কারামতে হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম {৪র্থ পর্ব}


‘ই’জায শরীফে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম {৪র্থ পর্ব}

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমরা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম। আমাদের সাথে কারো কোনো ক্বিয়াস বা তুলনা করা যাবে না।’ (দায়লামী শরীফ) কাজেই, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে আলাদা পরিভাষা মুবারক দ্বারা সম্বোধন করা আবশ্যক এবং আদব উনার অন্তর্ভুক্ত। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি মহাপবিত্র মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্যতম। তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব ও মাহবূব সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আখাছছুল খাছ হাক্বীক্বী ক্বায়িম-মাক্বাম।তাই উনাদের থেকে প্রকাশিত অলৌকিক বা বিশেষ ঘটনা মুবারক সমূহকে ‘কারামত’ না বলে, ‘ই’জায শরীফ’ বলতে হবে।

♥♥একজন পীরবোনের ২য় ছেলে সন্তান অনেক্ষণ সময় ধরে অন্ধকারে থাকার পর যখন আলোতে আসতো তখন ১০-১৫ মিনিট পরও চোখ খুলতে পারত না। আর খুললেও চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়তেই থাকতো। বাচ্চাটি চোখ খুলতে পারতো না বলে খুব কান্নাও করতো।
এই বিষয়টি উক্ত পীরবোন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে জানালে তিনি চোখের ডাক্তার দেখাতে বলেন। চোখের ডাক্তার দেখানো হলে ডাক্তার ছেলেটিকে গ্লাস পরিয়ে প্রখোর আলোর দিকে তাকাতে বলেন। কিন্তু বাচ্চাটি সেই আলোর দিকে তাকাতে পারছিল না বরং কান্না করছিল। তখন ডাক্তার বলল, ও তো এখনও খুব ছোট, এজন্য আলোর দিকে তাকাতে পারছে না এবং অন্য একটি হাসপাতালের কথা বলে বলল, তাকে সেখানে নিয়ে যান। তারপর তাকে অজ্ঞান করে দেখতে হবে যে, তার কি সমস্যা। তখন উক্ত পীরবোন বললেন, ওকে অজ্ঞান করালে কি আর জ্ঞান ফিরবে? ডাক্তার বলল, কেন? কত সিরিয়াস বাচ্চাদেরকেও অজ্ঞান করা হয়। তারপরও তো তাদের জ্ঞান ফিরে।

তখন সেই পীরবোন সাথে সাথে হাসপাতাল থেকে উনার সন্তানকে নিয়ে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র খিদমতে হাজির হয়ে একজন পাঠদানকারী আপার মাধ্যমে সাক্ষাতের আরজু পেশ করেন। মুবারক সাক্ষাত প্রাপ্ত হলে এই বিষয়টি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে জানান। তখন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বললেন, অজ্ঞান করতে হবে কেন? ও তো এতো সিরিয়াস রোগী না। যাও, ভালো হয়ে যাবে। অত:পর সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি দয়া দান ইহসান মুবারক কওে তাকে ফুঁ মুবারক দিলেন। ঐ দিনের পর থেকে এ পর্যন্ত উক্ত শিশুটির চোখ থেকে আর পানি পড়তে দেখা যায়নি। সুবহানাল্লাহ!♦
মূলতঃ প্রতিনিয়ত এভাবেই অসংখ্য-অগণিত জ্বীন-ইনসান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস উনার মহা পবিত্র ই’জায সমৃদ্ধ ফুঁ মুবারক প্রাপ্ত হয়ে এবং পড়া পানি ও কালোজিরা খেয়ে এবং বরকতপূর্ণ তাবিজ ব্যবহার করে সুস্থতা, নিরাপত্তা ও এতমিনান লাভে ধন্য হচ্ছেন। (সুবহানাল্লাহ)
♥আহমদ হুসাইন♥

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]