কাট্টা কাফির কাদিয়ানী সম্প্রদায় মুসলমানদের ক্ষতি করার এক ইহুদী হাতিয়ার!


ইহুদীরা বিভিন্ন কৌশলে মুসলমানদের ক্ষতি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। যার ভেতর জঘন্যতম হচ্ছে, মুসলিম ছদ্মবেশে ইহুদী তৈরি করে মুসলমানদের ভিতর ফিতনা সৃষ্টি করা। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, কাফির খেতাবপ্রাপ্ত কাট্টা কাফির “কাদিয়ানী সম্প্রদায়”। কাদিয়ানী এমন একটি স¤প্রদায় যারা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার পরিচয় ও পোশাকে দ্বীন ইসলাম উনাকে এবং উনার আক্বীদা নষ্ট করার জন্য এক অভিনব ইহুদী হাতিয়ার। সোজা কথায়, কাদিয়ানীরা ইহুদীদের স্বজাতিসম। ইহুদীদের মতোই তারা পবিত্র কুরআন শরীফ উনার বিকৃতির সার্বিক প্রচেষ্টা করেছে। ইহুদী প্রভাবে আমেরিকা তার নিজের তত্ত¡াবধানে মুসলমান বিষয়ক বিশেষজ্ঞ তৈরি ও গবেষণায় বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে থাকে। ২০০২-২০০৩ সালে তাদের এই বাজেট ছিল ৩৫ বিলিয়ন ডলার (সুত্র: http://goo.gl/P3J7gi)। আর তাদেরই অর্থে পরিচালিত হয়ে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করছে এই কাদিয়ানী সম্প্রদায়। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার আবরণে ইসলামী ভাষায় ইসলাম উনার কন্ঠে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতি সাধনে জীবন বাজীরেখে কোশেশ করে যাচ্ছে। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দেশে ইসলামিক বেশে এরা মুসলমান বেশধারী ইহুদী। ইহুদী-খ্রিস্টানরা যে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে মুসলমানদের ভেতর বিভেদ সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে তার ভয়ঙ্কর হাতিয়ারই হলো এই কাদিয়ানী সম্প্রদায়। ইহুদী খ্রিস্টানরা যেভাবে বিভিন্ন মিশনারীর মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ধর্মান্তরিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, কাদিয়ানিরাও সেই ইহুদী-খ্রিস্টানদের অর্থ নিয়েই এক নতুন দ্বীন ইসলাম তৈরির মাধ্যমে মুসলমানদেরকে প্রকৃত দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে।

তাই নিজের মুসলমানিত্ব ধরে রাখতে, মুসলিম বিশ্বকে সামনে এগিয়ে নিতে এবং মুসলমানদের হারানো ঐতিহ্য পুনরায় ফিরে পেতে মুসলমানদের এবং বর্তমান বিশ্বের সকল মুসলিম দেশের উচিত এই কাদিয়ানিদের বয়কট তথা নিষিদ্ধ করা। মহান মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি যেন সারা পৃথিবীর মুসলমানদের সেই রূহানী ফয়েয এবং ঈমানী কুওয়াত দান করুন। আমীন!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে