দ্বীন ইসলাম থেকে সরিয়ে দিতেই আজগুবি বেহুদা দিবসের প্রচলন!


অন্যের ঘরের পিঠার ঘ্রাণ বেশি। একটা প্রচলিত কথা। কথাটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, নিজের যা আছে তাতে সে খুশি নয় কিংবা অন্যের যা আছে সেটাকেই বেশি উৎকৃষ্ট মনে করা। এটাকে হীনম্মন্যতা কিংবা এধরনের মানসিকতার অধিকারীকে মানসিক বিকারগ্রস্তও বলা যায়।
দুঃখজনক হলেও সত্য যে, দেখা যায়- মুসলমানদেরকে এরকম হীনম্মন্যতায় পেয়ে বসেছে। তাই তারা তাদের ঐতিহ্য, শৌর্য, বীরত্বের ইতিহাস ভুলে গিয়ে কাফির-মুশরিকদের প্রবর্তিত নানা দিবসগুলোতে মাতামাতি করে; কাফির-মুশরিকদের প্রবর্তিত দিবস, জীবনযাপন পদ্ধতি, চিন্তা-ভাবনা ইত্যাদিকে খুব পছন্দ করতে শিখেছে এবং পরিণতিতে ঈমান হারিয়ে কাফির হয়ে মারা যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
কথিত নারী দিবসের উৎপত্তি কোথায়? নারীবাদ ও বিশ্ব নারী দিবসের মধ্যে সম্পর্ক এবং তাদের মূল লক্ষ্যটা কি? মুসলমানদের সাথে এই সংস্কৃতি কতটা সাংঘর্ষিক? পুর্বাপর এসব চিন্তা করার সময় কোথায়?
আবার দেখি, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে এক বিশেষ রংয়ের শাড়ি পরে মহিলারা বৈশাখী মেলায় যাবে, কেনাকাটা করবে, বটমূলে যাবে, গান-বাজনা শুনবে; হৈ-হুল্লোড় করবে, ইত্যাদি। অথচ একবারও তারা চিন্তা করে দেখবে না যে, পহেলা বৈশাখের নানা আয়োজন বিধর্মী বদদ্বীনদের নানা পূজা উপলক্ষেই সৃষ্ট। একবারের জন্য জানতে চেষ্টা করবে না যে, বৈশাখ মাসটা মুসলমানদেরকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম থেকে সরিয়ে দেবার জন্য তথা হিজরী সাল গননা থেকে মুসলমানদেরকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য সম্রাট আকবরের দ্বীন-ই-ইলাহীর অংশ হিসাবে সৃষ্ট ফসলী সনের একটা মাস এবং ইসলামবিরোধী দর্শন উদ্ভুত এটা একটা বিষয়, যা মুসলমান পালন করতে পারে না। এসব পালন করলে যে আর ঈমানদার থাকা যাবে না- একথা একটিবারের জন্যও মুসলমানদের মনে উদয় হচ্ছে না।
যাহোক, এসব চিন্তা মনে আসুক আর না আসুক, এগুলোর মধ্যে যে জড়াবে, খালিছ তওবা না করলে সে পরকালে কোনোভাবেই নাজাতের আশা করতে পারবে না। সেটাই মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন, “তারা কি কাফির-মুশরিকদের রছম-রেওয়াজগুলো তালাশ করে, সেগুলো গ্রহণ করতে চায়?” অর্থাৎ মুসলমানরা কি ঈমান আনার পর কাফির-মুশরিকদের পথে হেঁটে ঈমানটা হারাতে চায়? সোজা কথায়, কাফির-মুশরিকদের রছম রেওয়াজ মানলে বা পালন করলে নিঃসন্দেহে ঈমানটা হারিয়ে বেঈমান হয়ে মারা যেতে হবে। নাউযুবিল্লাহ! মুসলমান দাবি করবেন, আর দুনিয়ায় কাফির-মুশরিকদের যা আছে সবই পালন করবেন, তা হবে না।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]