ভারতীয় আগ্রাসন আর কত তীব্র হলে সরকারের হুঁশ হবে?


বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। কিন্তু ভারতের আগ্রাসনে ক্ষতবিক্ষত দেশ। এমন কোনো দিক নেই, যেদিকে ভারত বাংলাদেশের উপর আগ্রাসী মনোভাব প্রকাশ করছে না। যার উদাহরণ ভূরিভূরি-
(১). বাংলাদেশের ন্যায্য পাওনা পানি পাওয়ার কথা থাকলেও ভারত একতরফাভাবে পানি লুণ্ঠন করছে।
(২). বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ফেনী নদীর পানি গোপনে তুলে নিচ্ছে ভারত।
(৩). সাংস্কৃতিক আগ্রাসনে সমাজ ব্যবস্থা ভেঙ্গে তছনছ। আজ কিরণমালা, পাখি ড্রেসের জন্য মেয়েরা আত্মহত্যা পর্যন্ত করে।
(৪). এমন কোনো দিন নেই, যেদিন ভারতের হানাদার বিএসএফ সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা করে না।
(৫). বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় জেলেরা চুরি করে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকার মৎস্য সম্পদ।
(৬). সমুদ্রের খনিজসম্পদে শকুনি নজর ভারতের।
(৭). .ট্রানজিট নিয়েছে, কিন্তু তার বিনিময়ে কিছুই দিচ্ছে না।
(৮). পায়রা বন্দরে শকুনি নজর পড়েছে ভারতের।
(৯). ভারতের একতরফা ব্যবসা-বাণিজ্য বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে দাঁড়াতেই দিচ্ছে না।
(১০). ভারতের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি বিশাল ও ভারতীয় পণ্যের আগ্রাসন অপ্রতিরোধ্য।
(১১). চেষ্টা করেও ভারতে রফতানী বাড়াতে পারছেন না বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা, ভারতের নানা ধরনের অশুল্ক বাধা ও বিধি-নিষেধ আরোপ।
(১২). বাংলাদেশী পোশাক শিল্প ভারতের দখলে চলে যাচ্ছে।
এমন আরো বহু উদাহরণ আছে যেখানে সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়- ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বকে থোড়াই কেয়ার করে। বাংলাদেশের প্রতি তাদের মনোভাব খুবই ভয়ঙ্কর। তাদের কর্তৃত্বসুলভ নেতাগিরি দেখে মনে হয়- এদেশ স্বাধীন দেশ নয়, তাদের তাঁবেদার রাজ্য।
কিন্তু ভারতীয়দের মনে রাখতে হবে- আমরা স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক। বীর বাঙালি মুসলমান। তাই আমরা হানাদার ভরতের নগ্ন আগ্রাসন কিছুতেই মেনে নেবো না।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]