কি করে স্কুল-কলেজে পূজা হয়? কোন সাহসে ছাত্র-ছাত্রীদের পূজায় অংশগ্রহণ করানো হয়?


বিধর্মীদের পূজার সময় সমস্ত সরকারি হাই স্কুল ও কলেজগুলো থেকে সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের জোরপূর্বক পূজায় শরীক করানো হয়। নাউযুবিল্লাহ!
৯৮% মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশ, এই দেশ একটি স্বাধীন দেশ, ৩০ লাখ শহীদের তাজা রক্তে গোসল করেছে এদেশ, মুফতে স্বাধীনতা পাওয়া যায়নি। অনেক কষ্টে, দুঃখে, যুদ্ধ-জিহাদ করে যালিমের হাত থেকে ছিনিয়ে আনতে হয়েছে দেশটি। এবং দেশটি মুসলিম দেশ, স্বাধীন দেশ। এই স্বাধীন দেশে লাখো শহীদের রক্ত কি বৃথা যাবে? মাত্র ৪৬ বছরে কি সকলের রক্ত ঠা-া হয়ে গেলো?
বিধর্মীদের পূজায় বেশির ভাগ ছাত্রই ছিল মুসলমান। খুব কম সংখ্যক বিধর্মী। মুসলমানরা তো পূজায় থাকতে পারে না। মুসলমান তো অন্য কোনো বাতিল ধর্ম বিশ্বাস করে না। মুসলমান তো শিরক করে না, আর করলে তো মুসলমান থাকবে না। তাহলে কেন সমস্ত স্কুল-কলেজ থেকে পূজায় নিয়ে যাওয়া হলো? তাহলে কি দেশটা হিন্দুরাষ্ট্র, বিধর্মী রাষ্ট্র হয়ে গেলো? আর পূজায় নিয়ে যাওয়ায় কোনো মুসলমান প্রতিবাদ তো করেইনি, বরং অবলিলায় হোলিপূজায় রং ছিটিয়ে হুজ্জতি-বজ্জাতি করেছে। নাউযুবিল্লাহ! মুসলমানের যে মুসলমানিত্ব সেটা এখন আর নেই। আর সরকারেরও উচিত কঠোর প্রতিবাদ করা। মুসলমানদেরকে পূজায় লিপ্ত করায় বিধর্মীদেরকে ধরে ধরে শাস্তি প্রদান করা।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]