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! নিশ্চয়ই আপনারা অন্য কোনো মহিলাদের মতো নন।” সুবহানাল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার মাধ্যমেই যাওয়াজুল আতফাল বা বাল্যবিবাহকে সুন্নত হিসেবে সাব্যস্ত করেন। কারণ উনার আক্বদ মুবারক ৬ বৎসর বয়স মুবারকে আর পবিত্র নিসবাতুল আযীম মুবারক ৯ বৎসর বয়স মুবারকে সম্পন্ন হয়েছে। তাই পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া মুতাবিক বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলা, বাল্যবিবাহকে কটাক্ষ করা এবং বাল্যবিবাহ রোধে আইন করা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। নাউযুবিল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহিলারা কিভাবে নিজেদের জীবন অতিবাহিত করবে, তারা কোন্ বিষয়ে কিভাবে ইলম অর্জন করবে, কি আমল করবে, কেমন পর্দা করে চলবে, কি ধরনের পোশাক পরিধান করবে, তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য কি ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়ের আদর্শ রেখে গেছেন উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- এ মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে খুশি মুবারক প্রকাশ করার পাশাপাশি উনাদেরকে মুহব্বত মুবারক করা, অনুসরণ-অনুসরণ করা ও বাল্যবিবাহকে সুন্নত হিসেবে মেনে নেয়া ও মুহব্বত মুবারক করা। একইভাবে বাংলাদেশ সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে, অতিসত্বর বাল্যবিবাহ বিরোধী কুফরী আইন প্রত্যাহার করে নেয়া, বাল্যবিবাহের ফযীলতসহ উনাদের পবিত্র জীবনী মুবারক শিশু শ্রেণী থেকে শুরু সর্বোচ্চ শ্রেণী পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]