কথিত ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ বিষয়ে অপব্যাখ্যা এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের প্রতি মিথ্যা অপবাদের খণ্ডনমূলক জবাব


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বওল মুবারক দ্বারা প্রমাণিত ‘তোমরা সিংহের আক্রমণ থেকে যেভাবে পলায়ন করো, কুষ্ঠরোগীর থেকেও সেভাবে পলায়ন করো’ এটা মাওযূ হাদীছ আর অসুস্থ ব্যক্তিকে সুস্থ ব্যক্তির সামনে না আনা বা রোগীকে দূরে রাখা বা রোগীদের সামনে না যাওয়া এ বিষয়ে যত হাদীছ শরীফ রয়েছে এগুলো সব মানসূখ:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
وعن ام المؤمنين الثالثة سيدتنا حضرت الصديقة عليها السلام (سيدتنا حضرت عائشة عليها السلام) أن امرأة سألتها أكان رسول الله عليه السلام قال فروا من المجذومين فراركم من الأسد فقالت ام المؤمنين الثالثة سيدتنا حضرت الصديقة عليها السلام (سيدتنا حضرت عائشة عليها السلام) كلَّا والله ولكنه قال لا عدوى وقال فمن أعدى الأول وكان مولى لنا أصابه ذلك الداء فكان يأكل في صحافي ويشرب في أقداحي وينام على فراشي قالوا وقد أبطل رسول الله العدوى.

অর্থ: “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত রয়েছে, একদা উনাকে একজন মহিলা জিজ্ঞাসা করলো যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কি এরূপ বলেছেন যে, তোমরা সিংহের আক্রমণ থেকে যেভাবে পলায়ন করো, কুষ্ঠরোগীর থেকেও সেভাবে পলায়ন করো? জবাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বসম! কস্মিনকালেও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এরূপ বলেননি। বরং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, ‘ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ বলতে কিছুই নেই। তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেছেন, তাহলে প্রথম উটটিকে কে সংক্রামিত করলো?’ আর আমাদের একজন আযাকৃত খাদেমা ছিলেন, যাঁর কুষ্ঠরোগ হয়েছিলো। তারপরেও উক্ত খাদেমা তিনি আমার প্লেট বা পাত্র মুবারক-এ খাবার খেতেন, আমার বাটি মুবারক-এ পানি পান করতেন এবং আমার বিছানা মুবারক-এ ঘুমাতেন। সুবহানাল্লাহ! উনারা বলেন যে, অবশ্যই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগকে নাকচ করেছেন, বাতিল বলে ঘোষণা করেছেন।” সুবহানাল্লাহ! (নুখাবুল আফকার ফী তানক্বীহি মাবানিইল আখবার ফী শারহি মা‘আনিইল আছার লিবাদরিদ্দীন আইনী হানাফী ১৪/৯৩, উমদাতুল ক্বারী ২১/২৪৭, শারহু ছহীহিল বুখারী লিইবনে বাত্ত্বাল ৯/৪১০, আত তাওদ্বীহ লিশারহিল জামিয়িছ ছহীহ লিইবনে মুলক্বিন ২৭/৪২৪, তাহ্যীবুল আছার লিত ত্ববারী ৪/৬, আনীসু সারী ৯/৬৩৩১ ইত্যাদি )
এখানে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি স্পষ্টভাবেই বলেছেন যে, মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! ‘তোমরা সিংহের আক্রমণ থেকে যেভাবে পলায়ন করো, কুষ্ঠরোগীর থেকেও সেভাবে পলায়ন করো’ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এরূপ কোনো হাদীছ কখনোই বলেননি। তার মানে এটা কোনো হাদীছই না; বরং এটা মাওযূ বা জাল হাদীছ। তার পাশাপাশি উনার কথা মুবারক; ‘বরং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ বলতে কিছুই নেই। তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেছেন, তাহলে প্রথম উটটিকে কে সংক্রামিত করলো?’ এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি যে বলেছেন, ‘আমাদের একজন আযাকৃত খাদেমা ছিলেন, যাঁর কুষ্ঠরোগ হয়েছিলো। তারপরেও উক্ত খাদেমা তিনি আমার প্লেট বা পাত্র মুবারক-এ খাবার খেতেন, আমার বাটি মুবারক-এ পানি পান করতেন এবং আমার বিছানা মুবারক-এ ঘুমাতেন।’ সুবহানাল্লাহ! এই কথা মুবারক দ্বারা প্রমাণিত হলো যে, (‘সিংহের আক্রমণ থেকে যেভাবে পলায়ন করো, কুষ্ঠরোগীর থেকেও সেভাবে পলায়ন করো।’) এই হাদীছটা মাওযূ তো অবশ্যই; শুধু তাই নয়, অসুস্থ ব্যক্তিকে সুস্থ ব্যক্তির সামনে না আনা বা রোগীকে দূরে রাখা বা রোগীদের সামনে না যাওয়া- এ সম্পর্কিত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফগুলো সব মানসূখ হয়ে গেছে। সুবহানাল্লাহ!
এ সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছে,

وهذا يدل من فحوى كلام عائشة أنها لم تنكر الحديث الأول ولكنها ذهبت إلى نسخه بقوله لا عدوى وبفعله عليه السلام وقد روى أيضاً ذلك عن أئمة السلف عمر وغيره.
অর্থ: “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনার কথার তাৎপর্য থেকে এটাই প্রমাণিত হলো যে, তিনি প্রথম মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ তথা ‘সিংহের আক্রমণ থেকে যেভাবে পলায়ন করো, কুষ্ঠরোগীর থেকেও সেভাবে পলায়ন করো।’ এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা শুধু প্রত্যাখানই করেননি; বরং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে ইরশাদ মুবারক করেছেন, ‘ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ বলতে কোনো রোগ নেই।’ এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আমল মুবারক দ্বারা ঐ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ তথা ‘সিংহের আক্রমণ থেকে যেভাবে পলায়ন করো, কুষ্ঠরোগীর থেকেও সেভাবে পলায়ন করো’ এটাকে মানসূখ প্রমাণ করেছেন। সুবহানাল্লাহ! অনুরূপভাবে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার এবং আরো অন্যান্য পূর্ববর্তী অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব মুবারক (যেমন- সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার, হযরত সালমান ফার্সী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার, হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার এবং হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার অর্থাৎ উনাদেরসহ আরো অন্যান্য) উনাদের থেকে অনুরূপ বর্ণিত রয়েছে।” সুবহানাল্লাহ! (ইকমালুল মু’লিম ৭/১৬৩)
আর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি যেটা বলেছেন, এটাই চূড়ান্ত ফায়ছালা। এখানে অন্য কারো কোনো কথা কস্মিনকালেও গ্রহণযোগ্য নয়। কেননা, এ বিষয়টি সকলের জানা রয়েছে যে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা যখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বা যে কোনো বিষয়ে ইখতিলাফে পতিত হতেন, তখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার কাছ থেকে জিজ্ঞাসা করে জেনে নিতেন। তিনি যেই ফায়ছালা মুবারক দিতেন, তা সকলে মেনে নিতেন। এ সম্পর্কে ‘মুয়াত্ত্বা শরীফ ও তিরমিযী শরীফ’সহ আরো অন্যান্য কিতাবে বর্ণিত রয়েছে,
عَنْ حضرت أَبِي مُوسَى رضى الله تعالى عنه قَالَ مَا أَشْكَلَ عَلَيْنَا أَصْحَابَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثٌ قَطُّ فَسَأَلْنَا ام المؤمنين الثالثة سيدتنا حضرت الصديقة عليها السلام (سيدتنا حضرت عائشة عليها السلام) إِلَّا وَجَدْنَا عِنْدَهَا مِنْهُ عِلْمًا.
অর্থ: “হযরত আবূ মূসা আশআরী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের নিকট, (অর্থাৎ) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম আমাদের নিকট কোনো মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ অস্পষ্ট লাগলে, সন্দেহ লাগলে আমরা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনাকে জিজ্ঞাসা করতাম। তখন আমরা ঐ বিষয়ে পরিপূর্ণ ইল্ম মুবারক লাভ করতাম।” সুবহানাল্লাহ! (মু‘আত্তা শরীফ ৬/১২৪, তিরমিযী শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ নং ৩৮৮৩, জামি‘উল উছূল লি ইবনে আছীর ৯/১৩৪, আল ইমা’ লিল আন্দালুসী ৪/১৭৬, আত্ তাফসীরুল মাযহারী ৬/৪৮৬, ত্বরহুত্ তাছরীব ফী শরহিত্ তাক্বরীব ১/১৪৭, ক্বূতুল মুগতাযী ২/১০৩৯, আল মাজালিসুল ওয়া’যিয়্যাহ্ ১/১৬১, মিরক্বাতুল মাফাতীহ্ ৯/৩৯৯৫, তুহ্ফাতুল আশরাফ ১১/৪৬৭, জাম‘উল ফাওয়াইদ ৩/৫৮১, শারহুস সুন্নাহ লিল বাগবী ১৪/১৬৬ শারহুত্ ত্বীবী ১২/৩৯২৪, কাওছারুল মা‘আনী ১/২১৬, আল ফত্হুর রব্বানী ২২/১২৮ ইত্যাদি)
হযরত আতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
كَانَت ام المؤمنين الثالثة سيدتنا حضرت الصديقة عليها السلام (سيدتنا حضرت عائشة عليها السلام) أفقه النَّاس وَأعلم النَّاس وَأحسن النَّاس رَأيا فِي الْعَامَّة.
অর্থ: “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি ছিলেন মানুষের মাঝে অর্থাৎ কায়িনাতের সকলের থেকে সবচেয়ে বড় ফক্বীহ্, সবচেয়ে বড় আলিম এবং সর্বক্ষেত্রে সর্বোত্তম ফায়ছালা মুবারক দানকারী।” সুবহানাল্লাহ! (আল মুস্তাদরাক ৪/১৫, আদ্ র্দুরুল মানছূর ৬/১৭০, ত্বরহুত্ তাছরীব ১/১৪৮, ইরশাদুস সারী ৬/১৪২, কাওছারুল মা‘আনিইদ্ দুরারী ১/২১৬, মাশারিক্বুল আনওয়ারিল ওয়াহ্হাজাহ্ ১/২০১, রিয়াদ্বুল আফহাম ১/৫২, আল কাওকাবুল ওয়াহ্হাজ ২৩/৫৪০ ইত্যাদি)
হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার আওলাদ হযরত আবূ সালামাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
مَا رَأَيْتُ أَحَدًا أَعْلَمَ بِسُنَنِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَلاَ أَفْقَهَ فِي رَأْيٍ إِنِ احْتِيجَ إِلَى رَأْيِهِ ، وَلاَ أَعْلَمَ بِآيَةٍ فِيمَا نَزَلَتْ وَلاَ فَرِيضَةٍ مِنْ ام المؤمنين الثالثة سيدتنا حضرت الصديقة عليها السلام (سيدتنا حضرت عائشة عليها السلام)
অর্থ: “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কিতাব কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, ফিকহ এবং ফরায়েযের ইলম বিষয়ে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনাকে আমি সবচেয়ে জ্ঞানী দেখেছি।” সুবহানাল্লাহ! (আত্ ত্ববাক্বাতুল কুবরা ২/৩৭৫)
হযরত জুবাইর ইবনে আওয়াম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার আওলাদ বিশিষ্ট তাবেয়ী হযরত উরওয়াহ্ ইবনে যুবাইর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
ما رأيت أحدا أعلم بالحلال والحرام والعلم والشعر والطب من ام المؤمنين الثالثة سيدتنا حضرت الصديقة عليها السلام (سيدتنا حضرت عائشة عليها السلام).
অর্থ: “হালাল-হারাম, ইলম, কবিতা, চিকিৎসা ইত্যাদি বিষয়ে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনাকে আমি সর্বাধিক জ্ঞানী দেখেছি।” সুবহানাল্লাহ! (আদ্ র্দুরুল মানছূর লিস সুয়ূত্বী ১০/৭০১, আল মুস্তাদরক ৪/১২)
কাজেই, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বওল মুবারক দ্বারা প্রমাণিত হলো যে, ‘তোমরা সিংহের আক্রমণ থেকে যেভাবে পলায়ন করো, কুষ্ঠরোগীর থেকেও সেভাবে পলায়ন করো’ এটা মাওযূ হাদীছ। আর অসুস্থ ব্যক্তিকে সুস্থ ব্যক্তির সামনে না আনা বা অসুস্থ ব্যক্তিকে দূরে রাখা বা রোগীদের সামনে না যাওয়া এ বিষয়ে যত হাদীছ শরীফ রয়েছে এগুলো সব মানসূখ হয়ে গেছে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]