ভারতের মতো বাংলাদেশের প্রশাসনও কি মুসলিমশূন্য হতে চলেছে?


সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের প্রতিটি বিভাগে, প্রতিটি পদে বিধর্মী, অমুসলিম, উপজাতিদের গণহারে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এদের সংখ্যাধিক্য দেখলে এটাই স্পষ্ট যে, পরিকল্পিতভাবেই এধরণের বৈষম্যমূলক নিয়োগ চলছে।
আমাদের এই দেশে ৯৮ ভাগ মুসলমান। সে হিসেবে দেশের প্রশাসনসহ প্রতিটি বিভাগে চাকরি-বাকরিতে মুসলমানদের প্রাধান্য থাকবে এটাই কি স্বাভাবিক নয়? অবশ্যই স্বাভাবিক, শুধু স্বাভাবিক নয়, এটা ৯৮ ভাগ মুসলমানদের অধিকার।
কিন্তু এই দেশের মুসলমানদের জন্য আফসুস! বাংলাদেশের সরকার দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানদেরকে সেভাবে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে যেভাবে ভারতের ৪০ ভাগ মুসলমানকে বঞ্চিত করছে ভারতের বিধর্মী সরকার। ভারতের প্রায় ৫০ কোটি জনগণ মুসলমান হওয়ার পরও সেখানের প্রশাসনের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত মুসলমান ১ ভাগও নেই। বিপরীতে বাংলাদেশের সরকার যেন প্রশাসনে নিয়োগ দেয়ার জন্য বিধর্মী আর উপজাতিদের ছাড়া কোনো মুসলমানকে পাচ্ছে না। ভারতের মুসলমানগণ সেখানে নিপীড়িত, নির্যাতিত হয়ে অত্যন্ত করুণভাবে জীবনযাপন করছেন। কিন্তু বিপরীতে বাংলাদেশের বিধর্মী আর উপজাতিরা সংখ্যালঘুর সাইনবোর্ড বিক্রি করে আছে রাজার হালতে। সরকারের প্রতিটি বিভাগে তারা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। যে কারণে সরকার তাদের কূটকৌশল দ্বারা বিভ্রান্ত হয়ে মুসলমানদেরকে বঞ্চিত করে চলেছে। উদাহরণত গত কিছুদিন পূর্বে রাজধানী ঢাকার স্বামীবাগের একটি মসজিদে আক্রমণ করে হিন্দুরা। কিন্তু এমন একটি ঘটনার পরও দেশের সরকার মুসলমানদের পক্ষে না গিয়ে হিন্দুদের পক্ষেই অবস্থান নেয়। আর এ ঘটনার উস্কানিও দেয় ওই থানার বিধর্মী এসআই অমল কৃষ্ণ।
দেশের সরকার বিধর্মী ও অমুসলিমদের যেভাবে শেল্টার দিচ্ছে তাতে ভারতের মতো একদিকে বাংলাদেশের প্রশাসন হচ্ছে মুসলমানশূন্য অপরদিকে মুসলমানদের উপর দমন-পীড়ন বেড়েই চলছে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]