আল মুজাদ্দিদুল আ’যম আলাইহিস সালাম তিনিই বিশ্ব মানবের মুক্তির ঠিকানা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সাবধান! নিশ্চয়ই যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী উনাদের কোনো ভয় নেই, চিন্তা নেই, পেরেশানী নেই। উনাদের জন্য ইহকাল ও পরকালে রয়েছে সুসংবাদ।”
মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “দুনিয়া এবং দুনিয়াতে যা কিছু রয়েছে সবকিছুই মালউন বা লা’নতগ্রস্ত। একমাত্র মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির, যিকিরকারী এবং আলিম ও ত্বলিবে ইলম ব্যতীত।”
এখানে যিকিরকারী ও আলিম দ্বারা উদ্দেশ্য মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী এবং ত্বলিব দ্বারা উদ্দেশ্য মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীদের অনুসারী, মুহব্বতকারী।
কেননা উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ রয়েছে, পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিলের পর হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকে বললেন, হে মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী হয়েছেন উনাদের তো কোনো ভয় নেই, তা তো আমরা বুঝতে পারলাম। কিন্তু যারা এখনও মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী হতে পারেনি, তাদের ফায়ছালা কি? জবাবে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে যাকে মুহব্বত করবে, সে তার অন্তর্ভুক্ত।” সুবহানাল্লাহ!
অর্থাৎ যারা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী উনাদেরকে মুহব্বত করবে তারাও ইহকাল ও পরকালে মহান আল্লাহ পাক উনার মুবারক সন্তুষ্টি-রেযামন্দি লাভ করতে পারবে। তাদের কোনো ভয় থাকবে না। তাই বিশ্বের সমস্ত মানব জাতির উচিত হবে মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ ও লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, বর্তমান পঞ্চদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, আল মুজাদ্দিদুল আ’যম সাইয়্যিদুনা ইমাম ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে মুহব্বত করে, উনার মুরীদ হয়ে, উনার মুক্তির নিশান তলে আশ্রয়Ñনিয়ে ইহকাল ও পরকালে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক সন্তুষ্টি হাছিল করা। ইহজীবন ও পরজীবনে চরম কামিয়াবী অর্জন করা। উনার মুবারক ছোহবতে এসে ঈমানী কুওওয়াত অর্জন করে পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানের চিরশত্রু উলামায়ে ‘সূ’ এবং বিধর্মীদের উৎপাত থেকে ধরাকে মুক্ত করা। ধরার বুকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা। কারণ উনার নিশান তলেই বিশ্বমানবের মুক্তির ঠিকানা।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]