পাশ্চাত্যের মধ্যে যখন বিবাহ বন্ধন শেষ হয়ে আসছে; তখন পশুদের বিবাহ দিয়ে আনন্দ ভোগ


শরীরের কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রোগে আক্রান্ত হলেই আমরা সেই অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে ভাবি, ডাক্তারের কাছে যাই, ওষুধ খাই ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু যতোদিন ওই অঙ্গ-প্রত্যঙ্গটি সুস্থ থাকে ততদিনকে খবর রাখে কার? পৃথিবী থেকে যখন ভালোবাসা উঠে গেছে তখনই শোনা যাচ্ছে ভালোবাসা নিয়ে যতোসব আয়োজন। ইউরোপীয়দের কল্প-কাহিনী দিয়ে তৈরি হয়েছে ভ্যালেন্টাইন ডে।

৩১ ডিসেম্বর শীতের বিকালে প্যান্ট খুলে রেলে ঘুরা, বিশ্ব হাত ধৌত করা। এসবই বেলাল্লাপনা। যাকে ওরা ভালোবাসা বলছে ওটা কিন্তু ভালোবাসা নয়; ওটা হলো নারী-পুরুষের জৈবিক আকর্ষণ। এই বৈশ্বিক আকর্ষণকে ভালোবাসা বানিয়ে আজ পশ্চিমারা কোথায় নেমেছে। বিবাহের মতো পবিত্র সম্পর্ককে ছিন্ন করে লিভ টুগেদার, সমকামীদের বিবাহ দ্বারা পৃথিবীটাকে জাহান্নাম বানিয়েছে। ওরা পশুর চেয়েও নিচে নেমে গেছে। সমাজ থেকে ‘বিবাহ’ নামক পবিত্র বন্ধনটাকে বিদায় দিয়ে পশুদের মধ্যে বিবাহ বন্ধন শুরু করেছে। ভ্যালেন্টাইন দিবসকে স্মরণীয় করতে এক ব্যক্তি একটি ভেড়া ও একটি স্ত্রী হরিণের মধ্যে বিবাহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। কি বলবেন ওদের- আমার শব্দ কোষে উপযুক্ত কোনো শব্দ পেলাম না- ‘বালহুম আদল’ ছাড়া।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]