পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে ৬টি রোযা রাখা খাছ সুন্নত মুবারক এবং বেমেছাল ফযীলত মুবারক লাভের কারণ- ১ম পর্ব


পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে ৬টি রোযা রাখা
খাছ সুন্নত মুবারক এবং বেমেছাল ফযীলত মুবারক লাভের কারণ- ১ম পর্ব

পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস অন্যান্য মাসগুলোর মধ্যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মাস। এ মাসের বহুবিধ তাৎপর্য রয়েছে। হিজরী মাসের দশম মাস পবিত্র শাওওয়াল শরীফ। এই মাস পবিত্র হজ্ব উনার তিনটি মাসের (শাওওয়াল, যিলক্বদ, যিলহজ্ব) অন্তর্ভূক্ত। এ মাসের প্রথম তারিখে পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার দিন। পহেলা শাওওয়াল শরীফ তথা পবিত্র ঈদুল ফিতর ছুবহে ছাদিকের সময় ছদক্বাতুল ফিতর ওয়াজিব হয়,তবে এ ছদক্বা বা ফিতরা পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসের মধ্যে আদায় করা উত্তম এবং অধিক ফযীলত লাভের কারণ। পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার দিনে পবিত্র ঈদের নামায আদায় করা ওয়াজিব। এই মাস বিভিন্ন দিক থেকে বিভিন্ন বরকতময় বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত হওয়ার কারণে এই মাস আরো বরকতময় হয়েছে।
পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে বিভিন্ন মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল রয়েছে,তন্মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে ছয়টি রোযা রাখা খাছ সুন্নত মুবারক।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ثُمَّ أَتْبَعَهُ سِتًّا مِنْ شَوَّالٍ كَانَ كَصِيَامِ الدَّهْرِ
অর্থ:‘যে ব্যক্তি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার রোযা রাখার পর পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনার ৬টি রোযা রাখলো, সে যেন সারা বৎসরই রোযা রাখলো।’ অর্থাৎ সে ব্যক্তি সারা বছর রোযা রাখার ফযীলত লাভ করবে। সুবহানাল্লাহ! (মুসলিম শরীফ: ১১৬৪; আবূ দাঊদ শরীফ: ২৪৩৩; তিরমিযি শরীফ, নাসায়ি শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ)
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “বান্দা-বান্দীরা নফল বা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পালনের মাধ্যমে আমার নৈকট্য মুবারক লাভ করে থাকে।” সুবহানাল্লাহ! (পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় থাকুন)

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]