ওহাবীরা যে ইহুদী-খ্রিস্টানদের মানসসন্তান, তা তারা প্রমাণ করেছে জিসিম মুবারক চুরির মাধ্যমে


সম্প্রতি উগ্রপন্থী ওহাবীরা সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের কাছে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশিষ্ট ছাহাবী ও আমিরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার অন্যতম সেনাপতি শহীদ হযরত হুজর ইবনে আদি আল কিন্দি রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার পবিত্র মাযার শরীফ ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দিয়েছে এবং উনার মাযার শরীফ খুঁড়ে উনার অক্ষত ও তাজা রক্তমাখা জিসিম মুবারক চুরি করে অন্যত্র নিয়ে গেছে। এই পবিত্র মাযার শরীফ ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দিয়ে ওহাবীরা ফেসবুকে দাবি করে যে, তারা মহান আল্লাহ পাক উনার শানে শিরককারীদের কেন্দ্র হিসেবে যাতে এটা ব্যবহৃত হতে না পারে, তাই এমন করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! (তথ্যসূত্র দৈনিক আল ইহসান শরীফ) 

উগ্রপন্থী ওহাবীদের কতৃক হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম এবং উনাদের মাজার শরীফসমূহ উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষন ও প্রকাশের বিষয়টি নতুন নয়। তারা স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওজা শরীফ উনার ক্ষতি সাধনেও অপচেষ্টা চালিয়েছিলো, তবে মহান আল্লাহ পাক তিনি বিষাক্ত সাপ প্রেরণ করে তাদের প্রতিহত করেন। তারা তাদের অপকর্মের সাফাই গাইতে সর্বদা শিরক ও কুফরীর দোহাই দিয়েছে। তবে ইতিহাস বলছে ভিন্ন কথা। কারণ তাদের কতৃক সম্মানিত ও পবিত্র জিসিম মুবারক চুরির অপকর্ম পুরোটাই খ্রিস্টান ও ইহুদীদের সাথে মিলে যায়। নেককার আল্লাহওয়ালা বাদশাহ হযরত নুরুদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সময় স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত ও পবিত্র জিসিম মুবারক চুরির অপচেষ্টা ইতিহাস মশহুর হয়ে রয়েছে। ইতিহাসে রয়েছে, মরক্কোর তৎকালীন কথিত খ্রিস্টান রাজা তার দুজন খ্রিস্টান অনুচরকে পবিত্র মদীনা শরীফ-এ প্রেরণ করে এই জঘন্য অপকর্মসাধনের উদ্দেশ্যে। কিন্তু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত নুরুদ্দীন জঙ্গি রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে মুবারক স্বপ্নদ্বারা বিষয়টি অবহিত করেন। ফলশ্রুতিতে তিনি তাদের এই ঘৃণ্য চক্রান্তকে মিটিয়ে দিতে সমর্থ হন। (তথ্যসূত্র: হিস্ট্রি অব মদিনা মুনাওয়ারা, ড.মুহম্মদ ইলিয়াস, আবদুল গনি আল রাশাদ প্রিন্টার্স, মদিনা শরীফ) অর্থাৎ শিরক ও কুফরী মিটিয়ে দেয়ার জন্য নয়, বরং ওহাবী, তাবলিগী, দেওবন্দীদের কর্তৃক মাজার শরীফ উনাদের বিরোধিতার পেছনে রয়েছে তাদের মনমগজে প্রোথিত ইহুদী-খ্রিস্টানদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের তাড়না। সাধারণ মুসলমানগণ যেন তাদের শিরক ও কুফরীর মিথ্যা দোহাইয়ের কারণে বিভ্রান্তির শিকার না হন। আমীন!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]