ভেঙে যাচ্ছে সমাজ, ভেঙে যাচ্ছে পরিবার, নেপথ্যে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন


প্রচলিত সমাজের মতে, মানুষের মৌলিক চাহিদা হলো- অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা। কিন্তু দ্বীন ইসলামে আরও একটি মৌলিক চাহিদা আছে, সেটা হলো- বিবাহ। কিন্তু মানুষের অন্যতম এই মৌলিক চাহিদাকে বাদ দিয়েছে চক্রান্তকারী ইসলবিরোধীগোষ্ঠীরা। কারন তারা যেমন নিজেরাও ব্যভিচার ও বেহায়াপনার সাথে জড়িত, তেমনি তারা চায় মুসলমানদের দেশ ও সমাজও যেন এসব অপকর্মে জড়ায়, সে জন্যই তারা মৌলিক চাহিদা থেকে বিবাহ বিষয়টি বাদ দিয়ে দিয়েছে।

বিবাহ বিষয়টি তারা শুধু মৌলিক বিষয় থেকে বাদ দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, তারা নির্দিষ্ট বয়সের আগে বিবাহ নিষিদ্ধ করে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন নামক একটি ইসলামবিদ্বেষী আইনও চালু করেছে। নাউযুবিল্লাহ!

ফলশ্রুতিতে বিবাহ করা কঠিন হয়ে গেলো, আর ব্যভিচার, বেহায়াপনা, অশ্লীলতা দ্বিগুণ বহুগুণে বৃদ্ধি পেতে থাকলো। নাউযুবিল্লাহ!
আর এভাবেই বিবাহ নামক একটি শক্ত ও মজবুত সামজিক বন্ধনের বিষয়টি, পারিবারিক বন্ধনের বিষয়টি দুর্বল থেকে দুর্বলতর হতে থাকলো।
যে কারনে এখন চালু হয়েছে ক্লিনিক ব্যবসা, যাদের কাজ হলো- অবৈধ জারজ শিশুদের গর্ভপাত করানো। নাউযুবিল্লাহ!

দেশজুড়ে জন্ম নিয়ন্ত্রনের নামে বিভিন্ন সামগ্রীর অবাধ বেচাকেনা বাড়তে থাকলো। নাউযুবিল্লাহ!
নাটক-সিনেমা দেখে দেখে প্রেম-ভালোবাসার নামে অবৈধ সম্পর্ক বাড়তে থাকলো। নাউযুবিল্লাহ!

এভাবে বাংলাদেশ নামক ৯৮ ভাগ মুসলমানদের এই দেশটির যেভাবে অধঃপতন শুরু হলো, এতে কারও যেন কোন বিকার নেই। সবাই নির্লিপ্ত। অথচ শুধুমাত্র ইসলামসম্মত বাল্যবিবাহ চালু করলে, জারি করলেই এরকম অসংখ্য অগণিত অপরাধ থেকে মুক্ত হতে পারে এ সমাজ, এ দেশ। বাল্যবিবাহ চালু করলেই ফিরে আসবে সামাজিক শৃঙ্খলা, মজবুত হবে পারিবারিক বন্ধন। সবচেয়ে বড় ব্যপার হলো- হেফাজত হবে আমাদের পবিত্র ঈমান, আমল ও আখলাক।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]