যে তিনটি কাজে মহান আল্লাহ পাক তিনি বান্দার প্রতি সন্তুষ্ট মুবারক হন


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم اِنَّ اللهَ يَرْضَى لَكُمْ ثَلاَثاً وَيَسْخَطُ لَكُمْ ثَلاَثاً يَرْضَى لَكُمْ اَنْ تَعْبُدُوْهُ وَلَا تُشْرِكُوْا بِهٖ شَيْئاً وَاَنْ تَعْتَصِمُوْا بِـحَبْلِ اللهِ جـَمِيْعاً وَلاَ تَفَرَّقُوْا وَاَنْ تُنَاصِحُوْا مَنْ وَلَّاهُ اللهُ اٰمِرَكُمْ وَيَسْخَطُ لَكُمْ قِيْلَ وَقَالَ وَاِضَاعَةُ الْمَالِ وَكَثْرَةُ السُّوَالِ
. অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের তিনটি কাজে সন্তুষ্ট হন এবং তিনটি কাজে অসন্তুষ্ট হন। যে তিনটি কাজে মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের প্রতি সন্তুষ্ট হন তা হলো: (১) যখন তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত কর এবং উনার সাথে অন্য কাউকে শরীক করো না। (২) মহান আল্লাহ পাক উনার বিধানসমূহ উনাদেরকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধর, বিচ্ছিন্ন হওনা আর (৩) যখন মহান আল্লাহ পাক তিনি কাউকে তোমাদের আমীর হিসাবে মনোনীত করেন, তার জন্য তোমরা পরস্পর কল্যাণ কামনা কর। সুবহানাল্লাহ! আর যে তিনটি কাজে মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের প্রতি অসন্তুষ্ট হন তা হলো- (১) মহান আল্লাহ পাক এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সম্মানিত আদেশ-নিষেধ মুবারক না মানলে, চু-চেরা, কিলো-কাল করলে। (২) অপচয় তথা মাল-সম্পদ নষ্ট করলে এবং (৩) অনর্থক অতিরিক্ত প্রশ্ন করলে।” নাউযুবিল্লাহ! (মুসনাদে আহমদ, হাদীছ শরীফ নং ৮৭৮৫, ছহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীছ শরীফ নং ৩৩৮৮)
কাজেই সমস্ত মুসলমানদের দায়িত্ব হচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করার জন্য উক্ত প্রথম তিনটি কাজ তথা সর্বদা মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত করা উনার সাথে অন্য কাউকে শরীক না করা। মহান আল্লাহ পাক উনার বিধান মুবারক সমূহ একত্রিত হয়ে শক্তভাবে আকড়ে ধরা কখনো বিচ্ছিন্ন না হওয়া। এবং মহান আল্লাহ পাক প্রদত্ত উনার প্রতিনিধিগণ উনাদের জন্য দোয়া করা। আর মহান আল্লাহ পাক এবং উনার মহসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আদেশ-নিষেধ মুবারক উনাদের ব্যাপারে কোন প্রকার চু-চেরা না করে অন্তরের অন্তস্থল থেকে মেনে নেয়া। সর্বপ্রকার অপচয় রোধ করা এবং অযথা কথা-বার্তা, মাত্রাতিরিক্ত সুওয়াল করা থেকে বিরত থাকা। মহান আল্লাহ পাক তিনি সবাইকে সেই তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে