পবিত্র কুরআন শরীফ পুড়িয়েও কী মুসলমান এবং হেফাজতে ইসলাম দাবি করা যায়?


২০১৩ সালের ৫ মে কথিত হেফাজতে ইসলাম ওরফে হেফাজতে জামাতীরা ঢাকার স্টেডিয়াম মার্কেটে ভাঙচুর এবং লুটপাটের পরে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে অবস্থিত ভাসমান দোকানপাট ভাংচুর এবং তাতে অগ্নিসংযোগ করে। খবরে প্রকাশ, দক্ষিন গেইটে অন্ততঃ ৮০টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেখানে অবস্থিত অধিকাংশ দোকান ছিলো পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, ইসলামী কিতাবাদী, আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের জীবনী মুবারকসহ, তাসবীহ, আতর, পাগড়ি, রুমাল, টুপি, বোরকা এবং জায়নামাযের দোকান।
কথা হলো, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অবমাননাকারী ব্লগাররা কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী, তাদের শাস্তির দাবি যৌক্তিক। কিন্তু সেই শাস্তির দাবিতে আন্দোলনে নেমে যারা পবিত্র মাযার শরীফ ধ্বংসসহ পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে দিলো- হেফাজতের ব্যানারে এসব আন্দোলনকারীরা তবে কারা? এরা মুসলমান, না কাফির? শাহবাগী নাস্তিক ও দ্বীন ইসলাম বিদ্বেষী ব্লগারদের বিচার এবং ফাঁসি দেয়ার সাথে সাথে এসব পবিত্র কুরআন শরীফ অবমাননাকারীদেরও বিচার এবং ফাঁসি দিতে হবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

২ Comments

Leave a Reply

[fbls]
  1. BD BOY says:

    ora hepajoter kormi na oikhane awamiliger kuttara duke quran shorip purayse…….

    1. সকল গণমাধ্যমের কমীরা তো বলেছে হেফাজতের কমীরা কুরআন শরীফ পুড়িয়েছে.আপনি কি তা ভুল প্রমাণ করতে চান?