‘এক পরিবার এক সন্তান’ এক ষড়যন্ত্রের ফাঁদ


সন্তান মহান আল্লাহ পাক উনার একটি বিশেষ নিয়ামত মুবারক। যাদের সন্তান নেই শুধু তারাই এই সত্যটি গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারে। জনসংখ্যা কোনো দেশের জন্যই সমস্যা নয়। রিযিকের মালিক স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি। উনার কোনো অভাব নেই। শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পূর্বেই তার রিযিক পৃথিবীতে এসে থাকে। সুতরাং মুসলমান কেন জন্মনিয়ন্ত্রণ করবে। এটা তো মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে কুফরী করার নামান্তর। এই মহামন্দার কবল থেকে বাংলাদেশ কীভাবে রক্ষা পেল তা কি আমরা ভেবে দেখেছি? বিদেশ থেকে আসা প্রবাসী বাঙালিদের রেমিটেন্স দ্বারা আমাদের অর্থনীতি চাঙ্গা আছে। আমাদের দেশের মানুষ এ দেশের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। আমরা এই জনগোষ্ঠীকে দক্ষ করে বিদেশে পাঠাতে পারলে এরা মধ্যপ্রাচ্যের তেল-সম্পদের চেয়েও ফলপ্রসূ হবে। এই সহজ অঙ্কটা না বুঝার তো কিছু নেই। আমরা যদি চীনের পদাঙ্ক ও ইহুদী-নাছারাদের পরামর্শ মতো এই এক পরিবার এক সন্তান নীতি অবলম্বন করি, তা হবে বাংলাদেশের জন্য ধ্বংসাত্মক। গরিব মা-বাপ কিন্তু কোনো দিনই এই নীতি মেনে নিবে না। সুতরাং দেশের অশিক্ষিত জনসংখ্যা বেড়েই যেতে থাকবে; শিক্ষিত পরিবারগুলো হবে বলির পাঠা। নীতিটা বিশ্বব্যাংকের দেয়া। আর বিশ্বব্যাংক আমাদের জন্য কতটা মঙ্গল কামনা করে তা নিশ্চয় দেশবাসীর জানা।
পক্ষান্তরে ইহুদী-নাছারাদের দেশে মহান আল্লাহ পাক উনার গযবের কারণে জনসংখ্যা হ্রাস হওয়ায় তারা বিদেশ থেকে জনশক্তি আমদানি করতে বাধ্য হচ্ছে। তাদের জনসংখ্যার হার এভাবে নিম্নগামী হলে হয়তো ইউরোপ, আমেরিকার লুটেরা দেশগুলো পৃথিবীর মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে। তাই তারা জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য নানা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। তাদের এই প্রকল্পের আওতায় মুসলমান দেশগুলোর জন্মনিয়ন্ত্রণ একটি কর্মকা-। আমাদের জনসংখ্যার জন্য ওদের এত মাথা ব্যথার কারণ এটাই। নিজেদের মেধা, মগজ, সময় ও অর্থ ব্যয় করে মুসলমান দেশগুলোর জনসংখ্যা হ্রাস করার মরণপণ চেষ্টা! ওরা আমাদের শত্রু। শত্রু যখন বন্ধু সাজে তখন সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করাই বুদ্ধির কাজ।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে