“উম্মুল মু’মিনীন হযরত আস-সাবিয়া আত্বওয়ালুল ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার খুছূছিয়ত মুবারক।”


সাইয়্যিদাতুন নিসায়িল আলামীন, আফদ্বালুন নিসা, ফক্বীহাতুন নিসা, রাহনুমায়ে দ্বীন, মুতহ্হারাহ্, মুতহ্হিরাহ্, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মহামূল্যবান নছীহত মুবারক থেকে সংগৃহীত
“উম্মুল মু’মিনীন হযরত আস-সাবিয়া আত্বওয়ালুল ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার খুছূছিয়ত মুবারক।”

সাইয়্যিদাতুন নিসা মুতহ্হারাহ্, মুতহ্হিরাহ্, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত শান মুবারকে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا نِسَاءَ النَّبِىِّ لَسْتُنَّ كَاَحَدٍ مِنَ النِّسَاءِ
অর্থ মুবারক: নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিসা আলাইহিন্নাস সালাম অর্থাৎ মহাসম্মানিতা উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম আপনারা অন্য কোন মহিলাদের মত নন। (সূরা আহযাব শরীফ-৩২)
অর্থাৎ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের খুছুছিয়ত মুবারক, শান-মান মুবারক, ফাযায়িল-ফযিলত মুবারক বেমেছাল। উনারা দুনিয়ার কোন মানুষের মত নন। উনাদের বিশেষ খুছুছিয়ত মুবারক হল- উনারা হলেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যাওজাতুম মুকাররমাহ আলাইহিন্নাস সালাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
اَلطِّيِّبَاتُ لِلطَّيِّبِيْنَ وَالطَّيِّبِيْنَ لِلطَّيِّبَاتِ
অর্থ মুবারক: পবিত্র পুরুষ উনাদের জন্য পবিত্রা মহিলা আর পবিত্রা মহিলা উনাদের জন্য পবিত্র পুরুষ। (সূরা নূর শরীফ-২৬)
একজন নেককার পুরুষের জন্য যদি একজন নেককার আহলিয়া হন, তাহলে যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যারা জাওযাতুম মুকাররমাহ আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের কেমন ফযীলত মুবারক রয়েছেন তা চিন্তা-ফিকিরের বিষয়। আমভাবে একজন পুরুষের বাম পাঁজরের হাড় থেকে একজন মহিলাকে সৃষ্টি করা হয়। আর হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকেই সৃষ্টি মুবারক করা হয়েছে। অর্র্থাৎ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্যেই সৃষ্টি মুবারক করা হয়েছে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেমন মুত্বহহার, মুত্বহহির তদ্রুপ উনারাও মুত্বহ্হারাহ, মুত্বহহিরাহ্। হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা যে কতখানি মুত্বহহারাহ, মুত্বহহিরাহ সে সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
اِنَّ النَّبِىَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُوْلُ نَحْنُ اَهْلُ بَيْتٍ طَهَّرَهُمُ اللهُ مِنْ شَجَرَة النَّبُوَّةِ وَمَوْضِعِ الرِّسَالَةِ وَمُخْتَلِفِ الْمَلَائِكَةِ وَبَيْتِ الرَّحْمَةِ وَمَعْدِنِ الْعِلْمِ.
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সবসময় ইরশাদ মুবারক করতেন,আমরা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে (আমাদেরকে) মহাসম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার বৃক্ষ, সম্মানিত রিসালত মুবারক উনার স্থান, বিভিন্ন ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের দ্বারা সম্মানিত খিদমত মুবারক, সম্মানিত রহমত মুবারক উনার ঘর মুবারক এবং সম্মানিত ইলম মুবারক উনার খনি মুবারক থেকে পবিত্র রেখেছেন, ছমাদ তথা বেনিয়াজ করেছেন। (তাফসীরে দুররে মানছুর ৬/৬০৬, তাফসীরে ইবনে আবী হাতিম ৯/৩১৩৩)
হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের স্তর মুবারক ৩টি। তারমধ্যে ২য় স্তরে রয়েছেন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা। আর উনাদের মহাসম্মানিত খুছুছিয়াত মুবারক সম্পর্কেই উক্ত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বলা হয়েছে। আর উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত খুছুছিয়াত মুবারক সম্পর্কে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مُسْلِمَاتٍ مُؤْمِنَاتٍ قَانِتَاتٍ تَائِبَاتٍ عَابِدَاتٍ سَائِحَاتٍ ثَيِّبَاتٍ وَاَبْكَارًا.
অর্থ: হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনার হাক্বীক্বী মুসলিমা, হাক্বীক্বী মু’মিনা, হাক্বীক্বী অনুগতা পরিপূর্ণ/ খালিছভাবে প্রত্যাবর্তনকারিনী, তওবাকারিনী, হাক্বীক্বী ইবাদতকারিনী, হাক্বীক্বী বেনিয়াজ এবং উনাদের মধ্যে কেউ কেউ ছিলেন কুমারী এবং অকুমারী। (সূরা তাহরীম শরীফ-৫)
এই মহাসম্মানিত আয়াত শরীফ উনার ব্যখ্যায় সাইয়্যিদাতুন নিসা, মুত্বহহারাহ, মুত্বহহিরাহ হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহামূল্যবান নছীহত মুবারক থেকে যা বুঝতে পেরেছি, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা এই সমস্ত মহাসম্মানিত মাক্বাম উনাদের মালিক। শুধু তাই নয়, যারা উনাদেরকে অনুসরণ করবে, মুহব্বত করবে উনারা তাদেরকে এই সমস্ত মাক্বামে পৌঁছিয়ে দেন। (সুবহানা উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম)
মূলত, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা ছিলেন মোট ১৩ জন। উনারা প্রত্যেকেই প্রত্যেকের অবস্থান মুবারকে ছিলেন বেমেছাল খুছুছিয়াত মুবারক, শান-মান মুবারক, ফাযায়িল-ফযিলত মুবারকে অনন্যা। যেমন: উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মাঝে যিনি সপ্তম উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়া আত্বওয়ালুল ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত নাম মুবারক ছিলেন হযরত বুররা আলাইহাস সালাম। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মহাসম্মানিত নাম মুবারক রাখেন হযরত যয়নাব আলাইহাস সালাম। উনার মহাসম্মানিত কুনিয়াত মুবারক ছিলেন- উম্মুল হাকাম আলাইহাস সালাম অর্থাৎ অত্যন্ত তীক্ষ্ম জ্ঞান মুবারক উনার অধিকারিনী।
একজন সন্তানের জন্য কখনোই আদব হবে না তার মায়ের নাম ধরে ডাকা। আর উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হলেন মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা ব্যতীত সকলের মা। তাই আমাদের জন্য উনাদের নাম মুবারক বলা কখনোই আদব হবে না। আর বেয়াদব সম্পর্কে বলা হয় “বেয়াদব মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত মুবারক থেকে বঞ্চিত।”
এজন্যই সাইয়্যিদাতুন নিসা, মুতহ্হারাহ্, মুতহ্হিরাহ্, উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি আমাদেরকে শিখিয়ে দিয়েছেন যে, কিভাবে উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে সম্বোধন করতে হবে। যেমনঃ উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আত্বওয়ালুল ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনাকে উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আত্বওয়ালুল ইয়াদান আলাইহাস সালাম বলেই সম্বোধন করতে হবে। আর এটাই হচ্ছে আদব। উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আত্বওয়ালুল ইয়াদান আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট অত্যন্ত প্রিয় ছিলেন। একদিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সকল উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সামনে উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আত্বওয়ালুল ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার খুছুছিয়াত মুবারক বর্ণনা করে বলেন যে, “আমার মহাসম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশের পর আপনাদের মধ্যে যাঁর মহাসম্মানিত নূরুল মাগফিরাত মুবারক (হাত মুবারক) লম্বা তিনি সর্বপ্রথম আমার সাথে মিলিত হবেন। পরবর্তীতে উনারা প্রত্যেকে উনাদের হাত মুবারক মেপে দেখেন যে, উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানীয়া আলাইহাস সালাম উনার হাত মুবারক তুলনা মূলক ভাবে লম্বা। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেল যে, উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি সর্বপ্রথম বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন।
মূলত, দানশীলতাকে এখানে রূপকভাবে লম্বা হাত মুবারক বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আত্বওয়ালুল ইয়াদান আলাইহাস সালাম তিনি দানের ক্ষেত্রে বেমেছাল ছিলেন। যদিও সকল উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সকলের ক্ষেত্রেই এই কথা মুবারক প্রযোজ্য।
হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা আলাইহাস সালাম তিনি নিজ জবান মুবারকে উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আত্বওয়ালুল ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার ছানা-ছিফত মুবারক করে বলেন, “ আমি উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আত্বওয়ালুল ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার চেয়ে অধিক দ্বীনদার, অধিক পরহেযগার, অধিক সত্যভাষিনী, অধিক উদার, অধিক দানশীলা, অধিক সত্যকর্মশীলা এবং মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত সন্তুষ্টি, রেযামন্দি মুবারক হাছিলের লক্ষ্যে অধিক তৎপর কাউকে দেখিনি।”
তিনি আরো বলেন,“ মহান আল্লাহ পাক তিনি উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আত্বওয়ালুল ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার প্রতি অবিরত ধারায় রহমত মুবারক বর্ষণ করেন।”
স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আত্বওয়ালুল ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার নিসবাতুল আযীম শরীফ সংঘটিত হওয়ার সম্মানিত ঘোষণা মুবারক দেন।
মূলত, এক কথায় উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা ব্যতীত সমস্ত কিছু থেকে বেনিয়াজ।
সাইয়্যিদাতুনা মুতহ্হারাহ্, মুতহ্হিরাহ্, হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নছীহত মুবারক থেকে আমরা বুঝতে পেরেছি যে, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আস সাবিয়াহ আত্বওয়ালুল ইয়াদান আলাইহাস সালাম তিনি সমস্ত মহিলাদের জন্য আদর্শ মুবারক। তিনি সেলাই কাজ করে, দাবাগাত করে উপার্জিত অর্থ মুবারক গরীব মিসকীনদের মাঝে দান করে দিতেন। যদিও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সকল উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সমস্ত খরচ মুবারক দিয়ে দিতেন। কিন্তু মহাসম্মানিতা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা তা সাথে সাথে মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় খরচ করে দিতেন। কিছুই জমা করে রাখতেন না। হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আত্বওয়ালুল ইয়াদান আলাইহাস সালাম তিনি কিভাবে পর্দা করতে হবে তা উম্মাহকে শিখিয়ে দিয়েছেন। উনার সম্মানার্থে বা উনার উছিলায় পর্দার হুকুম নাযিল হয়েছে। যার ফলে পুরুষ-মহিলা উভয়েই ফেতনা থেকে নিজেদেরকে হেফাজত করতে পারছে। এটা সমস্ত উম্মাহর জন্য একটা বড় নিয়ামত মুবারক।
সাইয়্যিদাতুনা মুতহ্হারাহ্, মুতহ্হিরাহ্, হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নছীহত মুবারক থেকে আমরা বুঝতে পেরেছি যে, একদিকে যেমন উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা নামায-কালাম , ইবাদত-বন্দেগীতে মশগুল থাকতেন, আবার দেখা যেত উনারা কাজ করে সেই উপার্জিত অর্থ মুবারক মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় খরচ করে দিতেন। আর এখন দেখা যায়, মহিলারা গল্প-গুজব করে, বিলাসিতা করে সময় ব্যয় করে এবং স্বামীদের উপরে নির্ভরশীল থাকে। অথচ তারা ইচ্ছা করলে সময়টা কাজে লাগাতে পারে। ঘরে বসে পর্দার সাথে কাজ করে উপার্জন করে সেই অর্থ মহান আল্লাহ পাক উনার পথে খরচ করে পরকালে বালাখানা তৈরী করতে পারে।
মূলত: উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত মুবারক করে, ইত্তেবা-অনুসরণ করলেই মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে পারবে এবং ঈমান হিফাজত করে আমলে ছলেহ তথা নেক কাজে মশগুল থাকতে পারবে।
পরিশেষে আমরা বলতে পারি, কিভাবে এই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আস সাবিয়াহ আত্বওয়ালুল ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার আদর্শ মুবারক লাভ করতে পারব। তাই বর্তমান যামানার যিনি লক্ষ্যস্থল, হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা মুতহ্হারাহ্, মুতহ্হিরাহ্, হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করত: উনার আদেশ-নিষেধ যথাযথ পালনের মাধ্যমেই এই উম্মাহ ঈমান হিফাজত ও আমলে ছলেহ তথা নেক কাজে মশগুল থাকতে পারবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]