এরপরও কি এসব পেপার-পত্রিকাগুলোকে ইসলামবিরোধী বলা হবে না?


ইদানীং পত্রিকাগুলো হাতে নিলেই প্রথম পৃষ্ঠা থেকে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত বড় বড় ছবি আর হেডিং নিয়ে থাকে শুধু বিশ্বকাপ খেলার খবর। এসব খবরে শুধু যে, কে হারলো আর কে জিতলো এসব খবর থাকে তা নয়; থাকে খেলোয়াড়দের জীবন কাহিনী, থাকে কে জীবনের কতবেশি সময় এসব খেলতামাশার পিছনে ব্যয় করেছে। আবার এও থাকে কোন খেলোয়াড় কোন কোন মহিলাদের সাথে অশ্লীলতা করেছে, কোথায় করেছে ইত্যাদি। এসব পত্রিকাগুলো বিশ্বকাপ খেলা উপলক্ষে পত্রিকার বিশেষ পাতাও প্রকাশ করছে।
অথচ বিগত সময়ে পবিত্র শবে বরাত অতিবাহিত হয়েছে, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস অতিবাহিত হয়েছে; অথচ এসব নিয়ে কোনো পত্রিকাই বিশেষ সংবাদ ছাপায়নি, বিশেষ পাতাও বের করেনি। এমনকি উল্টো কিছু কিছু পত্রিকা পবিত্র শবে বরাতের বিরুদ্ধে লেখালেখি করেছে, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে মহিলাদের জামায়াতের পক্ষে বলেছে। নাউযুবিল্লাহ!
তাহলে এসব সংবাদপত্রগুলোর আসল উদ্দেশ্য কি সংবাদ ছাপানো; নাকি অন্য কিছু?
এদের আসল উদ্দেশ্য কি এটাই নয়-
খেলার খবরে মশগুল রেখে মানুষকে সম্মানিত ইসলামী আমল-আখলাক থেকে বেখবর রাখা;
খেলোয়াড়দের জীবন কাহিনী প্রকাশ করে মানুষকে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম, হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের জীবনী মুবারক থেকে মানুষকে দূরে রাখা;
অশ্লীল-অশালীন খবরের মাধ্যমে দেশের যুব সমাজসহ সকল মুসলমানদের চরিত্র নষ্ট করা?
এককথায় সম্মানিত দ্বীন ইসলামবিরোধী ও মুসলমানদের আক্বীদা-আমল বিনষ্টকারী যত কিছু রয়েছে তার প্রচার প্রসার করাই এসকল পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমগুলোর প্রধান ও আসল উদ্দেশ্য।
তাই কোনো মুসলমানেরই উচিত হবে না- এসব পত্র-পত্রিকার খবরগুলোর প্রতি অন্ধ বিশ্বাস রাখা। কারণ এদের কেউ মুসলমানদের জঘন্যতম শত্রু ইহুদীর এজেন্ট, কেউ মুশরিক হিন্দুদের এজেন্ট, কেউ খ্রিস্টানদের এজেন্ট।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে