বড় যদি হতে চাও ছোট হও তবে


মানুষের মধ্যে মুহলিকাত নামক কিছু বদ খাছলত বা কু-স্বভাব রয়েছে। সে সব বদ খাছলত মানুষকে বা মানুষের অন্তরকে হালাক বা ধ্বংস করে দেয়। আর এ বদ খাছলত বা কু-স্বভাবের মধ্যে অন্যতম একটি বদ খাছলত হচ্ছে নিজ মতকে প্রাধান্য দেয়া অর্থাৎ নফসের খায়েশ বা ইচ্ছা অনুযায়ী মত পোষণ করা। নিজেকে বড় মনে করা। আর এ বদ খাছলত শয়তানী খাছলতসমূহের মধ্যে অন্যতম একটি খাছলত। আর এ বদস্বভাব পোষা মানে ইবলিসের খাতায় নাম দেয়া। অর্থাৎ এ বদ খাছলত যাদের মধ্যে রয়েছে তাদের প্রত্যেকেরই কর্তব্য হবে এ বদ খাছলত ত্যাগ করা। আর এ বদ খাছলত ত্যাগ করা তখনই সম্ভব হবে, যখন হযরত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার এবং উনার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের দিকে রুজু হয়ে হাক্বীক্বীভাবে যিকির-ফিকির করা হবে এবং উনাদের আদেশ-নিষেধ মেনে চলা হবে তখনই। আর মূলত নিজ মতকে প্রাধান্য দেয়ার মাধ্যমে কখনো বড় হওয়া বা আল্লাহওয়ালা হওয়া সম্ভব নয়। বরং এতে আরো ছোট হতে হয়, শয়তানের অনুসারী হওয়া হয় এবং মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা অসন্তুষ্ট হন।
তাই প্রত্যেকের উচিত হযরত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার দরবার শরীফে নিজেকে সবচেয়ে নিকৃষ্ট মনে করে নিজের খায়েশ বা ইচ্ছা ত্যাগ করা অর্থাৎ নফসের বিরোধিতা করা, নফসকে সন্তুষ্ট না করা এবং হযরত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার ও উনার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুবারক মতে মত হওয়া, পথে পথ হওয়া। আর আমরা প্রত্যেকেই আমাদের হযরত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার ও সাইয়্যিদাতুন নিসা ক্বিবলা ওয়া কা’বা আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার এবং হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের নিকট দোয়া ও আরজি করছি যেন আমাদের মধ্যে যত মুহলিকাত রয়েছে সমস্ত মুহলিকাতগুলো ত্যাগ করে সমস্ত মুনজিয়াতগুলো হাছিল করতে পারি এবং উনাদের মুবারক সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত হাক্বীক্বী মুরীদ, গোলাম হতে পারি। আমীন!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে