কাফির-মুশরিকদের অনুসরণের কারণেই মহান আল্লাহ পাক উনার গায়েবী মদদ থেকে বঞ্চিত মুসলিম


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আমার শত্রু এবং তোমাদের শত্রুকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না।” (পবিত্র সূরা মুমতাহিনাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১)
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে কাফির-মুশরিকরা মুসলমানদের শত্রু একথা বারবার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়ার পরেও মুসলমানগণ ইহুদী, নাছারা, মুশরিকদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে। তাদেরকেই মুহব্বত করে, তাদের পরামর্শ গ্রহণ করে, তাদের কুফরী নিয়মনীতি-তর্জ-তরীক্বা পালন করে। নাউযুবিল্লাহ! তাহলে তারা কি করে মুসলমান থাকতে পারে? পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে, “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখবে, সে তাদেরই দলভুক্ত হবে অর্থাৎ তাদের সাথেই তার হাশর-নশর হবে।” (আবূ দাউদ শরীফ)
সঙ্গতকারণেই মুসলমান মুসিবতগ্রস্ত হলে গায়েবী মদদ পায় না, তাদের দোয়া মহান আল্লাহ পাক উনার দরবারে পৌঁছায় না। কারণ তারা তো কাফিরদের অনুসরণ করে কাফিরদেরই অন্তুর্ভুক্ত হয়ে গেছে। নাঊযুবিল্লাহ!
কুফরী করলে তো মহান আল্লাহ পাক গায়েবী সাহায্য করবেন না। আর এ কারণেই মূলত মুসলমানরা বিশ্বজুড়ে যুলুম-নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। ফিলিস্তিনের মুসলমানদের ছুরত দেখলেও বোঝা যায় না এরা মুসলিম না অমুসলিম। তাদের বেশ-ভুষা, পোশাক-পরিচ্ছদ সবই কাফির-মুশরিকদের মতো। তারা কাফিরদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখে বিধায় তারা একদিকে মার খাচ্ছে, অপরদিক থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে কোনো গায়েবী সাহায্য পাচ্ছে না। তাই মুসলমানদের খালিছ তওবা করা উচিত।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]