পবিত্র ১০ই মুহররমুল হারাম শরীফ বা পবিত্র আশূরা শরীফ দিনের বিশেষ বিশেষ ওয়াকিয়াসমূহ


এই বরকতময় পবিত্র ১০ই মুহররমুল হারাম শরীফ উনার দিনেই সৃষ্টির সূচনা হয় এবং এই দিনেই সৃষ্টির সমাপ্তি ঘটবে। বিশেষ বিশেষ সৃষ্টি এ বরকতময় দিনেই করা হয় এবং বিশেষ বিশেষ ঘটনা এ বরকতময় দিনেই সংঘটিত হয়।
যেমন :-
এ দিনেই মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র মর্যাদা, সম্মান ও খুছূছিয়ত ও হাবীবুল্লাহ হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করে এ দিনকে সম্মানিত করেন।
এদিনে হযরত আবুল বাশার আলাইহিস সালাম উনার দোয়া মুবারক কবুলের আনুষ্ঠানিকতা করা হয়।
এদিনে মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ইদরীস আলাইহিস সালাম উনাকে আসমানে তুলে নেন।
এ দিন মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার বরকতময় কিস্তিকে জুদি পাহাড়ে ভিড়িয়েছিলেন।
এদিন হযরত খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ হয় এবং এদিন উনাকে ‘খলীল’ উপাধিতে ভূষিত করা হয় এবং উনাকে নমরূদের আগুন থেকে বের করে আনা হয়।
এদিন হযরত আইয়ূব আলাইহিস সালাম তিনি অসুস্থতা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আরোগ্য লাভ করেন।
এদিন হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সাথে মহান আল্লাহ পাক তিনি সরাসরি কথা মুবারক বলেছিলেন।
এদিনেই হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি ও উনার সম্প্রদায় লোহিত সাগর পার হয়েছিলেন।
এদিনই হযরত ঈসা রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে আসমানে উঠিয়ে নেয়া হয়েছে।
এদিনেই হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি রহমতসহ সর্বপ্রথম যমীনে নাযিল হন। আর এদিনেই মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্বপ্রথম রহমত বর্ষণ করেন।
এদিনেই মহান আল্লাহ পাক তিনি দুনিয়া সৃষ্টি করেন এবং এদিনেই ক্বিয়ামত সংঘটিত হবে। এদিনেই মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্বপ্রথম যমীনে বৃষ্টি নাযিল করেন।
শুধু তাই নয়,
এদিনেই হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনিও পবিত্র শাহদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।
মূলকথা হলো:- পবিত্র মুহররমুল হারাম বা বরকতপূর্ণ আশূরা শরীফ উনার দিনটি সকলের জন্যই রহমত, বরকত, সাকীনা ও মাগফিরাত মুবারক হাছিল করার দিন।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]