যালূমান জাহূলানদের জন্যেই জাহান্নাম অবধারিত


যালূমান ও জাহূলান শব্দ মবারক দুটি মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে। যালূমান অর্থ হচ্ছে চরম পর্যায়ের যালিম বা অত্যাচারী। আর জাহূলান অর্থ হচ্ছে চরম জাহিল বা মূর্খ। যালূমান ও জাহূলান প্রকৃতির লোকদের মহাপবিত্র কুরআন শরীফ সম্পর্কে ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ সম্পর্কে কোনো ইলম নেই, আমল নেই, তারা মনগড়াভাবে নিজেদের খেয়ালখুশি মুতাবিক সবকিছু করে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!
অথচ কেউ মুসলমান হলে, সে মনগড়াভাবে কোনো আমল করতে পারবে না, কোনো আদেশ-নিষেধ করতে পারবে না। যার কারণে মনগড়াভাবে আমল করার কারণে তার আমলগুলি স্বয়ং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং স্বয়ং সাইয়্যিদুল মরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, শাফিউল মুযনিবীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদেশ-নিষেধ মুবারকের খিলাফ বা বিরোধী হয় আর সঙ্গত কারণে সে যালূমান ও জাহূলান হিসেবে গণ্য হয়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ সম্প্রতি দৈনিক আল-ইহসান পত্রিকাসহ সমস্ত দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে, বাল্যবিয়েতে সম্মতি দিলেই ২ বছর কারাদ-। নাউযুবিল্লাহ!
আর বাল্যবিয়ে বলতে বলা হয়েছে, ছেলের ক্ষেত্রে ২১ বছরের নিচে আর মেয়ের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের নিচে। অর্থাৎ ছেলের বয়স ২১ বছর না হলে আর মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হলে তারা নাবালেগ-নাবালেগা অর্থাৎ অপ্রাপ্ত বা অপ্রাপ্তা। নাউযুবিল্লাহ!
অথচ মহান আল্লাহ পাক যিনি মানুষকে অর্থাৎ পুরুষ ও মহিলাকে সৃষ্টি করেছেন এবং তারা কখন বা কোনো সময় বালেগ বা বালেগা হবে অর্থাৎ প্রাপ্ত বয়স্ক হবে ও প্রাপ্তা বয়স্কা সে আলামত বা চিহ্নও প্রকাশ করিয়ে থাকেন। সেই সুস্পষ্ট আলামত উপেক্ষা করে যারা মিথ্যা মনগড়াভাবে প্রাপ্ত বয়সের সময়সীমা নির্দিষ্ট করবে, তারা আসলে ফিরআউনেরই দোসর। তাদের জন্য জাহান্নাম অবধারিত।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

Leave a Reply

[fbls]