“রাস্ট্রধর্মে ইসলাম বহাল রাখতে হবে


“রাস্ট্রধর্মে ইসলাম বহাল রাখতে হবে” এই নিয়ে লেখালেখি শুরু হতেই আমার কিছু কাছের মানুষের বক্তব্য হচ্ছে

১) ১৯৮৮ সালের আগে সংবিধানে ইসলাম ছিলনা তাই বলে কি তখন ইসলাম পালন করা যায়নি?
২) এরশাদ ছিল স্বৈরাচার ফলে সে রাজনৈতিক কারণে ইসালামকে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেছিলো।
প্রথমেই বলতে হয় ৯/১১ এর আগে সাড়া বিশ্বে কোথাও ইসলাম পালনে তেমন কোন সমস্যা ছিলনা। “The Clash of civilization” বইটিতে ইহুদী স্কলার স্যামুয়েল পি হান্টিংটন লিখেছিলো “Islam is the next threat to the west”. বাস্তবে না হলেও শুরু হয়ে গেলো ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। পাশ্চাত্য হচ্ছে সকল সন্ত্রাসী কাজের সূতিকাগার কিন্তু Blame Game দিয়ে কস্ট দিচ্ছে মুসলমানদের। মুসলমান শক্তিগুলোকে ধ্বংস করে যাচ্ছে। ভারতের তাবেদার রাস্ট্র হবার আগে এদেশের মুসলমানরা ইসলাম ভালভাবেই পালন করেছে কিন্তু এখন শুরু হয়ে গেছে নানা উৎপীড়ন।
এখন প্রেক্ষাপট ভিন্ন। ইসলাম থাকার পরেও, ৯৮ ভাগ মুসলমান থাকার পরেও শাসকদের চিরস্থায়ীভাবে ক্ষমতায় থাকার অলীক স্বপ্নের কারণে মুসলমানগন কোণঠাসা হচ্ছে। কেবল Mental Retarded ছাড়া এটা এখন সবাই বুঝতে পারছে।
ফলে সংবিধান থেকে ইসলাম তুলে দেয়ার বিষয়টি কেবল বাহাত্তরের সংবিধানের পুনরাবৃত্তি নয়, আছে অনেক নেপথ্য পরিকল্পনা। ফলে এখন ইসলাম তুলে দেয়ার বিষয়ে হাত দেয়া যাবেনা। অর্থাৎ রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম থাকতেই হবে।

তথাকথিত গণতন্ত্রীদের কিছু মুখস্ত ডায়ালগ আছে, কুর্দি পরা হলেই স্বৈরাচার। আর তখন তথাকথিত শিল্পী সাহিত্যিকদের ভান-ছলাকলাও যায় বেড়ে। এরশাদের সময় কতকি লেখা হত? “বিশ্ব বেহায়ার খপ্পরে দেশ” “অদ্ভুত উঠের পিঠে চলেছে স্বদেশ” ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু সেই লোকগুলো এখন বোবা বনে গেছে। কেউ ভোট জালিয়াতিতে ক্ষমতায় এলেও সমস্যা নেই। বিরোধীদলকে চ্যাংদোলা করে ঝুলিয়ে রাখলেও স্বৈরাচার হয়না। স্বৈরাচার কেবল এরশাদ। ফলে তার Amendment বাতিল করতে হবে। এসব স্রেফ ভুয়া কথা ।
এরশাদ রাজনৈতিক কারণেই করুক আর ভুল করেই করুক। এদেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশে ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম থাকতে হবে। আরও থাকতে হবে ষড়যন্ত্রকারীদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা রুখে দাঁড়ানোর জন্য।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে