একেবারে ১ম শ্রেণী থেকে শুরু করে প্রতিটি শ্রেণীতেই বিধর্মী-মুশরিকদের একান্ত সংস্কৃতি পহেলা বৈশাখকে সিলেবাসভুক্ত করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!


একেবারে ১ম শ্রেণী থেকে শুরু করে প্রতিটি শ্রেণীতেই বিধর্মী-মুশরিকদের একান্ত সংস্কৃতি পহেলা বৈশাখকে সিলেবাসভুক্ত করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! শুধু কেবল এই একটা বিষয়ই প্রচলিত এই শিক্ষানীতি যে কতটুকু সার্বজনীন- তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। কারণ যারা মোঘল সাম্রাজ্যের ইতিহাস নিয়ে কিঞ্চিত জ্ঞান রাখেন তারাও জানেন কি উদ্দেশ্যে এই পহেলা বৈশাখকে এত রংচং দিয়ে পালন করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর সাথে জড়িত আছে দুটি শ্রেণী। একটি হলো- মুসলিম তাহযীব-তামাদ্দুনের প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারী নাস্তিক বিধর্মী-মহল। আর অন্যরা হলো- সে সকল রাজা, নবাব ও তাদের নায়েবরা; যারা নামধারী মুসলিম হলেও বিধর্মীদের রচিত ও প্রবর্তিত কুফরী শেরেকীতে মশগুল থাকতো সারাক্ষণ। বিধর্মী-মুশরিকরা হলো অপকর্মের ইন্ধনদাতা আর ওইসব কথিত নৃপতিরা ছিলো সে সকল কুকর্মের বাস্তবায়নকারী।
বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তথা ছাত্র-ছাত্রীদের ৯৯ ভাগেরও বেশি হলো মুসলমান। অথচ আশ্চর্যজনক ব্যপার হলো- এত লাখলাখ মুসলিম শিক্ষার্থীদের শিক্ষানীতির প্রণয়নকারীদের একটি বড় অংশই হলো বিধর্মী-মুশরিকরা। আর বাকিরা কথিত মুসলিম হলেও তারা মোঘল নৃপতিদের মতোই বিধর্মী চাটুকারদের প্লান বাস্তবায়নকারী। যার একটি নমুনা হলো- পহেলা বৈশাখের মতো সংখ্যালঘু একটি জাতির অপসংস্কৃতিকে পাঠ্যবইয়ের প্রতিটি শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্তকরণ। নাউযুবিল্লাহ! এবং তাকে সার্বজনীন তথা বাঙালির উৎসব বলে প্রচার করা। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক।
বলা হয়ে থাকে- যতবড় পাতিলেই ভাত রান্না করা হোক না কেন, দু’-একটি ভাত টিপলেই বুঝা যায়- ভাতের অবস্থা কেমন। তেমনিভাবে আমাদের প্রচলিত শিক্ষানীতি মোতাবেক প্রণীত পাঠ্যবইগুলোকে একটু সজাগ দৃষ্টিতে দেখলে অবশ্যই আপনার চোখে ধরা পড়বে এই শিক্ষানীতির প্রকৃত উদ্দেশ্য যে কখনোই দেশের লাখোকোটি মুসলিমদের অনুকূলে নয়। বরং এই শিক্ষাব্যবস্থা মুসলমান ছেলে-মেয়েদের মাঝে নাস্তিক্যবাদ ও মুশরিকদের অপসংস্কৃতির বিস্তারকারী।
এরই মধ্যে সরকার আবার এই বিভ্রান্তিকর ও মুসলমানদের ঈমান আমল ও চেতনাবিরোধী শিক্ষানীতিকে শিক্ষা আইনে প্রণয়ন করতে যাচ্ছে। তাহলে তো বলতে হয়- এদেশের মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত খারাপ একটি পরিণতি অপেক্ষা করছে। সময় থাকতেই প্রতিবাদী হতে হবে। শিক্ষানীতিতে একটি আমূল পরিবর্তন আনতে মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত দৃঢ় ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]