নতুন নতুন ছাত্রাবাস, আশ্রম, হোস্টেল তৈরি করে সংখ্যালঘুদের সংগঠিত করার উদ্দেশ্য কি?


ভারতের উদ্যোগে বাংলাদেশে বেশ কিছু হিন্দুত্ববাদী প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। সেই প্রকল্পগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য-
১) ঢাকার রমনা কালি মন্দিরের ভেতরে ৫ তলা গেস্ট হাউস।
২) সাভারের ইস্কন মন্দিরের ভেতরে বহুতল আশ্রম ভবন নির্মাণ।
৩) ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনের ভেতরে হোস্টেল নির্মাণ।
৪) সিলেটে ইস্কন মন্দিরে ৫ তলা হোস্টেল নির্মাণ।
৫) ময়মনসিংহের রামকৃষ্ণ মিশনে ৫ তলা বিশিষ্ট হোস্টেল নির্মাণ।
এছাড়াও সম্প্রতি বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলাও ঢাকার পাশে সাভারে এবং সিলেটে ইসকনের দুইটি বহুতল ছাত্রাবাস/আশ্রম উদ্ভোধন করেছে।
এসকল হোস্টেল, আশ্রম, ছাত্রাবাস, গেস্ট হাউস নামের ভবনগুলোর অর্থায়ন সম্পর্কে ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেছে, “বাংলাদেশে ইসকনের কর্মকা-ে সহায়তা করছে ভারত।”
প্রকল্পগুলোর দিকে লক্ষ্য করুন, এতদিন নির্মাণ করা হতো মন্দির, কিন্তু হঠাৎ নির্মাণ করা হচ্ছে বহুতল ছাত্রাবাস, বহুতল আশ্রম, গেস্ট হাউস যেখানে একসাথে থাকতে পারবে অসংখ্য সংখ্যালঘু।
কিন্তু কেন হঠাৎ করে বাংলাদেশে বিভিন্ন এলাকায় ছাত্র/যুব বয়সী হিন্দুদের নিয়ে হোস্টেল/আবাসিক ভবন তৈরী করা হচ্ছে, যেখানে একত্র থাকবে হাজার হাজার হিন্দু?
আমাদের দেশের দিকে তাকালেই দেখা যায়, ভার্সিটির হলগুলোই হলো শক্তির আধার। কোন মারামারি/সংঘর্ষ করতে হলে হলগুলো থেকে দলে দলে ছাত্র নিয়ে আসা হয়। হলের ভেতরেই থাকে অস্ত্র-শস্ত্র মজুদ। যার করায়ত্বে একটা হল আছে, তার কাছে কয়েক হাজার ছাত্র আছে।
সেই তুলনা করলে ভারত বাংলাদেশ হঠাৎ করে কেন হিন্দু ধর্মীয় আবাসিক প্রকল্প তৈরী করছে তা অবশ্যই ভাববার বিষয়। এসব বহুতল ছাত্রবাস/হোস্টেল/আশ্রমগুলোকে একত্রে অবস্থান করা হাজার হাজার সংখ্যালঘু যুবকদের দিয়ে ভারত আমাদের দেশে কি করতে চায়? কি তাদের উদ্দেশ্য?
এখনই এ বিষয়ে দেশের সরকারকে সতর্ক হতে হবে, দেশের মানুষ বিশেষ করে দেশের মূল জনগোষ্ঠী মুসলমানদেরকে খুবই সতর্কতা ও নজদারি রাখতে হবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে