চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের নামে মুসলমানদের থেকে ছিনিয়ে নেয়া সম্পত্তি ফেরত দিতে হবে


ব্রিটিশরা এই উপমহাদেশে আসার পূর্বে ৯৯ ভাগ জমির মালিক ছিল মুসলমানগণ। মুসলমান উনাদের আরদালি ছিল সমস্ত বিধর্মীরা। বিধর্মীদের ইসলামী লিবাস ও ফার্সী ভাষা শিক্ষা ছিল বাধ্যতামূলক। যা পরিধান করে চাকরি-ব্যবসা বাণিজ্য করতে হত। ব্রিটিশরা যখন উপমহাদেশে মুসলিম শাসক ক্ষমতা ছিনিয়ে নিলো তখন এই আরদালিগুলোই মুসলমান উনাদের উপর চেপে বসল। ১৭৯৩ সালে কর্নোওালিশ কর্তৃক চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করে ৯৯ ভাগ জমির মালিক অভিজাত মুসলিম পরিবার উনাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে জমিগুলো হিন্দুদের দিয়ে দেয়া হল। এই যে কোটি কোটি হেক্টর অবৈধভাবে জমিগুলো বিধর্মীদের দেয়া হলো- সেগুলো সাধারণত মৌখিকভাবে দেয়া হয়েছে-এর কোনো লিখিত নির্ভরযোগ্য কাগজপত্র নেই। এভাবে চলতে থাকল ব্রিটিশ আমল, পাকিস্তান আমল। এই উপমহাদেশের কোটি কোটি হেক্টর জমিগুলো এখন পর্যন্ত বিধর্মীরা দখল করে বসে আছে। সারা বাংলাদেশে একটি নির্ভরযোগ্য জরিপ করে দেখা গেছে এখনও বিধর্মীদের অনেক জমি ও মন্দির রযেছে। যার কোনো নির্ভরযোগ্য কাগজপত্র নেই।

প্রকৃতপক্ষে ১৭৯৩ সালের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত দ্বারা মুসলমাদের যে জমিগুলো অবৈধভাবে বিধর্মীদের দেয়া হয়েছিল। সে জমিগুলো এখনও বিধর্মীদের দখলে রয়েছে। শুধু বাংলাদেশে নয়, ভারতে ও এরকম জমি রয়েছে। বিপরীতে বিধর্মীরা উল্টো দাবি করছে এদেশে নাকি দেবত্ত্বর সম্পত্তি রয়েছে। অথচ দেবতা বলতে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। ইদানীং হাইকোর্ট থেকে রুল জারি করেছে। সিলেটের একটি মেডিকেল কলেজ সরিয়ে সেখানে বিধর্মীদের মন্দির তৈরি করার জন্য। নাউযুবিল্লাহ! সে জমিটা নাকি দেবত্ত্বের সম্পত্তি। নাউযুবিল্লাহ! ৯৮ ভাগ মুসলমানদের উচিত এ বিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ করা এবং মুসলমান পূর্বপুরুষদের সম্পত্তি ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট করা, তীব্র আন্দোলন ও প্রতিবাদের বিকল্প নেই।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]