খলীফাতু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার থেকেই মুসলমানদেরকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম কিভাবে পালন করতে হয় তা শিখতে হবে!


খলীফাতু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার থেকেই মুসলমানদেরকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম কিভাবে পালন করতে হয় তা শিখতে হবে!

মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,
فَإِنْ آمَنُواْ بِمِثْلِ مَا آمَنتُم بِهِ فَقَدِ اهْتَدَواْ
অর্থ: “যদি তারা ওইরূপ পবিত্র ঈমান আনে যেরূপ আপনারা (হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম) পবিত্র ঈমান এনেছেন। তাহলে তারা হিদায়েত লাভ করবে।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৩৭)
এখানে সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার একটি ঘটনা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। ঐতিহাসিক পবিত্র বদরের জিহাদে সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার একজন ছেলে কাফিরদের পক্ষে জিহাদ করেছিলেন। অবশ্য পরে তিনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করে বিশিষ্ট ছাহাবী উনার মর্যাদা লাভ করেছিলেন। পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণের পর তিনি একদিন কথা প্রসঙ্গে উনার যিনি সম্মানিত পিতা সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে বললেন, “আব্বাজান! পবিত্র বদরের জিহাদের সময় রণাঙ্গনে আমি কয়েকবার আপনাকে হাতের মুঠোয় পেয়েও ক্বতল করিনি। তা থেকে বিরত থেকেছি। যেহেতু আপনি হলেন আমার সম্মানিত পিতা।” অতঃপর সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, “হে পুত্র! আমি তো তোমাকে পবিত্র বদর জিহাদ প্রাঙ্গনে খেয়াল করে দেখিনি। যদি দেখতাম ও নাগালে পেতাম তাহলে অবশ্য অবশ্যই নিজ হাতে তোমাকে ক্বতল করেই ছাড়তাম। কেননা তুমি আমার ছেলে হয়েও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুদ্ধে জিহাদ করতে এসেছিলে।”
এর দ্বারা বুঝা যায় যে, সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি কতটুকু পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর অটল ছিলেন। যেটা বলার অপেক্ষাই রাখে না। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ أَطِيعُواْ اللهَ وَأَطِيعُواْ الرَّسُولَ وَأُوْلِي الأَمْرِ مِنكُمْ
অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার ইতায়াত কর। উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইতায়াত কর এবং তোমাদের মধ্যে যাঁরা উলিল আমর রয়েছেন উনাদের ইতায়াত কর।” (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৯)
অতএব, এ ধরনের যত বিষয় রয়েছে সেগুলো জেনে সে অনুযায়ী আমল করতে বিশ্বের সকল মুসলমানদের উপর ফরয হচ্ছে, বর্তমান হিজরী শতকের মহান মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, আস সাফফাহ ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক নেক ছোহবতে আসা।
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে সে তাওফীক দান করুন। আমীন।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]