ছিঃ রবীন্দ্র! তোমার বংশপরিচয় এমন?


তথাকথিত ‘বিশ্বকবি’ রবীন্দ্র ঠগের পরিবারকে ‘জমিদার’ হিসেবেই কিছু বইয়ে লেখা হয়। এই রবীন্দ্র পরিবারের প্রশংসায় একশ্রেণীর লোকদের বাড়াবাড়িও লক্ষ্যণীয়। কিন্তু ‘অতিভক্তি চোরের লক্ষণ’ এই বাক্যটির মতোই এসব অতিভক্তি প্রকাশের পিছনে যে রবীন্দ্রদের বিশাল কলঙ্কিত অধ্যায় আড়াল করাই মুখ্য উদ্দেশ্য সেটা হুজুগে বাঙালির কিন্তু ধরতে সময় লেগেছে অনেক। যেমন রবীন্দ্রেরই সগোত্রীয় কলকাতার লেখক রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেছে- “রবীন্দ্রনাথের ঠাকুর্দা, দ্বারকানাথ ঠাকুরের তেতাল্লিশটা বেশ্যালয় ছিল কলকাতাতেই।”
কলকাতার ‘আনন্দবাজার’ পত্রিকার ২৮শে কার্তিক ১৪০৬ সংখ্যায় আরো ছাপা হয়েছেÑ “মদের ব্যবসায় নামল রবীন্দ্রনাথের ঠাকুর্দা। কিছুদিনের মধ্যে আফিংয়ের ব্যবসায়ও হাত পাকাল ও বাজিমাত করল কুরুচির রেসে। ঘোড়দৌড়ে একবার একটি রুপার কাপ দিলো দ্বারকানাথ। কলকাতার ঘোড়দৌড় জমে উঠেছে, দ্বারকানাথের টাকা উড়ছে সেখানে। মামলাবাজ বাবুদের পরামর্শ দিয়ে ভালোই কামাত দ্বারকানাথ। এছাড়া ছিল ২৪ পরগণার সল্ট এজেন্ট ও সেরেস্তাদার।”
অর্থাৎ মাদকদ্রব্য, জুয়াখেলা ও ৪৩টি পতিতালয় পরিচালনা করেই কিন্তু রবীন্দ্র ঠগের পরিবার আর্থিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সমাজচ্যুত পতিতাভোগী হিন্দুদের নিয়েই গঠিত হয়েছিল রবীন্দ্রের মতো ‘বাবুসমাজ’। হিন্দুদের বংশ বা জাতটাই যে একরকম অসভ্য; এটি একসময় বাঙালি মুসলমান খুব বুঝতে পারলেও ইদানীং ক্ষুদ্র একটি গোষ্টিকে তাদের সাফাই গাইতে দেখা যায়। রবীন্দ্রের মতো তাদেরও বংশপরিচয় নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]