মুসলমানদের উপর কাফিরদের নির্যাতনের কারণ উদঘাটন!


মুসলমানদের উপর কাফিরদের নির্যাতনের কারণ উদঘাটন!

“নিশ্চয় মুসলমান উনাদের সবচেয়ে বড় শত্রু ইহুদী, অতঃপর মুশরিক”
(পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২)

এ পবিত্র আয়াত শরীফ যতদিন মুসলমানরা অন্তর থেকে বিশ্বাস না করবে এবং সে অনুসারে আমল না করতে পারবে ততদিন মুসলমানরা কাফিরদের কাছে মার খেতেই থাকবে, অপদস্থ হতেই থাকবে। যেমনটা এখন ফিলিস্তিনিরা খাচ্ছে।

২য় বিশ্বযুদ্ধের পর ফিলিস্তিনের মুসলমানদের ইহুদীদের প্রতি মায়া উপচে পড়েছিলো। আদর করে আশ্রয় দিয়েছিলো নিপীড়িত(!) ইহুদীদের। সে সময় তৎকালীন সম্রাজ্যবাদী ব্রিটেন পর্যন্ত ইহুদীদের কোনো খ্রিস্টান দেশে আশ্রয় দিতে রাজি হয়নি। কারণ তারা ইহুদীদের দুষ্টুমি সম্পর্কে ভালোভাবেই অবগত ছিলো। একই জিনিস আমরা হিটলারের ক্ষেত্রেও দেখতে পাই। হিটলার বলেছিলো, সে সব ইহুদী মারেনি, কারণ ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন বুঝতে পারে ইহুদীরা কত খারাপ।

এখানে বুঝা যাচ্ছে ইহুদীদের সম্পর্কে খ্রিস্টানরা ঠিকই বুঝতে পেরেছিলো, কিন্তু পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে স্পষ্ট বর্ণনা থাকার পরও মুসলমানরা তা বুঝতে পারেনি। কারণ মুসলমানরা মহাপবিত্র কুরআন শরীফ পড়ে ঠিকই কিন্তু সে অনুসারে আমল করে না। মূলত গত অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় ধরে ফিলিস্তিনের মুসলমানরা যে কষ্ট পাচ্ছে তার মূল কারণ তারা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ অনুসারে আমল করতে পারেনি, কাফিরদেরকে শত্রু ভাবতে পারেনি। আমি শুধু ফিলিস্তিনিদের দোষ দিচ্ছি না, বরং সারা বিশ্বের মুসলমানরাও একইভাবে পবিত্র কুরআন শরীফ মানে না এবং তার উপর আমলও করে না।

যেমন:
১) মহান আল্লাহ পাক তিনি ইহুদী-মুশরিক তথা কাফিরদেরকে শত্রু বলে উল্লেখ করেছেন, কিন্তু তারপরও মুসলমানরা কাফিরদের শত্রু মনে করে না। (নাউযুবিল্লাহ)

২) মহান আল্লাহ পাক তিনি কাফিরদের অনুসরণ করতে মানা করেছেন, তারপরও মুসলমানরা সারাদিন কাফিরদের অনুসরণ করে। (নাউযুবিল্লাহ)

৩) মহান আল্লাহ পাক তিনি কাফিরদের মুহব্বত করতে নিষেধ করেছেন, তারপরও মুসলমানরা সবসময় কাফিরদের সাথে মুহব্বত স্থাপন করে। (নাউযুবিল্লাহ)

৪) মহান আল্লাহ পাক তিনি কাফিরদের প্রশংসা করতে নিষেধ করেছেন, তারপরও মুসলমানরা কাফিরদের প্রশংসা করে। (নাউযুবিল্লাহ)

৫) মহান আল্লাহ পাক তিনি কাফিরদের শ্রদ্ধার পাত্র হিসেবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন, তারপর মুসলমানরা কাফিরদের শ্রদ্ধার পাত্র হিসেবে গ্রহণ করে। (নাউযুবিল্লাহ)

যতদিন মুসলমানরা অন্তর থেকে তাদের শত্রুদেরকে চিনতে ও তাদের বর্জন করতে না পারবে, ততদিন মুসলমানরা সফলতা অর্জন করতে পারবে না। এটাই বাস্তব ও চিরন্তন সত্য।

এ জাতির শুভ বুদ্ধির উদয় হোক!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]