খায়রুল কুরুনে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের দলীল দেখে নিন। খলীফা হারুনুর রশীদের যামানায় মীলাদ শরীফ পাঠ করার জন্য এক ব্যক্তি ওলী আল্লাহ হিসাবে আখ্যায়িত হলেন। সুবহানাল্লাহ।


আল্লামা সাইয়্যিদ আবু বকর মক্কী আদ দিময়াতী আশ শাফেয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি (১৩০২ হিজরী) উনার বিখ্যাত কিতাব “ইয়নাতুল ত্বলেবীনে” বর্ণনা করেন,

أنه كان في زمان أمير المؤمنين هارون الرشيد شاب في البصرة مسرف على نفسه وكان أهل البلد ينظرون إليه بعين التحقير لاجل أفعاله الخبيثة، غير أنه كان إذا قدم شهر ربيع الاول غسل ثيابه وتعطر وتجمل وعمل وليمة واستقرأ فيها مولد النبي ودام على هذا الحال زمانا طويلا، ثم لما مات سمع أهل البلد هاتفا يقول: احضروا يا أهل البصرة واشهدوا جنازة ولي من أولياء الله فإنه عزيز عندي، فحضر أهل البلد جنازته ودفنوه، فرأوه في المنام وهو يرفل في حلل سندس واستبرق، فقيل له بم نلت هذه الفضيلة ؟ قال بتعظيم مولد النبي

খলীফা হারুনুর রশীদের যামানায় (১৪৮-১৯৩ হিজরী) বসরাতে এক যুবক ছিলেন যার আমল ভালো ছিলো না। এবং দেশের মানুষও উনাকে ভালো জানতো না। তবে যখন পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস আসতো তখন তিনি কাপড় ধুয়ে পরিষ্কার করেন, ভালো খাবার ব্যবস্থা করতেন এবং মীলাদ শরীফ পাঠ করতেন। অতপর যখন তিনি ইন্তেকাল করলেন, তখন দেশের জনগণ একটি গায়েবী আওয়াজ শুনতে পেলেন: হে বসরার লোকজন! আসো একজন আল্লাহ পাকের ওলীর দাফন করো। তিনি আমার কাছে প্রিয়। শহরের মানুষ উনার জানাযা পড়লেন ও দাফন করলেন। এবং তারা উনাকে স্বপ্নে দেখলেন এবং উনার মর্যাদা দেখলেন। সে ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করা হলো কিভাবে আপনি এ মর্যাদা অর্জন করলেন? তিনি বলেন পবিত্র মীলাদ শরীফকে সম্মান করার কারনে। (ইয়নাতুল ত্বলেবীন ৩ খন্ড ৩৬৫ পৃষ্ঠা)

খলীফা হারুনুর রশীদের যামানা ছিলো খায়রুল কুরুনে। উপরোক্ত ঘটনায় বোঝা যায় সে সময় পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠের রীতি ছিলো। তাই এক ব্যক্তি তার আমল কিছুটা মন্দ হলেও মীলাদ শরীফ পাঠকে আল্লাহ পাক তার মর্যাদার কারন হিসাবে প্রকাশ করলেন। এবং ওলী আল্লাহ হিসাবে গ্রহন করলেন। সুবহানাল্লাহ।

সূতরাং উপরোক্ত ঘটনা ও সময়কাল থেকে জ্ঞানী মাত্রই যা বোঝার বুঝে যাওয়ার কথা। ধন্যবাদ।

Collected…….

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]