ভারতে মুসলমানরা কেন বিধর্মীদের তাঁবেদারি করছে? বিধর্মীপ্রীতিতে উৎসাহদাতা ধর্মব্যবসায়ীরাই মূল কারণ?


বর্তমানে উগ্র বিধর্মীরা লাফালাফি-ঝাপাঝাপি করলেও ইতিহাস থেকে প্রমাণিত যে, ভারতবর্ষ মুসলমানরাই সাজিয়েছিলো প্রায় ৭০০ বছর শাসন করে। কিন্তু মুসলমানদের এই সকল অবদান ভুলে গিয়ে অকৃতজ্ঞ বেইমান বিধর্মীরা আজ ভারতে একের পর এক পবিত্র দ্বীন ইসলাম এবং মুসলমানদের উপর চড়াও হচ্ছে। বিনা দোষে বিভিন্ন দাঙ্গা লাগিয়ে শহীদ করছে লাখ লাখ মুসলমানকে। এমনকি ভারতে কোনো কোনো দাঙ্গায় পবিত্র কুরআন শরীফ পুড়িয়ে দিয়েছিলো বিধর্মীরা (নাউযুবিল্লাহ)। সেক্ষেত্রে ভারতের মুসলমানদের জন্য উচিত ছিলো বেশি বেশি তওবা ইস্তিগফার করে ইসলামী তাহযীব-তামাদ্দুনকে আকড়ে ধরা। কিন্তু ভারতের মুসলমানরা তা না করে উল্টো বিধর্মীদের তাবেদারী করছে (নাউযুবিল্লাহ)।
মূলত, এর পেছনে রয়েছে আলিম নামধারী যালিম তৈরির কারখানা “ভারতের দেওবন্দ মাদরাসার জাহিলরা”। এদের বিভিন্ন কুফরী বক্তব্যের কারণে ভারতের মুসলমানরা আজ প্রকৃত দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে চলে গিয়ে এই মুশরিকদের তাবেদারী করা শুরু করে দিয়েছে। ইংরেজরা যখন ভারতবর্ষের মুসলমানদের হাতে পরাজিত হয়ে পলায়ন করছিলো তখন তারা সুকৌশলে গঠন করে দিয়েছিলো তাদের পাপের ফসল এই দেওবন্দ মাদরাসা। যাতে করে তারা দূরে চলে গেলেও তাদের কৃষ্টি-সংস্কৃতির দ্বারা মুসলমানদের চির গোলামীর শৃঙ্খলে আবদ্ধ করে রাখা যায়। ফলে যখন ভারতের মুসলমানরা মুসলিম স্বাধীন আবাসভূমি চেয়েছিলো তখন এই দেওবন্দী নামধারী ব্রিটিশদের দালালরাই এর তীব্র বিরোধিতা করেছিলো। তারা বলেছিলো “আমরা বিধর্মীদের সাথেই মিলেমিশে থাকবো, বিধর্মী মুসলিম আমরা ভাই ভাই ”। কিন্তু এর তীব্র বিরোধিতা করেছিলো তৎকালীন হায়দারাবাদের খোদাভীরু সুলতান মুহম্মদ নিজাম। যার কারণে এক রাতে সেখানে হামলা চালিয়ে লাখ লাখ মুসলিম সমেত পুরো সুলতান পরিবারকে শহীদ করে দেয়া হয়। আর এর পর থেকে আজ পর্যন্ত এই দেওবন্দীরা ভারতীয় মুসলিমদের বিপক্ষে গিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম সাধন এবং ভারতের মুসলমানদেরকে বিধর্মীদের তাঁবেদারিতে উৎসাহিত করছে। এমনকি এই দেওবন্দী জাহিলরা শিবকে মুসলমানদের প্রথম নবী হিসাবে দাবি করেছিলোভ নাউযুবিল্লাহ!
গত কিছুদিন আগে এক যবন মুশরিক সে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান শান মুবারকে কটূক্তি করেছিলো। যার ফলে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিলো এর প্রতিবাদে। কিন্তু দেওবন্দ মাদরাসা তাদের সকল ছাত্র-ছাত্রীদের গুটিয়ে রেখেছিলো। এমনকি বিন্দু থেকে বিন্দুতম প্রতিবাদও তারা করেনি। বোবা শয়তানের মতো চুপ করে ছিলো। যা প্রমাণ করে দেয় যে, তারা তাদের পূর্বপুরুষ (ব্রিটিশ) দেরই পাপের ফসল।
তাই সর্বশেষে মুসলমানরা যদি ভারতবর্ষে তাদের সেই হারানো ঐতিহ্য ফিরে পেয়ে বিধর্মীদের অত্যাচার-নির্যাতন থেকে পরিত্রাণ পেতে চায় তাহলে তাদের উচিত হবে তীব্র ঈমানী চেতনা ধারণ করে, বিধর্মীদের সকল তাঁবেদারী ছেড়ে দিয়ে ইসলামী তাহযীব-তামাদ্দুনকে আকড়ে ধরা। আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেন ভারতের মুসলমানদের সেই ঈমানী কুওয়াত দান করেন। আমীন !

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]