ইলমে তাছাউফ অর্জন ব্যতীত কস্মিনকালেও ঈমানদার হওয়া সম্ভব নয়


আমরা জানি, ইলিম দুই প্রকার। ইলমে যাহির ও ইলমে বাতিন অর্থাৎ ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাওউফ। এ দু’প্রকার ইলিম অর্জন করা সকলের জন্য ফরযে আইন। এ প্রসঙ্গে হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন- যে ব্যক্তি ইলমে ফিক্বাহ শিক্ষা করলো অথচ ইলমে তাছাওউফ শিক্ষা করলো না, সে ব্যক্তি ফাসিক। আর যে ব্যক্তি ইলমে তাছাওউফ শিক্ষা করলো অথচ ইলমে ফিক্বাহ শিক্ষা করলো না, সে যিন্দিক (কাফির)। আর যে ব্যক্তি উভয়টাই অর্জন করলো, সে ব্যক্তি মুহাক্কিক। (মিরকাত শরীফ)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন, ইলিম দু’প্রকার। একটি হচ্ছে ক্বলবী ইলিম অর্থাৎ ইলমে তাছাওউফ আর এটাই মূলত উপকারী ইলিম। অপরটি হচ্ছে যবানী ইলিম অর্থাৎ ইলমে ফিক্বাহ, যা মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ হতে বান্দার জন্য দলীল। (দারিমী, মিশকাত, মিরকাত, আশয়াতুল লুময়াত,লুময়াত)
উপরোক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা আমরা বুঝতে পারলাম, ইলমে ফিক্বাহ অর্জনের পাশাপাশি ইলমে তাছাওউফ অর্জন করা ফরযে আইন কেউ যদি ইলমে তাছাওউফ অস্বীকার করে তাহলে সে কস্মিনকালেও মুসলমান হতে পারবে না। আর হাক্বীক্বীভাবে ইলমে তাছাওউফ অর্জন করতে হলে মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার ছোহবত মুবারকে আসা সকলের জন্য ফরয। তাছাড়া হাক্বীক্বী ইলমে তাছাউফ অর্জন করা সম্ভব নয় অর্থাৎ ঈমানদার হওয়া সম্ভব নয়।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]