মহান আল্লাহ পাক উনার সবচেয়ে বড় সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক


“শা‘য়ায়িরুল্লাহ” তথা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক উনাদের সম্মানিত পরিচিতি মুবারক:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا تُـحِلُّوْا شَعَآئِرَ اللهِ
অর্থ: “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার তথা নির্দশন মুবারকসমূহ উনাদেরকে অবমাননা করো না অর্থাৎ সম্মান করো।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ২)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ يُّعَظِّمْ شَعَآئِرَ اللهِ فَاِنَّـهَا مِنْ تَقْوَى الْقُلُوْبِ.
অর্থ: “আর যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার তথা নিদর্শন মুবারকসমূহ উনাদেরকে তা’যীম করলো, সম্মান করলো, নিশ্চয়ই এটা তার অন্তরের তাক্বওয়ার কারণ।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা হজ্জ শরীফ: সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৩২)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ يُّعَظِّمْ حُرُمٰتِ اللهِ فَهُوَ خَيْرٌ لَّهٗ عِنْدَ رَبِّهٖ
অর্থ: “আর যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত বিষয়সমূহ (তথা নিদর্শন মুবারকসমূহ) উনাদেরকে তা’যীম করলো, সম্মান করলো, তা তার জন্য তার রব মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট অতি উত্তম, অত্যন্ত প্রিয় এবং পছন্দনীয়।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা হজ্জ শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৩০)
উপরোক্ত সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনাদের মধ্যে شَعَائِرَ اللهِ এবংحُرُمٰتِ اللهِ দুইখানা শব্দ মুবারক ব্যবহার হয়েছে। شَعَائِر শব্দ মুবারকখানা হচ্ছেন شَعِيْرَة শব্দ মুবারক উনার বহুবচন। অর্থ- শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক। আর حُرُمٰت শব্দ মুবারকখানা হচ্ছেন حُرْمَة শব্দ মুবারক উনার বহুবচন। অর্থ- সম্মানিত বিষয়, পবিত্র বিষয়। সুতরাংشَعَائِرَ اللهِ অর্থ- মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দশন মুবারকসমূহ আর حُرُمٰتِ اللهِ অর্থ- মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত বিষয়সমূহ, পবিত্র বিষয়সমূহ। উল্লেখ্য যে, شَعَائِرَ اللهِ তথা মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দশন মুবারকসমূহ প্রত্যেকটিই সম্মানিত, পবিত্র। আবার حُرُمٰتِ اللهِ তথা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত বিষয়সমূহ বা পবিত্র বিষয়সমূহ প্রত্যেকটিই হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
সুতরাং মহান আল্লাহ পাক উনার কায়িনাতে প্রত্যেকটি সম্মানিত ও পবিত্র বিষয়ই হচ্ছেন ‘শা‘য়ায়িরুল্লাহ’ তথা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!

‘শা‘য়ায়িরুল্লাহ’ তথা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক উনাদের প্রকারভেদ:
‘শা‘য়ায়িরুল্লাহ’ তথা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারকসমূহ তিনভাগে বিভক্ত। যথা:
(১) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহ!
(২) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত নিসবত মুবারকপ্রাপ্ত বা সংশ্লিষ্ট সম্মানিত দিবস-রজনীসমূহ ও বিষয় মুবারকসমূহ। সুবহানাল্লাহ! যেমন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রওযা শরীফ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের তারিখ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সম্মানিত নিসবত মুবারকপ্রাপ্ত বা সংশ্লিষ্ট দিন, রাত অথবা যেকোনো বিষয় মুবারকসমূহ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রওযা শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের তারিখ মুবারকসমূহ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে সম্মানিত নিসবত মুবারকপ্রাপ্ত বা সংশ্লিষ্ট সম্মানিত বিশেষ কোন দিবস-রজনী মুবারক এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে সম্মানিত নিসবত মুবারকপ্রাপ্ত বা সংশ্লিষ্ট যে কোনো সম্মানিত বিষয় মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
(৩) সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও উনার সংশ্লিষ্ট বিষয় মুবারকসমূহ। সুবহানাল্লাহ! যেমন- সম্মানিত নামায, সম্মানিত রোযা, সম্মানিত হজ্জ, সম্মানিত যাকাত, সম্মানিত কুরবানী ইত্যাদি।

সবচেয়ে বড় মহাসম্মানিত শি‘য়ার বা মহাসম্মানিত নিদর্শন মুবারক :
মহান আল্লাহ পাক উনার কায়িনাতে যত শি‘য়ার বা নির্দশন মুবারক রয়েছেন, উনাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় মহাসম্মানিত শি‘য়ার বা মহাসম্মানিত নিদর্শন মুবারক হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিইয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা এবং উনাদের সম্মানিত নিসবত মুবারকপ্রাপ্ত বা সংশ্লিষ্ট সম্মানিত দিবস-রজনীসমূহ ও বিষয় মুবারকসমূহ। সুবহানাল্লাহ!
কেননা যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلِلّٰهِ الْعِزَّةُ وَلِرَسُوْلِهٖ وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ وَلٰكِنَّ الْمُنٰفِقِيْنَ لَا يَعْلَمُوْنَ.
অর্থ: “সমস্ত ইজ্জত তথা শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক একমাত্র যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য, উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার (এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের) জন্য এবং মু’মিনীন উনাদের জন্য। সুবহানাল্লাহ! কিন্তু মুনাফিক্বরা তা জানে না, বুঝে না।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা মুনাফিকূন শরীফ: সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৮)
অত্র সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় ইমামুল মুফাসসিরীন মিনাল আউওওয়ালীন ইলাল আখিরীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যিনি খ¦ালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত ইজ্জত-সম্মান, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনার একক মালিক। মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমস্ত ইজ্জত-সম্মান, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনার মালিক করে দিয়েছেন। আর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার কারণে উনারাও সমস্ত ইজ্জত-সম্মান, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনার মালিক। সুবহানাল্লাহ! তারপর হচ্ছেন মু’মিনগণ।” সুবহানাল্লাহ!

আর সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাসহ সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলেই মু’মিন। উনারা সকলেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সম্মানিত ঈমান মুবারক এনেছেন। কোনো হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক দেয়া হয়নি, কোনো হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সম্মানিত রিসালাত মুবারক দেয়া হয়নি যতক্ষণ পর্যন্ত উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সম্মানিত ঈমান মুবারক না এনেছেন। সুবহানাল্লাহ! কাজেই উনারা প্রত্যেকেই মু’মিন। সুবহানাল্লাহ!
যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কতো বেমেছাল সেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসীর চিন্তা-কল্পনার ঊর্ধ্বে। সুবহানাল্লাহ!
সেটাই সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَـلِـىٍّ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَـحْنُ اَهْلُ بَيْتٍ شَجَرَةُ النُّبُوَّةِ وَمَعْدِنُ الرِّسَالَـةِ لَيْسَ اَحَدٌ مِّـنَ الْـخَلَائِقِ يَفْضُلُ اَهْلَ بَيْـتِـىْ غَيْرِىْ.
অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমরা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম। আমরা সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার সম্মানিত বৃক্ষ মুবারক এবং সম্মানিত রিসালাত মুবারক উনার সম্মানিত খনি মুবারক। সুবহানাল্লাহ! সমগ্র সৃষ্টি জগতে একমাত্র আমি ব্যতীত দ্বিতীয় আর কেউ নেই, যে আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করে। অর্থাৎ সমগ্র সৃষ্টি জগতে আমার পরেই আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের শ্রেষ্ঠত্ব মুবারক, ফযীলত মুবারক।” সুবহানাল্লাহ!

আর এটা সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দ্বারাই প্রমাণিত যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত ও পবিত্র না’লাঈন শরীফ উনাদের সম্মানিত ও পবিত্র ধূলি-বালি মুবারক হাছিল করে স্বয়ং সম্মানিত আরশে আযীম মুবারক আরো অধিক পবিত্রতা হাছিল করেছেন, ইজ্জত-সম্মান, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক অর্জন করেছেন এবং অন্য সকলের উপর ফখর করেছেন। সুবহানাল্লাহ! আর অন্যদিকে হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে তূর পাহাড়ে যেতে হয়েছিলো সম্মানিত না’লাঈন শরীফ খুলে, কেননা সেখানে সম্মানিত আরশে আযীম মুবারক উনার সত্তর হাজার ভাগের এক ভাগ নূর মুবারক বর্ষিত হয়েছিলো। যদি তাই হয়, তাহলে এখান থেকেই দিবালোকের ন্যায় অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, মহান আল্লাহ পাক উনার কায়িনাতে যত শি‘য়ার বা নির্দশন মুবারক রয়েছেন, উনাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় মহাসম্মানিত শি‘য়ার বা মহাসম্মানিত নিদর্শন মুবারক হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা এবং উনাদের সংশ্লিষ্ট সম্মানিত দিবস-রজনীসমূহ ও সম্মানিত বিষয় মুবারকসমূহ। সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারকসমূহ উনাদেরকে সম্মান করা, সম্মানিত তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা ফরযে আইন। সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا تُـحِلُّوْا شَعَآئِرَ اللهِ.
অর্থ: “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার তথা নির্দশন মুবারকসমূহ উনাদের মানহানী করো না অর্থাৎ সম্মান করো, তা’যীম-তাকরীম করো।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ২)

সুতরাং মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারকসমূহ উনাদেরকে সম্মান করা, তা’যীম-তাকরীম করা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসীর জন্য ফরযে আইন। সুবহানাল্লাহ!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]