মুসলমান মাত্রই প্রত্যেক মালেকে নেছাব ব্যক্তির উপর যাকাত আদায় করা ফরয


নিত্যপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, মাল-সামানা ইত্যাদি বাদ দিয়ে এবং কর্জ ব্যতীত নিজস্ব মালিকানাধীন সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা এক বছর কারো নিকট থাকলে তার উপর যাকাত ফরয।

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “তোমরা যাকাত দ্বারা আপন মালকে পবিত্র করো। ছদক্বা দ্বারা রোগীর চিকিৎসা করো, মহান আল্লাহ পাক উনার দরবারে দোয়া-কান্নাকাটি করে মুছিবত দূর করো।

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, সমুদ্রে হোক অথবা স্থলে হোক কোন মাল-সম্পদ যদি বিনষ্ট হয়ে থাকে, তবে তা যাকাত না দেয়ার কারণেই বিনষ্ট হয়েছে। যাকাত নামাযের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যেমন পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে যে, যে মুছল্লী বা নামাযী ব্যক্তির উপর যাকাত ফরয, সে যদি যাকাত না দেয় তাহলে তার নামাযও কবুল হবে না। নাউযুবিল্লাহ!

কাজেই, যাদের উপর যাকাত ফরয তাদেরকে অবশ্যই যাকাত প্রদান করতে হবে। অন্যথায় যাকাত আদায় না করার কারণে তাদেরকে জাহান্নামের কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]