কথিত জাতীয় সংগীত সবদেশেই বার বার পরিবর্তন হয়েছে, শুধুমাত্র আকবরের দ্বীনে ইলাহীর অনুসারীরাই এটা অপরিবর্তনীয় মনে করে


আমাদের দেশে এক শ্রেণীর কথিত বুদ্ধিজীবিদের দেখা যায়, যারা ৪৩টি পতিতালয়ের মালিক রবীন্দ্রের লেখা জাতীয় সংগীত পরিবর্তন এর কথা এলে চার পায়া প্রাণীর মতো চিৎকার করতে থাকে- জাতীয় সংগীত কোন অপরিবর্তনীয় বিষয় নয়। অথচ পৃথিবীর দেশে দেশে জাতীয় সংগীত পরিবর্তন ঘটেছে। সে জন্যে সেদেশের বুদ্ধিজীবিরা আকাশ পাতাল উজাড় করে নি আমাদের দেশের কুবুদ্ধিজীবিদের মতো।
এবার আপনাদের কাছে কিছু দেশের নাম উল্লেখ করছি যারা তাদের কথিত জাতীয় সংগীত একাধিকবার পরিবর্তন করেছে।
অস্ট্রিয়া: অস্ট্রিয়াতে ১৮০৪ সাল থেকে ১৮৩৫ সাল পর্যন্ত ছিলো “সেভ এমপেরর ফ্রান্সিস” নামের জাতীয় সংগীত। আবার ১৮৩৫ সাল থেকে ১৮৪৮ পর্যন্ত ছিলো “অস্ট্রিয়াস হাই সন” শীর্ষক কথিত জাতীয় সংগীত। আবার ১৮৫৪ থেকে ১৮৬৭ সাল পর্যন্ত ছিলো “ভক্সহাইম” নামের কথিত জাতীয় সংগীত।
১৯২০ থেকে ১৯২৯ সাল পর্যন্ত ছিলো “জার্মান-অস্ট্রিয়া ইউ আর বিউটিফুল কান্ট্রি” শীর্ষক কথিত জাতীয় সংগীত। আবার তা পরিবর্তীত হয়ে ১৯২৯ সালে চালু হয় “বি ব্লেসড উইদাউট এন্ড”। যা ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত বলবৎ ছিলো। অর্থাৎ অস্ট্রিয়াতে জাতীয় সংগীত পরিবর্তন হয়েছে সর্বমোট ৬ বার।
ব্রাজিল: ব্রাজিল এ ১৮২২ থেকে ১৮৩০ সাল পর্যন্ত “হাইম অফ ইন্ডিপেন্ডেন্স” ছিলো কথিত জাতীয় সংগীত। আবার ১৮৩০ সাল থেকে ১৮৮৯ পর্যন্ত ছিলো “ব্রাজিলিয়ান ন্যাশনাল এনথেম”। অর্থাৎ ব্রাজিলের জাতীয় সংগীত পরিবর্তন হয়েছে ২ বার।
বুলগেরিয়া: বুলগেরিয়াতে ১৮৮৬ সাল থেকে ১৯৪৪ সাল পর্যন্ত “মারিৎসা রাশেস” নামে কথিত জাতীয় সংগীত ছিলো। এর পর তা পরিবর্তিত হয়ে ১৯৪৪ থেকে ১৯৫০ পর্যন্ত ছিলো “হেইল টু আওয়ার রিপাবলিক” নামের কথিত জাতীয় সংগীত। আবার তা পরিবর্তিত হয়ে ১৯৫০ সাল থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত ছিলো ”ডিয়ার বুলগেরিয়া” নামে জাতীয় সংগীত। অর্থাৎ বুলগেরিয়ার জাতীয় সংগীত পরিবর্তন হয়েছে ৩ বার।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে