ইসলামী লেবাস ও আধুনিক বিজ্ঞান


সাদা কাপড় সাধারণত সর্বপ্রকার আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করে থাকে। তীব্র গরম মওসুমে সাদা লেবাস গরম হয়ে যায় না।কেননা তা গরমকে অাকর্ষণ করে না। অপরদিকে তীব্র শীতের মওসুমে ঠান্ডার কারণে তা শীতলও হয়ে যায় না।

হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাদা লেবাস পছন্দ করতেন, মোটা ও সুতি লেবাস পরিধান করতেন।সকল সাহাবায়ে কিরাম ও আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারাও মোটা লেবাসে অভ্যস্ত ছিলেন। বর্তমানকালের আধুনিক বিজ্ঞান দীর্ঘ গবেষণার পর সাদা, সুতি, মোটা লেবাসের মধ্যেই উপকারিতা খুজে পেয়েছে।
ডা. লুথর ছিল জার্মানের প্রসিদ্ধ ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ।সে বলেছে, যখন থেকে মানুষ সুতি পােশাক পরিত্যাগ করেছে, তখন থেকে মানুষ নিম্নোক্ত রােগসমূহে আক্রান্ত হতে বাধ্য হয়েছে ,
১)চর্ম ক্যান্সার
২)চামড়ার গ্রন্থির ক্যান্সার
৩)মহিলাদের বক্ষ ক্যান্সার
৪)টিস্যু ক্যান্সার
৫)হরমোন ক্যান্সার
৬)চর্ম চুলকানী (Allergic Cancer)
৭)একজিমা
রং ও আলাে বিশেষজ্ঞগণ বলেছে, সাদা পােশাক হল ক্যান্সার থেকে প্রতিরক্ষার সর্বোত্তম ঔষধ। এমনকি বিশেষজ্ঞগণের মতে সাদা পােশাক পরিধানকারী ব্যক্তি ঘামের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ছোতাে রােগ এর মতাে মারাত্মক ব্যাধি থেকে মুক্ত পেতে পারে। তারা চর্ম এলার্জি এবং উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদেরকে সর্বদা সাদা পোশাক পরিধাণে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ক্রোমােপ্যাথী নীতি অনুযায়ী সাদা পােশাক মস্তিষ্ক, হৃদপিন্ড ও চর্মের সংরক্ষক।
কারো শরীরে যদি আগুন লেগে যায়, তাহলে শরীরে সুতি পোশাক থাকলে তাতে ক্ষতি কম হয়।যে শরীরে সুতি পােশাক থাকবে, সে শরীর চর্মরােগে আক্রান্ত হবে না। কেননা পলিয়েস্টার বা নায়লন সুতার পোশাক শরীরের ঘর্ষনে গরম হয়ে যায়।

সুন্নতী আমলের মধ্যেই রয়ে গেছে সমস্ত প্রকার খায়ের।
চারদিকে যখন শার্ট-প্যান্ট, কোণা ফাড়া লেবাসের ছড়াছড়ি তখন সুন্নতী লেবাসের উপকারিতা প্রকাশ পাচ্ছে দেশ-বিদেশে । মুসলমান হিসেবে উচিত ছিল, বংশ পরম্পরায় সুন্নতী লেবাসেই অভ্যস্ত হওয়া। অথচ চারপাশের পরিবেশ ভিন্ন, বেশিরভাগ মুসলমান নিজস্ব লেবাস ভুলে, কাফির-মুশরিকদের শার্ট-প্যান্ট-টাইকে লেবাস হিসেবে প্রহণ করেছে, এই শ্রেণীর মুসলমানদের জন্য আফসোস।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]