মুসলমানদের জন্য সতর্কবাণী


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “প্রত্যেক ছবি তুলনেওয়ালা জাহান্নামী।” নাউযুবিল্লাহ।
এই পবিত্র হাদীছ শরীফ থেকে বুঝা যাচ্ছে যে, যারা ছবি তুলবে তারা জাহান্নামী হবে। আর প্রাণীর ছবি আঁকা, রাখা, দেখা, তোলা, তোলানো, দেখানো সবকিছুই একই হুকুমের আওতাভুক্ত। তাই মুসলমানদের জন্য প্রাণীর ছবির ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ করতে হবে। সরকার এদেশের ৯৮% মুসলমান উনাদের ছবি তুলতে বাধ্য করছে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ সংবিধানে আছে যার যার ধর্ম, তারা পালন করতে পারবে। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে, সরকার নিজে মুসলমন হয়েও এদেশের ৯৮% অধিবাসী মুসলমান উনাদের দ্বীনী অধিকার দিচ্ছে না। নাউযুবিল্লাহ! এজন্য এদেশের ৯৮% অধিবাসী মুসলমান উনাদের জন্য ফরয হচ্ছে, সবাই একজোট হয়ে শক্তভাবে প্রতিবাদ করা, প্রতিহত করা লেখালেখি ও বলাবলি করার মাধ্যমে। কারণ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে হক্ব কথা বলা থেকে চুপ থাকে সে বোবা শয়তান।” নাউযুবিল্লাহ! আর যে শয়তানের অন্তর্ভুক্ত হবে সে জাহান্নামী হবে। নাউযুবিল্লাহ!
অন্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি ছবি, মূর্তি এবং বাদ্যযন্ত্র ধ্বংস করার জন্য প্রেরিত হয়েছি।”
এই পবিত্র হাদীছ শরীফ থেকে সহজেই বুঝতে পারি যে, উম্মতদের জন্য তথা মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে- প্রাণীর ছবি, মূর্তি এবং বাদ্যযন্ত্র ধ্বংস করা। তাহলে আমরা উম্মত থাকতে পারবো এবং উনার সুপারিশও লাভ করতে পারবো। ইনশাআল্লাহ! সরকার মুসলমানদের এদেশকে মূর্তি-ভাস্কর্য দিয়ে ভরে ফেলেছে। নাউযুবিল্লাহ! মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে- এই মূর্তি বা ভস্কর্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা, প্রতিহত করা। যে ব্যক্তি মূর্তি বা ভস্কর্যের পক্ষে বলবে সে উম্মত থেকে খারিজ হয়ে যাবে।
মুসলমানদের জন্য এই সমস্ত বিষয়ে অবশ্যই লেখালেখির মাধ্যমে ও বলাবলির মাধ্যমে প্রতিবাদ করতে হবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]